Dhaka ০৪:৪৫ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২০ অক্টোবর ২০২৬, ৫ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনামঃ
সাংবাদিক হত্যা ও হামলার প্রতিবাদে তাহিরপুরে মানববন্ধন, দোষীদের শাস্তির দাবি দেবিদ্বারে মাদকবিরোধী অভিযানে যুবকের ৩০ দিনের কারাদণ্ড ধামরাইয়ে হিফফুজুল কোরআন প্রতিযোগিতা ও পুরস্কার বিতরণী অনুষ্ঠান পলাশবাড়ীতে জুয়ার আসরে অভিযান চালিয়ে গ্রেফতার-৮ পাবনায় নেশার টাকা না দেওয়ায় মাকে জবাই করে হত্যা, ছেলে আটক লালপুরে গ্রাম পুলিশদের সাপ্তাহিক হাজিরা প্যারেড অনুষ্ঠিত দিলীপ চন্দ্র সাহার সভাপতিত্বে কেন্দ্রীয় মন্দিরে দুর্গাপূজা পরিদর্শন কেরানীগঞ্জের শুভাঢ্যায় বিভিন্ন পূজা মণ্ডপে উৎসবে মাতোয়ারা ভক্তরা বাঁশখালীর বরুমছড়ায় অগ্নিকাণ্ড, ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারকে আর্থিক সহায়তা এমপির নাটোরের বনপাড়ায় বাস-ট্রাক সংঘর্ষে নিহতের সংখ্যা বেড়ে ১৪, আহত ৩২

চিকিৎসাধীন জকসু নেতাদের ওপর হামলার অভিযোগ

  • প্রতিবেদকের নাম
  • আপডেটের সময়: ০৫:৪৬:৪৫ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ৪ অগাস্ট ২০২৬
  • ১১৭ সময় দেখুন

নিজস্ব প্রতিবেদকঃ জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ে সংঘর্ষে আহত শিক্ষার্থী ও জকসু নেতাদের চিকিৎসার জন্য রাজধানীর ন্যাশনাল মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নেওয়ার পরও উত্তেজনা থামেনি। হাসপাতালে চিকিৎসা নিতে গিয়ে তাদের ওপর হামলার অভিযোগ উঠেছে। এ ঘটনায় কয়েকজন সাধারণ রোগী, রোগীর স্বজন এবং দায়িত্ব পালনরত সাংবাদিকও আহত হয়েছেন বলে জানা গেছে। আজ মঙ্গলবার (৪ আগস্ট) বিশ্ববিদ্যালয়ের কেন্দ্রীয় মিলনায়তনে ইউজিসি চেয়ারম্যানের উপস্থিতিতে আয়োজিত এক অনুষ্ঠানে বিভিন্ন দাবি তুলে ধরে প্ল্যাকার্ড প্রদর্শনকে কেন্দ্র করে উত্তেজনা সৃষ্টি হয়। জকসু প্রতিনিধিরা দ্বিতীয় ক্যাম্পাসের কাজ দ্রুত সেনাবাহিনীর কাছে হস্তান্তর, কেরানীগঞ্জে অস্থায়ী আবাসন প্রকল্প বাস্তবায়ন এবং মেডিকেল সেন্টারের উন্নয়নের দাবিতে প্ল্যাকার্ড প্রদর্শনের চেষ্টা করলে বাধার অভিযোগ ওঠে। এরপর ছাত্রদল, জকসু, ছাত্রশিবির, ছাত্রশক্তি ও অন্যান্য ছাত্রসংগঠনের নেতাকর্মীদের মধ্যে ধাওয়া-পাল্টাধাওয়া এবং সংঘর্ষ শুরু হয়। এতে বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাসে উত্তেজনাকর পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়। সংঘর্ষে জকসুর ভিপি মো. রিয়াজুল ইসলাম, জিএস আব্দুল আলিম আরিফ, এজিএস মাসুদ রানা, আইনবিষয়ক সম্পাদক ফারুক, ছাত্রশক্তির সভাপতি শাহিন মিয়া এবং সাধারণ সম্পাদক ফেরদৌস শেখসহ কয়েকজন ছাত্রনেতা আহত হন। দায়িত্ব পালন করতে গিয়ে কয়েকজন সাংবাদিকও হামলার শিকার হয়েছেন বলে অভিযোগ রয়েছে।

