Dhaka ১২:৪৪ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৩ এপ্রিল ২০২৬, ৯ বৈশাখ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

দীর্ঘদিনের উন্নয়ন বঞ্চনা দূর করে আধুনিক ড্রেনেজ ব্যবস্থা,কর্মসংস্থান সৃষ্টির প্রতিশ্রুতি

  • প্রতিবেদকের নাম
  • আপডেটের সময়: ০৬:১১:১৬ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৫ মার্চ ২০২৬
  • ৬৫ সময় দেখুন

মোঃ উজ্জ্বল সরকার গাইবান্ধা: গাইবান্ধার পলাশবাড়ী পৌরসভার ২ নম্বর ওয়ার্ডের গৃধারীপুর গ্রামের বাসিন্দা আবুল কালাম আজাদ পেশাগতভাবে শেয়ারবাজারের সঙ্গে যুক্ত একজন সফল ব্যবসায়ী। তবে ব্যবসার পাশাপাশি দীর্ঘদিন ধরে শিক্ষা, সামাজিক উন্নয়ন ও মানবিক কর্মকাণ্ডে সম্পৃক্ত থাকায় এলাকায় একজন সৎ, বিনয়ী ও দায়িত্বশীল ব্যক্তি হিসেবে তিনি সুপরিচিত। আবুল কালাম আজাদ বলেন, পলাশবাড়ী পৌরসভা দীর্ঘদিন আগে গঠিত হলেও নানা আইনি ও প্রশাসনিক জটিলতার কারণে কাঙ্ক্ষিত উন্নয়ন বাস্তবায়ন সম্ভব হয়নি। ২০২০ সালে এখানে প্রশাসক নিয়োগ দেওয়া হয় এবং ২০২১ সালে প্রথমবারের মতো নির্বাচনের মাধ্যমে মেয়র নির্বাচিত হন। কিন্তু গত এক দশকের বেশি সময়েও পরিকল্পিত অবকাঠামো উন্নয়ন, কার্যকর বর্জ্য ব্যবস্থাপনা, আধুনিক ড্রেনেজ ব্যবস্থা কিংবা টেকসই সড়ক উন্নয়নের মতো মৌলিক বিষয়গুলো এখনো সন্তোষজনকভাবে বাস্তবায়িত হয়নি বলে তিনি মনে করেন।

আরও পড়ুনঃ  লক্ষ্মীপুরে ফোর লেন সড়ক প্রকল্পের কাজ ২০২৯ সালে শেষ হবে: পানিসম্পদ মন্ত্রী

 

তিনি বলেন, শহরের মানুষ প্রতিদিন জলাবদ্ধতা, বর্জ্য ব্যবস্থাপনার সংকট, ভাঙাচোরা রাস্তা, বেকারত্ব বৃদ্ধি, ভিক্ষাবৃত্তির বিস্তার এবং স্ট্রিট লাইটের অভাবসহ নানা সমস্যার মুখোমুখি হচ্ছেন। এসব বাস্তবতা উপলব্ধি করেই তিনি কেবল প্রতিশ্রুতির রাজনীতি নয়, বাস্তবভিত্তিক পরিকল্পনার মাধ্যমে পরিবর্তন আনার লক্ষ্য নিয়ে নির্বাচনে অংশ নিতে চান।

আবুল কালাম আজাদ বলেন,
“নাগরিকদের কষ্ট আমার কাছে শুধু একটি বিষয় নয়, এটি আমার বাস্তব অভিজ্ঞতা। আমার লক্ষ্য হলো পৌরসভার সেবা সহজ ও দ্রুত মানুষের কাছে পৌঁছে দেওয়া, সব কাজে স্বচ্ছতা নিশ্চিত করা এবং নাগরিক সমস্যাকে অগ্রাধিকার দেওয়া। নির্বাচিত হলে তিনি আধুনিক ড্রেনেজ ব্যবস্থা গড়ে তোলা, কার্যকর বর্জ্য ব্যবস্থাপনা নিশ্চিত করা, ভাঙাচোরা সড়ক সংস্কার, শহরকে ভিক্ষাবৃত্তিমুক্ত করা, বেকার তরুণদের জন্য কর্মসংস্থানের সুযোগ সৃষ্টি, মাদকমুক্ত সমাজ গড়ে তোলা এবং নারীদের নিরাপদ চলাচল নিশ্চিত করার অঙ্গীকার ব্যক্ত করেন। পাশাপাশি পৌরসভার বাজেট ও উন্নয়ন প্রকল্প বাস্তবায়নে স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতা নিশ্চিত করার কথাও জানান তিনি।

