Dhaka ০৫:৫৫ অপরাহ্ন, রবিবার, ২৫ অক্টোবর ২০২৬, ১০ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনামঃ
জামালপুরের বকশিগঞ্জে ২১৭ বোতল ভারতীয় মদ সহ ছাত্রদল নেতা গ্রেপ্তার দ্বিতীয় ধাপে চালুর পর গ্যাস সংকটে আবারও বন্ধ হলো যমুনা সার কারখানার উৎপাদন কেরানীগঞ্জে স্কুলশিক্ষিকা ডালিয়া আক্তার হত্যা: ৩ জন গ্রেফতার, ৭ দিনের রিমান্ড আবেদন ​ সুবর্ণচরে একই পরিবারের দুই শিশুর পানিতে ডুবে মৃত্যু জামালপুরে কিশোরীকে ধর্ষণের দায়ে ইমামের যাবজ্জীবন কারাদণ্ড গোদাগাড়ীতে পরিত্যক্ত ব্যাগ থেকে ১ কেজি ৬৭৭ গ্রাম হেরোইন উদ্ধার আজ প্রবারণা পূর্ণিমা ও কোজাগরী লক্ষ্মীপূজা, উৎসবের আনন্দে মুখর বৌদ্ধ ও হিন্দু সম্প্রদায় নাটোরের লালপুরে শীতের আগমনী বার্তা: খেজুরের রস ও গুড় উৎপাদনে ব্যস্ত গাছিরা এই সংসদের মূল্য দুই আনাও নেই ৫ বছর টিকবে কি না সন্দেহ: নাহিদ ইসলাম ফরিদগঞ্জের সাবেক এমপি সাংবাদিক মুহাম্মদ শফিকুর রহমানের ইন্তেকাল

বিগত স্বৈরাচারের পথেই আপনারা হাঁটছেন: ডা. শফিকুর রহমান

নিজস্ব প্রতিবেদকঃ বিরোধীদলীয় নেতা ও বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর আমির ডা. শফিকুর রহমান (এমপি) বলেছেন, ‘আজ যাদের ত্যাগ ও আত্মদানের ফলে দেশে একটি জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও গণভোট অনুষ্ঠিত হয়েছে, তাদের প্রতি কৃতজ্ঞ থাকা উচিত। স্বপ্নবাজ তরুণদের কোরবানির ফলে অনেকে কারামুক্ত হয়েছেন, কেউ প্রধানমন্ত্রী হয়েছেন, কেউ মন্ত্রী হয়েছেন। কিন্তু আপনারা কৃতজ্ঞ না থেকে বিগত স্বৈরাচার যে পথে হেঁটেছিল, আপনারাও সেই পথেই হাঁটছেন। আজ শনিবার (১৬ মে) বিকেলে রাজশাহীর ঐতিহাসিক মাদ্রাসা মাঠে গণভোটের রায় বাস্তবায়ন, জনদুর্ভোগ লাঘব এবং পদ্মা নদীর পানির ন্যায্য হিস্যার দাবিতে ১১ দলীয় ঐক্যজোট আয়োজিত সমাবেশে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন। গণভোটের রায় বাস্তবায়ন, জনদুর্ভোগ লাঘব ও পদ্মার পানির ন্যায্য হিস্যার দাবিতে শনিবার বিকেলে সমাবেশের আয়োজন করে ১১ দলীয় ঐক্যজোট (রাজশাহী বিভাগ)। ছবি: ইত্তেফাক গণভোটের রায় বাস্তবায়ন, জনদুর্ভোগ লাঘব ও পদ্মার পানির ন্যায্য হিস্যার দাবিতে শনিবার বিকেলে সমাবেশের আয়োজন করে ১১ দলীয় ঐক্যজোট (রাজশাহী বিভাগ)। ডা. শফিকুর রহমান বলেন, ‘আমরা স্পষ্টভাবে বলতে চাই, জনগণের ৭০ শতাংশ রায়কে সম্মান করুন। জাতির সঙ্গে বিশ্বাসঘাতকতা করবেন না। ক্ষমতায় যাওয়ার আগে তারেক রহমান বলেছিলেন, যদি জনগণের পক্ষে কাজ করতে ব্যর্থ হন, তাহলে পরবর্তী নির্বাচনে জনগণ তার জবাব দেবে। এখনো সময় আছে—এসে জনগণকে বলুন যে আপনারা জনগণের রায় মেনে নিচ্ছেন। জনগণ উদার; তারা আপনাকে ক্ষমা করবে।

