Dhaka ০৬:১৪ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২১ জুলাই ২০২৬, ৬ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনামঃ
ইপিজেডের নিউ মুরিং মীরা পাড়ায় জুয়ার আসর থেকে ১১ জনকে আটক করেছে পুলিশ তারাগঞ্জে ইউএনও ও প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তার সাথেদৈনিক আজকের জনবাণী’র স্টাফ রিপোর্টারের সৌজন্য সাক্ষাৎ মাদারগঞ্জে উপজেলা আইন-শৃঙ্খলা কমিটির মাসিক সভা অনুষ্ঠিত কাজিপুরের যমুনা নদীতে বিপদসীমার উপরে পানি হওয়ায় দিশেহারা জনগণ খেলতে গিয়ে পুকুরে ডুবে তিন শিশুর মৃত্যু, কাহালুতে হৃদয়বিদারক ঘটনা ফরিদপুরে নাঈম হত্যা মামলায় দুই আসামির যাবজ্জীবন কারাদণ্ড হোসেনপুরে আইন-শৃঙ্খলা কমিটির মাসিক সভা অনুষ্ঠিত করতোয়ার করাল গ্রাসে কুলানন্দনপুর আশ্রয়ণ প্রকল্প, আতঙ্কে শতাধিক পরিবার কাউনিয়ায় কেওয়াইএসডিও-এর প্রধান কার্যালয় স্বাস্থ্য বিভাগের পরিদর্শন ​নাগেশ্বরীতে নতুন উপজেলা যুব উন্নয়ন কর্মকর্তা হিসেবে গোলাম মোর্শেদের যোগদান

ধুনটে যমুনার ভাঙনে নিঃস্ব কৃষক, নদীগর্ভে যাচ্ছে শত শত বিঘা ফসলি জমি

এস কে সাগর মির্জা, জেলা প্রতিনিধি বগুড়া:

বগুড়ার ধুনটে ভান্ডারবাড়ি ইউনিয়নে বর্ষা শুরু হওয়ার পর এক মাসেই যমুনা নদীর ডান তীরে প্রবল ভাঙনে একটি কৃষক পরিবারের বসতভিটা ও প্রায় ৫০০ বিঘা আবাদি জমি বিলীন হয়ে গেছে। যমুনা নদীর পানি বাড়ার সঙ্গে পাল্লা দিয়ে ভাঙছে ফসলি জমি ও বসতভিটা। ভাঙন ধেঁয়ে আসছে বন্যা নিয়ন্ত্রণ বাঁধের দিকে। ফলে আশ্রয় হারানোর শঙ্কায় দিন কাটছে যমুনা পাড়ের হাজারও মানুষের।

আরও পড়ুনঃ  কাউনিয়ায় কেওয়াইএসডিও-এর প্রধান কার্যালয় স্বাস্থ্য বিভাগের পরিদর্শন

পানি উন্নয়ন বোর্ড সূত্রে জানা যায়, উজান থেকে নেমে আসা পাহাড়ি ঢলে যমুনা নদীর পানি হু-হু করে বাড়ছে। শনিবার সকাল ৯টা পর্যন্ত যমুনা নদীর পানি ১৫ দশমিক ৫৭ মিটার সমতায় প্রবাহিত হয়েছে। পানি বৃদ্ধি অব্যাহত রয়েছে। গত ২৪ ঘন্টায় ৯ সেন্টিমিটার পানি বৃদ্ধি পেয়ে বিপদসীমার ৬৮ সেন্টিমিটার নিচ দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে।

ভাঙনকবলিত এলাকা ঘুরে দেখা গেছে, যমুনায় পানি বৃদ্ধির প্রবল স্রোতের সঙ্গে পাল্লা দিয়ে ঢেউ আছড়ে পড়ছে তীরে। এতে তীরের মাটি ও বালুর স্তুুপ ধসে পড়ছে নদীতে। বিলীন হচ্ছে তীরবর্তী ফসলি জমি ও শত শত বছরের লোকালয়। ভাঙনের ভয়াবহ চিত্র সবচেয়ে বেশি শহড়াবাড়ি ও বানিয়াজান গ্রামের মাঝামাঝি প্রায় ২০০ মিটার এলাকায়। যমুনার প্রবল ভাঙনে এখানকার শত শত বিঘা আবাদি জমি নদীগর্ভে বিলীন হচ্ছে। দুপুরের দিকে শহড়াবাড়ি এলাকায় নদীতীরে বসে কূল ভাঙার দৃশ্য অপলক দৃষ্টিতে দেখছিলেন কৃষক জুয়েল সেখ। তার মুখে শোনা যায় পৈতৃক একখন্ড জমিতে প্রায় শত বছরের বসতবাড়ি নদীতে বিলীন হওয়ার কথা। প্রান্তিক এই কৃষক বলেন, কয়েক দিনে নদীগর্ভে বিলীন হয়েছে তার কয়েক বিঘা আবাদি জমি। যমুনার ভয়াবহ ভাঙনে শহড়াবাড়ি গ্রামটি মানচিত্র থেকে হারিয়ে যেতে বসেছে।