আরও পড়ুনঃ  সন্ত্রাসী হামলায় গুরুতর আহত ফরহাদ হোসেনের সুস্থতা কামনায় দোয়া মাহফিল

 

রাজনৈতিক ও সামাজিক সম্পৃক্ততা
রাজনৈতিক জীবনে আবুল কালাম আজাদ ছাত্রজীবন থেকেই সক্রিয়। তিনি জেলা বিএনপির যুগ্ম সম্পাদক এবং পলাশবাড়ী পৌর বিএনপির সভাপতির দায়িত্ব পালন করেছেন। এর আগে তিনি তিন উপজেলা ছাত্রদলের সভাপতি, স্বেচ্ছাসেবক দলের সভাপতি এবং উপজেলা বিএনপির সাংগঠনিক সম্পাদকের দায়িত্ব নিষ্ঠা ও সুনামের সঙ্গে পালন করেন।

আরও পড়ুনঃ  নীলফামারীতে হাম-রুবেলা টিকাদান ক্যাম্পেইন উদ্বোধন

শিক্ষা উন্নয়নে ভূমিকা

তিনি পলাশবাড়ীর ঐতিহ্যবাহী শিক্ষা প্রতিষ্ঠান সরকারি এস. এম. পাইলট উচ্চ বিদ্যালয়ের ম্যানেজিং কমিটির নির্বাচিত সদস্য হিসেবে দায়িত্ব পালন করে শিক্ষা উন্নয়নে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখে চলেছেন। ব্যক্তিজীবনে আবুল কালাম আজাদ বিবাহিত এবং দুই ছেলে সন্তানের জনক। তিনি বলেন, পৌরসভাকে প্রকৃত অর্থে জনগণের প্রতিষ্ঠান হিসেবে গড়ে তুলতে চাই— যেখানে থাকবে খোলা দরজা, নাগরিকদের কথা শোনার আন্তরিকতা এবং দ্রুত সমস্যার সমাধানের কার্যকর ব্যবস্থা। একটি আধুনিক, পরিচ্ছন্ন ও বাসযোগ্য পলাশবাড়ী গড়াই আমার লক্ষ্য।”

Tag :
জনপ্রিয় পোস্ট

দীর্ঘদিনের উন্নয়ন বঞ্চনা দূর করে আধুনিক ড্রেনেজ ব্যবস্থা,কর্মসংস্থান সৃষ্টির প্রতিশ্রুতি

আপডেটের সময়: ০৬:১১:১৬ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৫ মার্চ ২০২৬

মোঃ উজ্জ্বল সরকার গাইবান্ধা: গাইবান্ধার পলাশবাড়ী পৌরসভার ২ নম্বর ওয়ার্ডের গৃধারীপুর গ্রামের বাসিন্দা আবুল কালাম আজাদ পেশাগতভাবে শেয়ারবাজারের সঙ্গে যুক্ত একজন সফল ব্যবসায়ী। তবে ব্যবসার পাশাপাশি দীর্ঘদিন ধরে শিক্ষা, সামাজিক উন্নয়ন ও মানবিক কর্মকাণ্ডে সম্পৃক্ত থাকায় এলাকায় একজন সৎ, বিনয়ী ও দায়িত্বশীল ব্যক্তি হিসেবে তিনি সুপরিচিত। আবুল কালাম আজাদ বলেন, পলাশবাড়ী পৌরসভা দীর্ঘদিন আগে গঠিত হলেও নানা আইনি ও প্রশাসনিক জটিলতার কারণে কাঙ্ক্ষিত উন্নয়ন বাস্তবায়ন সম্ভব হয়নি। ২০২০ সালে এখানে প্রশাসক নিয়োগ দেওয়া হয় এবং ২০২১ সালে প্রথমবারের মতো নির্বাচনের মাধ্যমে মেয়র নির্বাচিত হন। কিন্তু গত এক দশকের বেশি সময়েও পরিকল্পিত অবকাঠামো উন্নয়ন, কার্যকর বর্জ্য ব্যবস্থাপনা, আধুনিক ড্রেনেজ ব্যবস্থা কিংবা টেকসই সড়ক উন্নয়নের মতো মৌলিক বিষয়গুলো এখনো সন্তোষজনকভাবে বাস্তবায়িত হয়নি বলে তিনি মনে করেন।

