Dhaka ০৭:৩৮ অপরাহ্ন, শনিবার, ২৯ অগাস্ট ২০২৬, ১৪ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনামঃ
বগুড়ার ধুনটে গাঁজাসহ গ্রেফতার ৩ জন, ভ্রাম্যমাণ আদালতে কারাদণ্ড গাজীপুরে পুলিশি অভিযানে আসামি ধরতে গিয়ে স্বর্ণ-টাকা উধাও? ‎শিবগঞ্জে পৈতৃক জমি দখল করে বাড়ি নির্মাণের অভিযোগ, প্রাণনাশের হুমকির দাবি কেরানীগঞ্জে শিক্ষার্থীদের মাঝে ক্রীড়া সামগ্রী বিতরণ করলেন গয়েশ্বর চন্দ্র রায় ও নিপুণ রায় চৌধুরী গাইবান্ধায় ৩২৫ পিস ইয়াবাসহ কুখ্যাত মাদক ব্যবসায়ীর স্ত্রী গ্রেপ্তার পানিতে ডুবে শিশু ওমরের মৃত্যু পরিবারে বিরাজ করছে শোকের মাতুল কোনো খাদ্যগুদামে অনিয়ম পাওয়া গেলে ছাড় দেওয়া হবে না’ হাসপাতালের দালালচক্রের বিরুদ্ধে আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হবে: প্রতিমন্ত্রী হবিগঞ্জ-মৌলভীবাজারে প্লাবনের শঙ্কা শহীদদের আকাঙ্ক্ষা পূরণে সরকার কাজ করছে: প্রধানমন্ত্রী

শহীদদের আকাঙ্ক্ষা পূরণে সরকার কাজ করছে: প্রধানমন্ত্রী

নিজস্ব প্রতিবেদকঃ মুক্তিযুদ্ধসহ জুলাই আন্দোলনে শহীদের আকাঙ্ক্ষা পূরণেই সরকার কাজ করছে বলে মন্তব্য করেছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। আজ শনিবার (২৯ আগস্ট) দুপুরে গুম-খুনের শিকার ও জুলাই আন্দোলনে শহীদ পরিবারের সদস্যদের চাকরি প্রদান অনুষ্ঠানে তিনি এ মন্তব্য করেন। তারেক রহমান বলেন, সর্বোচ্চ দিয়ে আমরা চেষ্টা করব, যে আকাঙক্ষা ১৯৭১ সালে শহীদ মুক্তিযোদ্ধারা করেছিলেন, যে আকাঙ্ক্ষা দেশ স্বাধীনের পর থেকে বিভিন্ন সময় গণতন্ত্রকে প্রতিষ্ঠিত করতে গিয়ে বিভিন্নভাবে যারা হারিয়ে গিয়েছেন বা ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছেন, শহীদ হয়েছেন এবং সর্বশেষ জুলাই আন্দোলনে যে মানুষকগুলো শহীদ হয়েছেন, ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছেন বিভিন্নভাবে… তাদের যে আকাঙ্ক্ষা ছিল, এই সরকার বদ্ধপরিকর সেই আকাঙক্ষা বাস্তবায়ন করতে। আজকে হয়ত কেউ কেউ বলতে পারে যে সরকার এই নির্যাতিত পরিবারগুলোর পাশে দাঁড়িয়েছেন। আমি কথাটা একটু ঘুরিয়ে অন্যভাবে বলতে চাই। আমি বলতে চাই, এই মানুষগুলো বা এই পরিবারগুলোর সহযোগিতা বা সমর্থন আছে বলেই সরকার পূর্ণ উদ্যোগে সেই শহীদ বা সেই আত্মত্যাগকারী যে মানুষগুলো, তাদের আকাঙ্ক্ষাকে বাস্তবায়ন করার জন্য উৎসাহ- উদ্দীপনা নিয়ে সরকার কাজ করছেন। কাজেই আপনারাই হচ্ছেন আমাদের উৎসাহ-উদ্দীপনা এবং শক্তির উৎস।

