Dhaka ০৭:৫৩ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ৯ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

সৎ ও সাশ্রয়ী অভিবাসন ব্যবস্থা গড়ার আহ্বান রাষ্ট্রপতির

  • প্রতিবেদকের নাম
  • আপডেটের সময়: ০৭:০২:৪৫ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬
  • ১০ সময় দেখুন

নিজস্ব প্রতিবেদকঃ নিরপেক্ষ, সুশৃঙ্খল, সাশ্রয়ী ও সৎ অভিভাসন ব্যবস্থা গড়ে তুলতে সংশ্লিষ্ট সবাইকে কার্যকর ব্যবস্থা গ্রহণের আহ্বান জানিয়েছেন রাষ্ট্রপতি মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর। আজ বৃহস্পতিবার (২৪ সেপ্টেম্বর) বঙ্গভবনে রিফিউজি অ্যান্ড মাইগ্রেটরি মুভমেন্টস রিসার্চ ইউনিটের (রামরু) নির্বাহী পরিচালক ও ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের রাষ্ট্রবিজ্ঞান বিভাগের সাবেক অধ্যাপক ড. তাসনিম সিদ্দিকীর নেতৃত্বে একটি প্রতিনিধিদলের সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎকালে রাষ্ট্রপতি এসব কথা বলেন। এসময় অভিবাসীদের অবদানকে আরও কার্যকরভাবে কাজে লাগাতে একটি ‘অভিবাসন দশক’ ঘোষণার উদ্যোগের বিষয়টি রাষ্ট্রপতির কাছে তুলে ধরা হয়। রামরু’র নির্বাহী পরিচালক ৩০ বছর পূর্তি উপলক্ষে আয়োজিত অনুষ্ঠানে রাষ্ট্রপতিকে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থাকার জন্য আমন্ত্রণ জানান। রাষ্ট্রপতি উপস্থিত থাকার ব্যাপারে আশ্বস্ত করেন।

আরও পড়ুনঃ  পঙ্গু হাসপাতালে ভর্তিযুদ্ধ মাস কেটে যায় একটি সিটের জন্য

 

সাক্ষাৎকালে ড. তাসনিম সিদ্দিকী রামরু’র ৩০ বছরের গবেষণা ও মাঠপর্যায়ের কার্যক্রম এবং বিভিন্ন অর্জন সম্পর্কে রাষ্ট্রপতিকে অবহিত করেন। তিনি জানান, শ্রম অভিবাসন, অভ্যন্তরীণ বাস্তুচ্যুতি, শরণার্থী ও অভিবাসী শ্রমিকদের বিভিন্ন বিষয় নিয়ে দীর্ঘদিন ধরে গবেষণা ও নীতিগত পর্যায়ে কাজ করছে। সাক্ষাৎকালে অভিবাসী কর্মীদের জন্য নিরাপদ ও সুশৃঙ্খল অভিবাসন নিশ্চিত করা, অভিবাসন ব্যবস্থায় সংশ্লিষ্ট সেবাদানকারী প্রতিষ্ঠানগুলোর জবাবদিহিতা এবং অভিবাসীদের ইতিবাচক অবদানকে উৎসাহিত করার বিভিন্ন বিষয় নিয়েও আলোচনা হয়। এছাড়া অভ্যন্তরীণভাবে বাস্তুচ্যুত জনগোষ্ঠীর বিষয়ে রামরু’র গবেষণা ও নীতিগত উদ্যোগ, বাস্তুচ্যুত জনগোষ্ঠী নিয়ে জাতীয় পর্যায়ে ককাস গঠন এবং এ বিষয়ে আন্তর্জাতিক পর্যায়ে বাংলাদেশের অভিজ্ঞতা ও উদ্যোগ তুলে ধরার বিষয়েও আলোচনা হয়।

আরও পড়ুনঃ  দখলদাররা গিলে খাচ্ছে গাজীপুরের শালবন

 

প্রতিনিধিদলে আরও উপস্থিত ছিলেন, রামরু’র উপদেষ্টা ও ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের আন্তর্জাতিক সম্পর্ক বিভাগের সাবেক অধ্যাপক সি আর আবরার, উপ-নির্বাহী পরিচালক মোতাসিম বিল্লাহ, প্রোগ্রাম পরিচালক মারিনা সুলতানা এবং সিনিয়র রিসার্চ ফেলো মাহমুদুল হাসান রকি। এসময় রাষ্ট্রপতির সামরিক সচিব ও জনবিভাগের সচিব উপস্থিত ছিলেন।