আরও পড়ুনঃ  ১৭ বছরে পুলিশের সঙ্গে জনগণের দূরত্ব তৈরি হয়েছিল : আইজিপি

জামায়াতে ইসলামীর আমির বলেন জুলাই আন্দোলনে তরুণরা ভয়কে জয় করে বুলেটের সামনে দাঁড়িয়েছিল। বিগত ১৭ বছর আমরা ফ্যাসিস্ট সরকারের বিরুদ্ধে অনেক আন্দোলন করেছি, কিন্তু দেশকে ফ্যাসিবাদমুক্ত করতে পারিনি। শেষ পর্যন্ত তরুণদের রক্ত ও আত্মত্যাগের ফলেই বাংলাদেশ স্বৈরাচারমুক্ত হয়েছে। এখন সেই তরুণদেরই শিশু সংগঠন বা গুপ্ত সংগঠন বলা হচ্ছে। এটি অত্যন্ত দুঃখজনক। সমাবেশে প্রধান অতিথির বক্তব্য দিচ্ছেন জামায়াত আমির ডা. শফিকুর রহমান। ছবি: সংগৃহীতসমাবেশে প্রধান অতিথির বক্তব্য দিচ্ছেন জামায়াত আমির ডা. শফিকুর রহমান। তিনি আরও বলেন, ‘আপনারা নির্বাচনী ইশতেহারে বলেছিলেন, নির্বাচিত প্রতিনিধি ছাড়া কেউ ক্ষমতায় বসতে পারবে না। অথচ নির্বাচন ছাড়াই এখন দেশের ৪৭টি জেলায় প্রশাসক নিয়োগ দেওয়া হয়েছে, সিটি করপোরেশনেও প্রশাসক বসানো হয়েছে। আমরা চেয়েছিলাম একটি গুম কমিশন গঠন করা হোক, যাতে অতীতের অন্যায়গুলোর বিচার হয়। তাতেও আপনারা কর্ণপাত করেননি। তিনি বলেন আমরা ভালো কাজের পক্ষে সবসময় পানির মতো তরল থাকব, কিন্তু অন্যায় দেখলে ইস্পাতের মতো কঠিন হব। আপনারা বলেছিলেন চাঁদাবাজিমুক্ত বাংলাদেশ গড়বেন, অথচ এখন ক্ষমতায় এসে বলছেন, সমঝোতার মাধ্যমে নেওয়া টাকা চাঁদাবাজি নয়। একসময় আপনাদের দলের নাম ছিল জাতীয়তাবাদী দল, এখন মানুষ বলছে সেটি চাঁদাবাজ দল।

আরও পড়ুনঃ  লুটেরা ও চাঁদাবাজদের জন্য জুলাইয়ে রক্ত দেয়নি ছাত্র-জনতা: ডা. শফিকুর রহমান