আরও পড়ুনঃ  গ্যাস-বিদ্যুৎ সংকটে কারখানা চলছে জেনারেটরে ডিজেলের ঘাটতি

প্রধানমন্ত্রী বলেন, আমি আশা করব, যতদিন পর্যন্ত এদেশের মানুষ আমাদেরকে রাষ্ট্র পরিচালনার দায়িত্বে নিয়োজিত রাখবে; আমরা ততদিন পর্যন্ত এই পরিবারগুলোর সমর্থন বা আশা প্রত্যাশা পূরণ করব। তেজগাঁওয়ে প্রধানমন্ত্রী কার্যালয়ের ‘করবী’ হলে এ অনুষ্ঠান আয়োজন করা হয়। অনুষ্ঠানে ৭৪ জনের হাতে বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের নিয়োগপত্র দেওয়া হয়। এর মধ্যে ১০ জনের হাতে নিয়োগপত্র তুলে দেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান বলেন, আমাদের নিজেদের দলের মধ্যে, বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের মধ্যে, বিভিন্ন অরাজনৈতিক ব্যক্তি বা পরিবার আছে—যাদের অবদান বা আত্মত্যাগ আছে এই দেশের গণতন্ত্রকে পুনরুদ্ধার করার জন্য। সরকারের সবসময় চেষ্টা থাকবে যত সীমাবদ্ধতা থাকুক না কেন, তার মধ্যে চেষ্টা থাকবে এই মানুষগুলোর পাশে থাকার জন্য, এই পরিবার পাশে থাকার জন্য। আপনাদের যে অপূরণীয় ক্ষতি হয়েছে, সেই ক্ষতি হয়তো কোনোভাবেই পূরণ করা সম্ভব নয়। তার পরেও এতটুকু বলব আমাদের অবস্থান থেকে—আমরা আপনাদের সাথে ছিলাম, আছি ইনশাল্লাহ থাকব। তিনি বলেন, আমরাও চাই, আপনারাও আমাদেরকে সহযোগিতা করবেন, আমাদের উৎসাহ দেবেন যাতে আমরা শহীদসহ সকল আত্মত্যাগকারী গণতান্ত্রিকামী যোদ্ধা যারা আছেন; তাদের যে প্রত্যাশা দেশকে নিয়ে, জাতিকে নিয়ে, সেই প্রত্যাশার পূরণ যদি আমরা কাজ করতে পারি, সেই সমর্থন প্রত্যাশা করছি।

আরও পড়ুনঃ  রাষ্ট্রের কল্যাণে দলনিরপেক্ষভাবেই কাজ করব: রাষ্ট্রপতি

 

জুলাই অভ্যুত্থানের প্রসঙ্গ টেনে প্রধানমন্ত্রী বলেন, আজকের এই অনুষ্ঠানটি আমাদের জন্য কিছুটা কষ্ট বয়ে নিয়ে আসে বৈইকি। কারণ আমরা এই অনুষ্ঠানে এমন কতগুলো মানুষকে স্মরণ করছি, যে মানুষগুলো হয়ত আজকে এখানে থাকার কথা ছিল; কিন্তু আমাদের মাঝে নেই। এই যে মানুষগুলো আজকে আমাদের মাঝে নেই, তাদের অনুপস্থিতির যে কারণ; সেই কারণের ভেতর দিয়ে সমগ্র বাংলাদেশের ২০ কোটি মানুষ একটি ফ্যাসিস্ট অবস্থা থেকে মুক্তি পেয়েছে। সেজন্যই আমাদের প্রথম কাজটি হবে সেই মানুষগুলো, যারা আজকে আমাদের মাঝে অনুপস্থিত …কোথায় কী অবস্থায় আছে, একমাত্র আল্লাহ রাব্বুল আলামিন জানেন। আমাদের উচিত হবে দু হাত তুলে আল্লাহর দরবারে দোয়া করা যে, সেই মানুষগুলোকে যাতে আল্লাহ যে অবস্থাতে আছে সে অবস্থাতে সর্বোচ্চ ভালো অবস্থায় আল্লাহ যাতে তাদেরকে রাখেন। তারেক রহমান বলেন, আজকে এখানে সেই মানুষগুলোর পরিবারের সদস্যরা, আজকে এখানে উপস্থিত হয়েছেন। স্বাভাবিকভাবেই আপনাদেরকে সামনে দেখে আমিও কিছুটা ইমোশনাল বোধ করছি। তার পরেও এতটুকু আমি বলতে চাই, আমরা আপনাদেরকে আগে বলেছিলাম স্বাভাবিকভাবে বড় কিছু অর্জন করতে গিয়ে আমাদেরকে যে ত্যাগ স্বীকার করতে হয়েছে, যে মানুষগুলো ত্যাগ স্বীকার করেছেন- যারা আমাদের মাঝে আছে নেই।