আরও পড়ুনঃ  নীলফামারীতে হাম-রুবেলা টিকাদান ক্যাম্পেইন উদ্বোধন

 

তিনি বলেন, শহরের মানুষ প্রতিদিন জলাবদ্ধতা, বর্জ্য ব্যবস্থাপনার সংকট, ভাঙাচোরা রাস্তা, বেকারত্ব বৃদ্ধি, ভিক্ষাবৃত্তির বিস্তার এবং স্ট্রিট লাইটের অভাবসহ নানা সমস্যার মুখোমুখি হচ্ছেন। এসব বাস্তবতা উপলব্ধি করেই তিনি কেবল প্রতিশ্রুতির রাজনীতি নয়, বাস্তবভিত্তিক পরিকল্পনার মাধ্যমে পরিবর্তন আনার লক্ষ্য নিয়ে নির্বাচনে অংশ নিতে চান।

আবুল কালাম আজাদ বলেন,
“নাগরিকদের কষ্ট আমার কাছে শুধু একটি বিষয় নয়, এটি আমার বাস্তব অভিজ্ঞতা। আমার লক্ষ্য হলো পৌরসভার সেবা সহজ ও দ্রুত মানুষের কাছে পৌঁছে দেওয়া, সব কাজে স্বচ্ছতা নিশ্চিত করা এবং নাগরিক সমস্যাকে অগ্রাধিকার দেওয়া। নির্বাচিত হলে তিনি আধুনিক ড্রেনেজ ব্যবস্থা গড়ে তোলা, কার্যকর বর্জ্য ব্যবস্থাপনা নিশ্চিত করা, ভাঙাচোরা সড়ক সংস্কার, শহরকে ভিক্ষাবৃত্তিমুক্ত করা, বেকার তরুণদের জন্য কর্মসংস্থানের সুযোগ সৃষ্টি, মাদকমুক্ত সমাজ গড়ে তোলা এবং নারীদের নিরাপদ চলাচল নিশ্চিত করার অঙ্গীকার ব্যক্ত করেন। পাশাপাশি পৌরসভার বাজেট ও উন্নয়ন প্রকল্প বাস্তবায়নে স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতা নিশ্চিত করার কথাও জানান তিনি।

আরও পড়ুনঃ  সিরাজগঞ্জে ভিক্টোরিয়া হাই স্কুলে এসএসসি পরীক্ষার্থীদের বিদায় ও দোয়া অনুষ্ঠান

 

রাজনৈতিক ও সামাজিক সম্পৃক্ততা
রাজনৈতিক জীবনে আবুল কালাম আজাদ ছাত্রজীবন থেকেই সক্রিয়। তিনি জেলা বিএনপির যুগ্ম সম্পাদক এবং পলাশবাড়ী পৌর বিএনপির সভাপতির দায়িত্ব পালন করেছেন। এর আগে তিনি তিন উপজেলা ছাত্রদলের সভাপতি, স্বেচ্ছাসেবক দলের সভাপতি এবং উপজেলা বিএনপির সাংগঠনিক সম্পাদকের দায়িত্ব নিষ্ঠা ও সুনামের সঙ্গে পালন করেন।

আরও পড়ুনঃ  লক্ষ্মীপুরে ফোর লেন সড়ক প্রকল্পের কাজ ২০২৯ সালে শেষ হবে: পানিসম্পদ মন্ত্রী

শিক্ষা উন্নয়নে ভূমিকা

তিনি পলাশবাড়ীর ঐতিহ্যবাহী শিক্ষা প্রতিষ্ঠান সরকারি এস. এম. পাইলট উচ্চ বিদ্যালয়ের ম্যানেজিং কমিটির নির্বাচিত সদস্য হিসেবে দায়িত্ব পালন করে শিক্ষা উন্নয়নে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখে চলেছেন। ব্যক্তিজীবনে আবুল কালাম আজাদ বিবাহিত এবং দুই ছেলে সন্তানের জনক। তিনি বলেন, পৌরসভাকে প্রকৃত অর্থে জনগণের প্রতিষ্ঠান হিসেবে গড়ে তুলতে চাই— যেখানে থাকবে খোলা দরজা, নাগরিকদের কথা শোনার আন্তরিকতা এবং দ্রুত সমস্যার সমাধানের কার্যকর ব্যবস্থা। একটি আধুনিক, পরিচ্ছন্ন ও বাসযোগ্য পলাশবাড়ী গড়াই আমার লক্ষ্য।”