তিনি অভিযোগ করে বলেন, ‘বিশ্ববিদ্যালয় থেকে শুরু করে রাষ্ট্রের বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ সেক্টরে যোগ্যদের বাদ দিয়ে অযোগ্যদের বসানো হচ্ছে। জাতীয় সংসদে যদি সত্য কথা বলার সুযোগ না দেওয়া হয়, তাহলে আমরা জনগণের মাঝে গিয়ে কথা বলব—যেখানে কোনো স্পিকারের অনুমতি লাগে না। কাউকে ছাড় দিয়ে কথা বলা হবে না। বক্তব্য দিচ্ছেন জামায়াত আমির ডা. শফিকুর রহমান। ছবি: ইত্তেফাক বক্তব্য দিচ্ছেন জামায়াত আমির ডা. শফিকুর রহমান। তিনি বলেন, ‘অনেক সময় আমাদের ভয় দেখানোর চেষ্টা করা হয়। কিন্তু যে সংগঠনের নেতাকর্মীরা ফাঁসির মঞ্চে দাঁড়িয়েও হাসিমুখে জীবন দিতে পারে, তাদের ভয় দেখিয়ে লাভ নেই। আমরা প্রতিবেশী রাষ্ট্রকে সম্মান করি, কিন্তু কেউ যদি আমাদের চোখ রাঙায়, সেটি মেনে নেওয়া হবে না। বাংলাদেশের মানুষের শান্তি নষ্ট করা হলে জনগণও ঐক্যবদ্ধভাবে প্রতিরোধ গড়ে তুলবে।

আরও পড়ুনঃ  আজ থেকে রাত ৮টায় বন্ধ হবে দোকানপাট ও শপিং মল

তিনি বলেন, ‘আজ পদ্মা ও তিস্তা নদীর বিশাল অংশ মরুভূমিতে পরিণত হচ্ছে। আমরা চাই নদীগুলো আবার প্রাণ ফিরে পাক। খাল কাটার কর্মসূচি ভালো উদ্যোগ, তবে নদীতে পানি না থাকলে খাল খননের সুফল পাওয়া যাবে না। আমরা সবসময় ভালো কাজের পক্ষে থাকব, কিন্তু অন্যায় দেখলে প্রতিবাদ করব। আমাদের দাবি বাস্তবায়ন না হওয়া পর্যন্ত আন্দোলন চলবে। গণভোটের রায় বাস্তবায়নে সরকারকে বাধ্য করা হবে। যারা চাঁদাবাজি করতে আসবে, জনগণ তাদের উপযুক্ত জবাব দেবে। আমরা জীবন দিতে প্রস্তুত, কিন্তু দেশের সম্মান কখনো বিসর্জন দেব না। বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর রাজশাহী মহানগরীর সেক্রেটারি ইমাজ উদ্দিন মন্ডল ও রাজশাহী জেলা জামায়াতের সেক্রেটারি গোলাম মুর্তুজার যৌথ সঞ্চালনায় সমাবেশে সভাপতিত্ব করেন বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর কেন্দ্রীয় সহকারী সেক্রেটারি ও রাজশাহী অঞ্চলের পরিচালক মাওলানা রফিকুল ইসলাম খান এমপি।