আরও পড়ুনঃ  পলাশবাড়ীর ৯ নম্বর ওয়ার্ডে আবুল কালাম আজাদের উঠান বৈঠক

 

যারা ত্যাগ স্বীকার করেছেন, তাদেরকে এতটুকু বলতে চাই যে, আপনারা সেই লক্ষ্য বা উদ্দেশ্য নিয়ে আপনার পরিবারের যে সদস্য যারা আজকে হারিয়ে গিয়েছে, তারা যে লক্ষ্য বা উদ্দেশ্য নিয়ে এ দেশের জন্য, দেশের মানুষের জন্য যে সর্বোচ্চ ত্যাগ স্বীকার করেছেন বা যারা বিভিন্নভাবে শারীরিকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছেন…তারা যে ত্যাগ স্বীকার করেছেন, বর্তমান সরকার তার সর্বোচ্চ দিয়ে চেষ্টা করবে যাতে করে সেই লক্ষ্য বা উদ্দেশ্য বাস্তবায়ন হয় প্রধানমন্ত্রীর অতিরিক্ত প্রেস সচিব আতিকুর রহমান রুমনের সঞ্চালনায় অনুষ্ঠানে চাকরি পাওয়াদের মধ্যে বক্তব্য দেন ইশফাক আহমেদ, শাম্মী সুলতানা, আলাল আহমেদ, শহীদ আনভীর বাবা মমতাজ হোসেন, শহীদ আহনাফের মা জারতাজ পারভীন, জুলাইযোদ্ধা কাজী সাইমুম সিরাজ। অনুষ্ঠানে মন্ত্রিপরিষদ সচিব নাসিমুল গনি, প্রধানমন্ত্রীর মুখ্য সচিব এ বি এম আবদুস সাত্তার, প্রধানমন্ত্রীর প্রেস সচিব সালেহ শিবলী, উপ প্রেস সচিব জাহিদুল ইসলাম রনি, হাসান শিপলু. সুজাউদ্দৌলা, শাহাদাৎ স্বাধীন, সহকারী প্রেস সচিব এ কে এম নাজমুল হক, শাহরিয়ার পামির, আমরা বিএনপি পরিবারের সদস্য মোকছেদুল মোমিন মিথুন।

