
স্টাফ রিপোর্টার আব্দুর রহমান মোল্লা: মা ইলিশ রক্ষায় সরকারি নিষেধাজ্ঞা বহাল থাকলেও মুন্সীগঞ্জের শ্রীনগর উপজেলার বাঘড়া এলাকার পদ্মার চরে দেখা গেছে ভিন্ন দৃশ্যপট। সরকারি সময়সীমার তোয়াক্কা না করেই ভোর থেকেই নদীর তীরে পদ্মার তাজা ইলিশ বেচাকেনায় সরগরম হয়ে উঠেছে এই চরাঞ্চল।
আজ সোমবার (১২ অক্টোবর) ভোরে বাঘড়ার পদ্মা নদীর তীরবর্তী চরে সরজমিন গিয়ে দেখা যায়, ভোরের আলো ফোটার সাথে সাথেই একের পর এক ইলিশবাহী নৌকা ও ছোট ট্রলার ঘাটে এসে ভিড়তে শুরু করে। মুহূর্তের মধ্যেই চরের তীরের নিরিবিলি পরিবেশ ক্রেতা-বিক্রেতার দরদাম ও হাঁকডাকে মুখরিত হয়ে ওঠে। পাইকারি ও খুচরা—উভয় ধরনের ক্রেতাদের আনাগোনায় পদ্মার পাড়ে বেশ জমজমাট এক আবহ তৈরি হয়।
স্থানীয় সূত্র থেকে জানা গেছে, প্রজনন মৌসুমে মাছ ধরায় নিষেধাজ্ঞা থাকলেও অর্থনৈতিক বাধ্যবাধকতা এবং বেশি লাভের আশায় একশ্রেণীর জেলে ও ব্যবসায়ী সমন্বয় করে এই বেচাকেনা চালিয়ে যাচ্ছেন। তাদের এই অনিয়মিত উদ্যোগ ও পারস্পরিক যোগাযোগের ওপর ভিত্তি করেই চরজুড়ে ভোরবেলায় স্বল্পসময়ের জন্য এই সাময়িক হাট বসে।
প্রজনন মৌসুমে ইলিশ সংরক্ষণ নিশ্চিত করতে সরকার যে উদ্যোগ নিয়েছে, নদী উপকূলীয় এসব এলাকায় তা সঠিকভাবে বাস্তবায়ন না হলে প্রাকৃতিক মৎস্য সম্পদ রক্ষায় চ্যালেঞ্জ সৃষ্টি হতে পারে বলে মনে করছেন সচেতন মহল। স্থানীয় সাধারণ মানুষের অভিমত, কার্যকর সচেতনতা বৃদ্ধি এবং প্রজনন মৌসুমে উপকূলীয় এলাকার জেলেদের সামাজিক সুরক্ষা নিশ্চিত করার পাশাপাশি তদারকি ব্যবস্থা আরও জোরদার করা প্রয়োজন।
এ বিষয়ে স্থানীয় প্রশাসন ও সংশ্লিষ্ট দায়িত্বপ্রাপ্ত কর্মকর্তাদের নিয়মিত তদারকি ও কার্যকর উদ্যোগ গ্রহণের দাবি জানিয়েছেন স্থানীয় বাসিন্দারা।
প্রতিবেদকের নাম 


















