
নিজস্ব প্রতিবেদকঃ সদরঘাটে লঞ্চ থেকে নামছেন যাত্রীরা কারও হাতে ব্যাগ, কারও সঙ্গে পরিবারের সদস্য। লঞ্চ থেকে নেমে গন্তব্যে যাওয়ার তাড়া থাকলেও সবার মুখে ছিল বাড়তি ভাড়ার আলাপ। আজ শুক্রবার (২৫ সেপ্টেম্বর) সদরঘাট লঞ্চ টার্মিনাল ঘুরে যাত্রীদের সঙ্গে কথা বলেছেন এই প্রতিবেদক। তারা ভাড়া বেড়ে যাওয়ায় চাপের কথা জানিয়েছেন। জ্বালানি তেলের দাম বৃদ্ধির পর গত বুধবার বিভিন্ন নৌপথে ভাড়া বাড়ানো হয়েছে। চাঁদপুর-ঢাকা রুটে ডেকের ভাড়া ২০০ টাকা থেকে বাড়িয়ে ২২০ টাকা করা হয়েছে। চাঁদপুর থেকে আসা যাত্রী জয়নাল উদ্দিন বলেন, লঞ্চের ভাড়া এমনিতেই বেশি। এর মধ্যে আবার ভাড়া বাড়ানো হয়েছে। এতে আমাদের মতো সাধারণ যাত্রীদের ভোগান্তি আরো বেড়েছে। আমরা এই বাড়তি ভাড়া প্রত্যাহার করে আগের ভাড়া বহাল রাখার দাবি জানাই।
বরিশাল-ঢাকা নৌপথে ভাড়ার চাপ আরো বেশি। জ্বালানি তেলের দাম বাড়ার পর ডেকের ভাড়া ৩০০ টাকা থেকে বাড়িয়ে ৩৫০ টাকা করা হয়েছে। সিঙ্গেল কেবিন ১ হাজার থেকে বেড়ে ১ হাজার ২০০ টাকা এবং ডাবল কেবিন ২ হাজার থেকে ২ হাজার ৪০০ টাকা হয়েছে। বরিশাল থেকে ঢাকায় আসা যাত্রী মোনায়েম হোসেন বলেন, আমরা অনেক কষ্ট করে আয় করি। আমাদের কাছে ৫০ টাকা ভাড়া বাড়ানোও অনেক বড় বিষয়। এই বাড়তি টাকা মানে এক বেলার খাবারের খরচ। কিন্তু প্রয়োজনের কারণে আমাদের যাতায়াত করতেই হচ্ছে। বরিশালের আরেক যাত্রী আরিফ আহমেদ বলেন, তেলের দাম যখন বাড়ে তখন মালিকেরা ভাড়া বাড়ায়, কিন্তু যখন কমে তখন আর কমায় না। এইটা দেশের নিয়মে পরিণত হয়েছে।
বরিশালের যাত্রী আরিফ আহমেদ বলেন, তেলের দাম যখন বাড়ে তখন মালিকেরা ভাড়া বাড়ায়, কিন্তু যখন কমে তখন আর কমায় না। এইটা দেশের নিয়মে পরিণত হয়েছে। লঞ্চ মালিক সমিতির সদস্য দ্বীন মোহাম্মদ বলেন, তেলের দাম বাড়ার কারণে লঞ্চের ভাড়া বাড়ানো হয়েছে। এ ক্ষেত্রে লঞ্চ মালিকদের কিছু করার নেই। অনেক লঞ্চ মালিক ভর্তুকি দিয়ে লঞ্চ পরিচালনা করছেন। নৌপথে এমনিতেই যাত্রী কমে গেছে। তবে নির্ধারিত ভাড়ার বাইরে অতিরিক্ত টাকা আদায়ের সুযোগ নেই বলে জানিয়েছে বিআইডব্লিউটিএ। এ বিষয়ে সংস্থাটির সহকারী পরিচালক হাসান ইকবাল বলেন, সরকার নির্ধারিত ভাড়ার চেয়ে বেশি নেওয়ার সুযোগ নেই। এ বিষয়ে কঠোর নজরদারি করা হচ্ছে।
প্রতিবেদকের নাম 





