Tag :
জনপ্রিয় পোস্ট

বগুড়ার ধুনটে গাঁজাসহ গ্রেফতার ৩ জন, ভ্রাম্যমাণ আদালতে কারাদণ্ড

শহীদদের আকাঙ্ক্ষা পূরণে সরকার কাজ করছে: প্রধানমন্ত্রী

আপডেটের সময়: ০৬:০১:২৯ অপরাহ্ন, শনিবার, ২৯ অগাস্ট ২০২৬

নিজস্ব প্রতিবেদকঃ মুক্তিযুদ্ধসহ জুলাই আন্দোলনে শহীদের আকাঙ্ক্ষা পূরণেই সরকার কাজ করছে বলে মন্তব্য করেছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। আজ শনিবার (২৯ আগস্ট) দুপুরে গুম-খুনের শিকার ও জুলাই আন্দোলনে শহীদ পরিবারের সদস্যদের চাকরি প্রদান অনুষ্ঠানে তিনি এ মন্তব্য করেন। তারেক রহমান বলেন, সর্বোচ্চ দিয়ে আমরা চেষ্টা করব, যে আকাঙক্ষা ১৯৭১ সালে শহীদ মুক্তিযোদ্ধারা করেছিলেন, যে আকাঙ্ক্ষা দেশ স্বাধীনের পর থেকে বিভিন্ন সময় গণতন্ত্রকে প্রতিষ্ঠিত করতে গিয়ে বিভিন্নভাবে যারা হারিয়ে গিয়েছেন বা ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছেন, শহীদ হয়েছেন এবং সর্বশেষ জুলাই আন্দোলনে যে মানুষকগুলো শহীদ হয়েছেন, ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছেন বিভিন্নভাবে… তাদের যে আকাঙ্ক্ষা ছিল, এই সরকার বদ্ধপরিকর সেই আকাঙক্ষা বাস্তবায়ন করতে। আজকে হয়ত কেউ কেউ বলতে পারে যে সরকার এই নির্যাতিত পরিবারগুলোর পাশে দাঁড়িয়েছেন। আমি কথাটা একটু ঘুরিয়ে অন্যভাবে বলতে চাই। আমি বলতে চাই, এই মানুষগুলো বা এই পরিবারগুলোর সহযোগিতা বা সমর্থন আছে বলেই সরকার পূর্ণ উদ্যোগে সেই শহীদ বা সেই আত্মত্যাগকারী যে মানুষগুলো, তাদের আকাঙ্ক্ষাকে বাস্তবায়ন করার জন্য উৎসাহ- উদ্দীপনা নিয়ে সরকার কাজ করছেন। কাজেই আপনারাই হচ্ছেন আমাদের উৎসাহ-উদ্দীপনা এবং শক্তির উৎস।

আরও পড়ুনঃ  শেখ হাসিনার কবরও বাংলাদেশে হবে না: সারজিস

প্রধানমন্ত্রী বলেন, আমি আশা করব, যতদিন পর্যন্ত এদেশের মানুষ আমাদেরকে রাষ্ট্র পরিচালনার দায়িত্বে নিয়োজিত রাখবে; আমরা ততদিন পর্যন্ত এই পরিবারগুলোর সমর্থন বা আশা প্রত্যাশা পূরণ করব। তেজগাঁওয়ে প্রধানমন্ত্রী কার্যালয়ের ‘করবী’ হলে এ অনুষ্ঠান আয়োজন করা হয়। অনুষ্ঠানে ৭৪ জনের হাতে বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের নিয়োগপত্র দেওয়া হয়। এর মধ্যে ১০ জনের হাতে নিয়োগপত্র তুলে দেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান বলেন, আমাদের নিজেদের দলের মধ্যে, বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের মধ্যে, বিভিন্ন অরাজনৈতিক ব্যক্তি বা পরিবার আছে—যাদের অবদান বা আত্মত্যাগ আছে এই দেশের গণতন্ত্রকে পুনরুদ্ধার করার জন্য। সরকারের সবসময় চেষ্টা থাকবে যত সীমাবদ্ধতা থাকুক না কেন, তার মধ্যে চেষ্টা থাকবে এই মানুষগুলোর পাশে থাকার জন্য, এই পরিবার পাশে থাকার জন্য। আপনাদের যে অপূরণীয় ক্ষতি হয়েছে, সেই ক্ষতি হয়তো কোনোভাবেই পূরণ করা সম্ভব নয়। তার পরেও এতটুকু বলব আমাদের অবস্থান থেকে—আমরা আপনাদের সাথে ছিলাম, আছি ইনশাল্লাহ থাকব। তিনি বলেন, আমরাও চাই, আপনারাও আমাদেরকে সহযোগিতা করবেন, আমাদের উৎসাহ দেবেন যাতে আমরা শহীদসহ সকল আত্মত্যাগকারী গণতান্ত্রিকামী যোদ্ধা যারা আছেন; তাদের যে প্রত্যাশা দেশকে নিয়ে, জাতিকে নিয়ে, সেই প্রত্যাশার পূরণ যদি আমরা কাজ করতে পারি, সেই সমর্থন প্রত্যাশা করছি।

আরও পড়ুনঃ  সরকারি ধান-চাল কেনায় অনিয়মে বঞ্চিত কৃষক লাভবান অসাধু চক্র

 