আরও পড়ুনঃ  চট্টগ্রামে নিরাপদ পানির সংকটে ৮ লাখ মানুষ

বগুড়া পানি উন্নয়ন বোর্ডের (পাউবো) উপ-সহকারী প্রকৌশলী আব্দুল মালেক বলেন, উজানের পাহাড়ি ঢলের পানি বৃদ্ধির সঙ্গে প্রচন্ড চাপে যমুনা নদীর তীরবর্তী অংশের কিছু ক্ষতি হয়েছে। তবে জিওব্যাগ ও টিউব ডাম্পিং করে ভাঙন ঠোকানোর চেষ্টা চলছে।

আরও পড়ুনঃ  বরিশালে জুলাই সনদ বাস্তবায়ন না করলে গণঅভ্যুত্থান পর্যন্ত যেতে বাধ্য হবো: নাহিদ ইসলাম
Tag :
জনপ্রিয় পোস্ট

ইপিজেডের নিউ মুরিং মীরা পাড়ায় জুয়ার আসর থেকে ১১ জনকে আটক করেছে পুলিশ

ধুনটে যমুনার ভাঙনে নিঃস্ব কৃষক, নদীগর্ভে যাচ্ছে শত শত বিঘা ফসলি জমি

আপডেটের সময়: ০৬:৪৪:৩৭ অপরাহ্ন, শনিবার, ১৮ জুলাই ২০২৬

এস কে সাগর মির্জা, জেলা প্রতিনিধি বগুড়া:

বগুড়ার ধুনটে ভান্ডারবাড়ি ইউনিয়নে বর্ষা শুরু হওয়ার পর এক মাসেই যমুনা নদীর ডান তীরে প্রবল ভাঙনে একটি কৃষক পরিবারের বসতভিটা ও প্রায় ৫০০ বিঘা আবাদি জমি বিলীন হয়ে গেছে। যমুনা নদীর পানি বাড়ার সঙ্গে পাল্লা দিয়ে ভাঙছে ফসলি জমি ও বসতভিটা। ভাঙন ধেঁয়ে আসছে বন্যা নিয়ন্ত্রণ বাঁধের দিকে। ফলে আশ্রয় হারানোর শঙ্কায় দিন কাটছে যমুনা পাড়ের হাজারও মানুষের।

আরও পড়ুনঃ  কাউনিয়ায় কেওয়াইএসডিও-এর প্রধান কার্যালয় স্বাস্থ্য বিভাগের পরিদর্শন

পানি উন্নয়ন বোর্ড সূত্রে জানা যায়, উজান থেকে নেমে আসা পাহাড়ি ঢলে যমুনা নদীর পানি হু-হু করে বাড়ছে। শনিবার সকাল ৯টা পর্যন্ত যমুনা নদীর পানি ১৫ দশমিক ৫৭ মিটার সমতায় প্রবাহিত হয়েছে। পানি বৃদ্ধি অব্যাহত রয়েছে। গত ২৪ ঘন্টায় ৯ সেন্টিমিটার পানি বৃদ্ধি পেয়ে বিপদসীমার ৬৮ সেন্টিমিটার নিচ দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে।

ভাঙনকবলিত এলাকা ঘুরে দেখা গেছে, যমুনায় পানি বৃদ্ধির প্রবল স্রোতের সঙ্গে পাল্লা দিয়ে ঢেউ আছড়ে পড়ছে তীরে। এতে তীরের মাটি ও বালুর স্তুুপ ধসে পড়ছে নদীতে। বিলীন হচ্ছে তীরবর্তী ফসলি জমি ও শত শত বছরের লোকালয়। ভাঙনের ভয়াবহ চিত্র সবচেয়ে বেশি শহড়াবাড়ি ও বানিয়াজান গ্রামের মাঝামাঝি প্রায় ২০০ মিটার এলাকায়। যমুনার প্রবল ভাঙনে এখানকার শত শত বিঘা আবাদি জমি নদীগর্ভে বিলীন হচ্ছে। দুপুরের দিকে শহড়াবাড়ি এলাকায় নদীতীরে বসে কূল ভাঙার দৃশ্য অপলক দৃষ্টিতে দেখছিলেন কৃষক জুয়েল সেখ। তার মুখে শোনা যায় পৈতৃক একখন্ড জমিতে প্রায় শত বছরের বসতবাড়ি নদীতে বিলীন হওয়ার কথা। প্রান্তিক এই কৃষক বলেন, কয়েক দিনে নদীগর্ভে বিলীন হয়েছে তার কয়েক বিঘা আবাদি জমি। যমুনার ভয়াবহ ভাঙনে শহড়াবাড়ি গ্রামটি মানচিত্র থেকে হারিয়ে যেতে বসেছে।

আরও পড়ুনঃ  ভাঙ্গুড়ায় মোবাইল কোর্টে ৬৫টি নিষিদ্ধ চায়না দুয়ারী জাল জব্দ ও ধ্বংস

বগুড়া পানি উন্নয়ন বোর্ডের (পাউবো) উপ-সহকারী প্রকৌশলী আব্দুল মালেক বলেন, উজানের পাহাড়ি ঢলের পানি বৃদ্ধির সঙ্গে প্রচন্ড চাপে যমুনা নদীর তীরবর্তী অংশের কিছু ক্ষতি হয়েছে। তবে জিওব্যাগ ও টিউব ডাম্পিং করে ভাঙন ঠোকানোর চেষ্টা চলছে।

আরও পড়ুনঃ  বরিশালে জুলাই সনদ বাস্তবায়ন না করলে গণঅভ্যুত্থান পর্যন্ত যেতে বাধ্য হবো: নাহিদ ইসলাম