আরও পড়ুনঃ  মার্কিন ফার্স্ট লেডি মেলানিয়ার সঙ্গে ডা. জুবাইদা রহমানের সাক্ষাৎ
Tag :
জনপ্রিয় পোস্ট

সৎ ও সাশ্রয়ী অভিবাসন ব্যবস্থা গড়ার আহ্বান রাষ্ট্রপতির

আপডেটের সময়: ০৭:০২:৪৫ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬

নিজস্ব প্রতিবেদকঃ নিরপেক্ষ, সুশৃঙ্খল, সাশ্রয়ী ও সৎ অভিভাসন ব্যবস্থা গড়ে তুলতে সংশ্লিষ্ট সবাইকে কার্যকর ব্যবস্থা গ্রহণের আহ্বান জানিয়েছেন রাষ্ট্রপতি মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর। আজ বৃহস্পতিবার (২৪ সেপ্টেম্বর) বঙ্গভবনে রিফিউজি অ্যান্ড মাইগ্রেটরি মুভমেন্টস রিসার্চ ইউনিটের (রামরু) নির্বাহী পরিচালক ও ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের রাষ্ট্রবিজ্ঞান বিভাগের সাবেক অধ্যাপক ড. তাসনিম সিদ্দিকীর নেতৃত্বে একটি প্রতিনিধিদলের সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎকালে রাষ্ট্রপতি এসব কথা বলেন। এসময় অভিবাসীদের অবদানকে আরও কার্যকরভাবে কাজে লাগাতে একটি ‘অভিবাসন দশক’ ঘোষণার উদ্যোগের বিষয়টি রাষ্ট্রপতির কাছে তুলে ধরা হয়। রামরু’র নির্বাহী পরিচালক ৩০ বছর পূর্তি উপলক্ষে আয়োজিত অনুষ্ঠানে রাষ্ট্রপতিকে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থাকার জন্য আমন্ত্রণ জানান। রাষ্ট্রপতি উপস্থিত থাকার ব্যাপারে আশ্বস্ত করেন।

আরও পড়ুনঃ  গণভোটের গণরায় পাশ কাটিয়ে সংবিধান সংশোধন নয়: ১১ দলীয় ঐক্য

 

সাক্ষাৎকালে ড. তাসনিম সিদ্দিকী রামরু’র ৩০ বছরের গবেষণা ও মাঠপর্যায়ের কার্যক্রম এবং বিভিন্ন অর্জন সম্পর্কে রাষ্ট্রপতিকে অবহিত করেন। তিনি জানান, শ্রম অভিবাসন, অভ্যন্তরীণ বাস্তুচ্যুতি, শরণার্থী ও অভিবাসী শ্রমিকদের বিভিন্ন বিষয় নিয়ে দীর্ঘদিন ধরে গবেষণা ও নীতিগত পর্যায়ে কাজ করছে। সাক্ষাৎকালে অভিবাসী কর্মীদের জন্য নিরাপদ ও সুশৃঙ্খল অভিবাসন নিশ্চিত করা, অভিবাসন ব্যবস্থায় সংশ্লিষ্ট সেবাদানকারী প্রতিষ্ঠানগুলোর জবাবদিহিতা এবং অভিবাসীদের ইতিবাচক অবদানকে উৎসাহিত করার বিভিন্ন বিষয় নিয়েও আলোচনা হয়। এছাড়া অভ্যন্তরীণভাবে বাস্তুচ্যুত জনগোষ্ঠীর বিষয়ে রামরু’র গবেষণা ও নীতিগত উদ্যোগ, বাস্তুচ্যুত জনগোষ্ঠী নিয়ে জাতীয় পর্যায়ে ককাস গঠন এবং এ বিষয়ে আন্তর্জাতিক পর্যায়ে বাংলাদেশের অভিজ্ঞতা ও উদ্যোগ তুলে ধরার বিষয়েও আলোচনা হয়।

আরও পড়ুনঃ  সিলেটে গাছের শত্রু বন বিভাগ

 

প্রতিনিধিদলে আরও উপস্থিত ছিলেন, রামরু’র উপদেষ্টা ও ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের আন্তর্জাতিক সম্পর্ক বিভাগের সাবেক অধ্যাপক সি আর আবরার, উপ-নির্বাহী পরিচালক মোতাসিম বিল্লাহ, প্রোগ্রাম পরিচালক মারিনা সুলতানা এবং সিনিয়র রিসার্চ ফেলো মাহমুদুল হাসান রকি। এসময় রাষ্ট্রপতির সামরিক সচিব ও জনবিভাগের সচিব উপস্থিত ছিলেন।

আরও পড়ুনঃ  আড্ডা মাদক দাপটে কিশোর হয়ে উঠছে অপরাধী