জুলাই অভ্যুত্থানের প্রসঙ্গ টেনে প্রধানমন্ত্রী বলেন, আজকের এই অনুষ্ঠানটি আমাদের জন্য কিছুটা কষ্ট বয়ে নিয়ে আসে বৈইকি। কারণ আমরা এই অনুষ্ঠানে এমন কতগুলো মানুষকে স্মরণ করছি, যে মানুষগুলো হয়ত আজকে এখানে থাকার কথা ছিল; কিন্তু আমাদের মাঝে নেই। এই যে মানুষগুলো আজকে আমাদের মাঝে নেই, তাদের অনুপস্থিতির যে কারণ; সেই কারণের ভেতর দিয়ে সমগ্র বাংলাদেশের ২০ কোটি মানুষ একটি ফ্যাসিস্ট অবস্থা থেকে মুক্তি পেয়েছে। সেজন্যই আমাদের প্রথম কাজটি হবে সেই মানুষগুলো, যারা আজকে আমাদের মাঝে অনুপস্থিত …কোথায় কী অবস্থায় আছে, একমাত্র আল্লাহ রাব্বুল আলামিন জানেন। আমাদের উচিত হবে দু হাত তুলে আল্লাহর দরবারে দোয়া করা যে, সেই মানুষগুলোকে যাতে আল্লাহ যে অবস্থাতে আছে সে অবস্থাতে সর্বোচ্চ ভালো অবস্থায় আল্লাহ যাতে তাদেরকে রাখেন। তারেক রহমান বলেন, আজকে এখানে সেই মানুষগুলোর পরিবারের সদস্যরা, আজকে এখানে উপস্থিত হয়েছেন। স্বাভাবিকভাবেই আপনাদেরকে সামনে দেখে আমিও কিছুটা ইমোশনাল বোধ করছি। তার পরেও এতটুকু আমি বলতে চাই, আমরা আপনাদেরকে আগে বলেছিলাম স্বাভাবিকভাবে বড় কিছু অর্জন করতে গিয়ে আমাদেরকে যে ত্যাগ স্বীকার করতে হয়েছে, যে মানুষগুলো ত্যাগ স্বীকার করেছেন- যারা আমাদের মাঝে আছে নেই।

আরও পড়ুনঃ  কোরিয়ান লোকোমেটিভ নিয়ে বিপাকে রেল

 

যারা ত্যাগ স্বীকার করেছেন, তাদেরকে এতটুকু বলতে চাই যে, আপনারা সেই লক্ষ্য বা উদ্দেশ্য নিয়ে আপনার পরিবারের যে সদস্য যারা আজকে হারিয়ে গিয়েছে, তারা যে লক্ষ্য বা উদ্দেশ্য নিয়ে এ দেশের জন্য, দেশের মানুষের জন্য যে সর্বোচ্চ ত্যাগ স্বীকার করেছেন বা যারা বিভিন্নভাবে শারীরিকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছেন…তারা যে ত্যাগ স্বীকার করেছেন, বর্তমান সরকার তার সর্বোচ্চ দিয়ে চেষ্টা করবে যাতে করে সেই লক্ষ্য বা উদ্দেশ্য বাস্তবায়ন হয় প্রধানমন্ত্রীর অতিরিক্ত প্রেস সচিব আতিকুর রহমান রুমনের সঞ্চালনায় অনুষ্ঠানে চাকরি পাওয়াদের মধ্যে বক্তব্য দেন ইশফাক আহমেদ, শাম্মী সুলতানা, আলাল আহমেদ, শহীদ আনভীর বাবা মমতাজ হোসেন, শহীদ আহনাফের মা জারতাজ পারভীন, জুলাইযোদ্ধা কাজী সাইমুম সিরাজ। অনুষ্ঠানে মন্ত্রিপরিষদ সচিব নাসিমুল গনি, প্রধানমন্ত্রীর মুখ্য সচিব এ বি এম আবদুস সাত্তার, প্রধানমন্ত্রীর প্রেস সচিব সালেহ শিবলী, উপ প্রেস সচিব জাহিদুল ইসলাম রনি, হাসান শিপলু. সুজাউদ্দৌলা, শাহাদাৎ স্বাধীন, সহকারী প্রেস সচিব এ কে এম নাজমুল হক, শাহরিয়ার পামির, আমরা বিএনপি পরিবারের সদস্য মোকছেদুল মোমিন মিথুন।