Tag :
জনপ্রিয় পোস্ট

জামালপুরের বকশিগঞ্জে ২১৭ বোতল ভারতীয় মদ সহ ছাত্রদল নেতা গ্রেপ্তার

বিগত স্বৈরাচারের পথেই আপনারা হাঁটছেন: ডা. শফিকুর রহমান

আপডেটের সময়: ১১:১০:৪২ অপরাহ্ন, শনিবার, ১৬ মে ২০২৬

নিজস্ব প্রতিবেদকঃ বিরোধীদলীয় নেতা ও বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর আমির ডা. শফিকুর রহমান (এমপি) বলেছেন, ‘আজ যাদের ত্যাগ ও আত্মদানের ফলে দেশে একটি জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও গণভোট অনুষ্ঠিত হয়েছে, তাদের প্রতি কৃতজ্ঞ থাকা উচিত। স্বপ্নবাজ তরুণদের কোরবানির ফলে অনেকে কারামুক্ত হয়েছেন, কেউ প্রধানমন্ত্রী হয়েছেন, কেউ মন্ত্রী হয়েছেন। কিন্তু আপনারা কৃতজ্ঞ না থেকে বিগত স্বৈরাচার যে পথে হেঁটেছিল, আপনারাও সেই পথেই হাঁটছেন। আজ শনিবার (১৬ মে) বিকেলে রাজশাহীর ঐতিহাসিক মাদ্রাসা মাঠে গণভোটের রায় বাস্তবায়ন, জনদুর্ভোগ লাঘব এবং পদ্মা নদীর পানির ন্যায্য হিস্যার দাবিতে ১১ দলীয় ঐক্যজোট আয়োজিত সমাবেশে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন। গণভোটের রায় বাস্তবায়ন, জনদুর্ভোগ লাঘব ও পদ্মার পানির ন্যায্য হিস্যার দাবিতে শনিবার বিকেলে সমাবেশের আয়োজন করে ১১ দলীয় ঐক্যজোট (রাজশাহী বিভাগ)। ছবি: ইত্তেফাক গণভোটের রায় বাস্তবায়ন, জনদুর্ভোগ লাঘব ও পদ্মার পানির ন্যায্য হিস্যার দাবিতে শনিবার বিকেলে সমাবেশের আয়োজন করে ১১ দলীয় ঐক্যজোট (রাজশাহী বিভাগ)। ডা. শফিকুর রহমান বলেন, ‘আমরা স্পষ্টভাবে বলতে চাই, জনগণের ৭০ শতাংশ রায়কে সম্মান করুন। জাতির সঙ্গে বিশ্বাসঘাতকতা করবেন না। ক্ষমতায় যাওয়ার আগে তারেক রহমান বলেছিলেন, যদি জনগণের পক্ষে কাজ করতে ব্যর্থ হন, তাহলে পরবর্তী নির্বাচনে জনগণ তার জবাব দেবে। এখনো সময় আছে—এসে জনগণকে বলুন যে আপনারা জনগণের রায় মেনে নিচ্ছেন। জনগণ উদার; তারা আপনাকে ক্ষমা করবে।

আরও পড়ুনঃ  রাজশাহীতে আখচাষিদের প্রণোদনার অর্থ বিতরণ কর্মসূচির উদ্বোধন করলেন প্রধানমন্ত্রী

জামায়াতে ইসলামীর আমির বলেন জুলাই আন্দোলনে তরুণরা ভয়কে জয় করে বুলেটের সামনে দাঁড়িয়েছিল। বিগত ১৭ বছর আমরা ফ্যাসিস্ট সরকারের বিরুদ্ধে অনেক আন্দোলন করেছি, কিন্তু দেশকে ফ্যাসিবাদমুক্ত করতে পারিনি। শেষ পর্যন্ত তরুণদের রক্ত ও আত্মত্যাগের ফলেই বাংলাদেশ স্বৈরাচারমুক্ত হয়েছে। এখন সেই তরুণদেরই শিশু সংগঠন বা গুপ্ত সংগঠন বলা হচ্ছে। এটি অত্যন্ত দুঃখজনক। সমাবেশে প্রধান অতিথির বক্তব্য দিচ্ছেন জামায়াত আমির ডা. শফিকুর রহমান। ছবি: সংগৃহীতসমাবেশে প্রধান অতিথির বক্তব্য দিচ্ছেন জামায়াত আমির ডা. শফিকুর রহমান। তিনি আরও বলেন, ‘আপনারা নির্বাচনী ইশতেহারে বলেছিলেন, নির্বাচিত প্রতিনিধি ছাড়া কেউ ক্ষমতায় বসতে পারবে না। অথচ নির্বাচন ছাড়াই এখন দেশের ৪৭টি জেলায় প্রশাসক নিয়োগ দেওয়া হয়েছে, সিটি করপোরেশনেও প্রশাসক বসানো হয়েছে। আমরা চেয়েছিলাম একটি গুম কমিশন গঠন করা হোক, যাতে অতীতের অন্যায়গুলোর বিচার হয়। তাতেও আপনারা কর্ণপাত করেননি। তিনি বলেন আমরা ভালো কাজের পক্ষে সবসময় পানির মতো তরল থাকব, কিন্তু অন্যায় দেখলে ইস্পাতের মতো কঠিন হব। আপনারা বলেছিলেন চাঁদাবাজিমুক্ত বাংলাদেশ গড়বেন, অথচ এখন ক্ষমতায় এসে বলছেন, সমঝোতার মাধ্যমে নেওয়া টাকা চাঁদাবাজি নয়। একসময় আপনাদের দলের নাম ছিল জাতীয়তাবাদী দল, এখন মানুষ বলছে সেটি চাঁদাবাজ দল।

আরও পড়ুনঃ  এনসিপি পুনর্গঠন, নতুন দায়িত্বে হাসনাত-সারজিস-আসিফ-পাটওয়ারী

তিনি অভিযোগ করে বলেন, ‘বিশ্ববিদ্যালয় থেকে শুরু করে রাষ্ট্রের বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ সেক্টরে যোগ্যদের বাদ দিয়ে অযোগ্যদের বসানো হচ্ছে। জাতীয় সংসদে যদি সত্য কথা বলার সুযোগ না দেওয়া হয়, তাহলে আমরা জনগণের মাঝে গিয়ে কথা বলব—যেখানে কোনো স্পিকারের অনুমতি লাগে না। কাউকে ছাড় দিয়ে কথা বলা হবে না। বক্তব্য দিচ্ছেন জামায়াত আমির ডা. শফিকুর রহমান। ছবি: ইত্তেফাক বক্তব্য দিচ্ছেন জামায়াত আমির ডা. শফিকুর রহমান। তিনি বলেন, ‘অনেক সময় আমাদের ভয় দেখানোর চেষ্টা করা হয়। কিন্তু যে সংগঠনের নেতাকর্মীরা ফাঁসির মঞ্চে দাঁড়িয়েও হাসিমুখে জীবন দিতে পারে, তাদের ভয় দেখিয়ে লাভ নেই। আমরা প্রতিবেশী রাষ্ট্রকে সম্মান করি, কিন্তু কেউ যদি আমাদের চোখ রাঙায়, সেটি মেনে নেওয়া হবে না। বাংলাদেশের মানুষের শান্তি নষ্ট করা হলে জনগণও ঐক্যবদ্ধভাবে প্রতিরোধ গড়ে তুলবে।

আরও পড়ুনঃ  ১৭ বছরে পুলিশের সঙ্গে জনগণের দূরত্ব তৈরি হয়েছিল : আইজিপি

তিনি বলেন, ‘আজ পদ্মা ও তিস্তা নদীর বিশাল অংশ মরুভূমিতে পরিণত হচ্ছে। আমরা চাই নদীগুলো আবার প্রাণ ফিরে পাক। খাল কাটার কর্মসূচি ভালো উদ্যোগ, তবে নদীতে পানি না থাকলে খাল খননের সুফল পাওয়া যাবে না। আমরা সবসময় ভালো কাজের পক্ষে থাকব, কিন্তু অন্যায় দেখলে প্রতিবাদ করব। আমাদের দাবি বাস্তবায়ন না হওয়া পর্যন্ত আন্দোলন চলবে। গণভোটের রায় বাস্তবায়নে সরকারকে বাধ্য করা হবে। যারা চাঁদাবাজি করতে আসবে, জনগণ তাদের উপযুক্ত জবাব দেবে। আমরা জীবন দিতে প্রস্তুত, কিন্তু দেশের সম্মান কখনো বিসর্জন দেব না। বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর রাজশাহী মহানগরীর সেক্রেটারি ইমাজ উদ্দিন মন্ডল ও রাজশাহী জেলা জামায়াতের সেক্রেটারি গোলাম মুর্তুজার যৌথ সঞ্চালনায় সমাবেশে সভাপতিত্ব করেন বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর কেন্দ্রীয় সহকারী সেক্রেটারি ও রাজশাহী অঞ্চলের পরিচালক মাওলানা রফিকুল ইসলাম খান এমপি।