আরও পড়ুনঃ  প্রশাসনের কড়া নিরাপত্তায় কেরানীগঞ্জে শারদীয় দুর্গোৎসব উদযাপিত: মণ্ডপে মণ্ডপে নিপুন রায় চৌধুরীর কুশল বিনিময়

আহতদের চিকিৎসার জন্য ন্যাশনাল মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নেওয়া হলে সেখানে আবারও উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়ে। প্রত্যক্ষদর্শীদের দাবি, হাসপাতালের ভেতরে চিকিৎসাধীন শিক্ষার্থী ও জকসু নেতাকর্মীদের লক্ষ্য করে হামলা চালানো হয়। হাসপাতালের বাইরে ধাওয়া-পাল্টা ধাওয়ার ঘটনাও ঘটে। এতে কয়েকজন সাধারণ রোগী ও তাদের স্বজন আহত হয়েছেন বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে। সংঘর্ষের কারণে কিছু সময়ের জন্য হাসপাতালের চিকিৎসাসেবাও ব্যাহত হয়। পরে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে হাসপাতাল ও আশপাশের এলাকায় অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন করা হয়। ঘটনার পর জকসু ও বিভিন্ন ছাত্রসংগঠন হামলার নিন্দা জানিয়ে জড়িতদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানিয়েছে। অন্যদিকে ছাত্রদলের পক্ষ থেকেও এ ঘটনায় পাল্টা অভিযোগ আনা হয়েছে বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাস থেকে হাসপাতাল পর্যন্ত সংঘর্ষ ছড়িয়ে পড়ায় জবি এলাকায় উত্তেজনা বিরাজ করছে। শিক্ষার্থীরা ঘটনার নিরপেক্ষ তদন্ত, দায়ীদের শনাক্ত করে শাস্তি এবং ক্যাম্পাসে স্বাভাবিক পরিবেশ ফিরিয়ে আনার দাবি জানিয়েছেন।

আরও পড়ুনঃ  কেরানীগঞ্জে বেড়েই চলেছে অগ্নিদুর্ঘটনা: মুহুরী পট্টি রোডে একটুর জন্য রক্ষা, এলাকাবাসীর উদ্যোগে মিলল নিস্তার
Tag :
জনপ্রিয় পোস্ট

সাংবাদিক হত্যা ও হামলার প্রতিবাদে তাহিরপুরে মানববন্ধন, দোষীদের শাস্তির দাবি

চিকিৎসাধীন জকসু নেতাদের ওপর হামলার অভিযোগ

আপডেটের সময়: ০৫:৪৬:৪৫ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ৪ অগাস্ট ২০২৬

নিজস্ব প্রতিবেদকঃ জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ে সংঘর্ষে আহত শিক্ষার্থী ও জকসু নেতাদের চিকিৎসার জন্য রাজধানীর ন্যাশনাল মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নেওয়ার পরও উত্তেজনা থামেনি। হাসপাতালে চিকিৎসা নিতে গিয়ে তাদের ওপর হামলার অভিযোগ উঠেছে। এ ঘটনায় কয়েকজন সাধারণ রোগী, রোগীর স্বজন এবং দায়িত্ব পালনরত সাংবাদিকও আহত হয়েছেন বলে জানা গেছে। আজ মঙ্গলবার (৪ আগস্ট) বিশ্ববিদ্যালয়ের কেন্দ্রীয় মিলনায়তনে ইউজিসি চেয়ারম্যানের উপস্থিতিতে আয়োজিত এক অনুষ্ঠানে বিভিন্ন দাবি তুলে ধরে প্ল্যাকার্ড প্রদর্শনকে কেন্দ্র করে উত্তেজনা সৃষ্টি হয়। জকসু প্রতিনিধিরা দ্বিতীয় ক্যাম্পাসের কাজ দ্রুত সেনাবাহিনীর কাছে হস্তান্তর, কেরানীগঞ্জে অস্থায়ী আবাসন প্রকল্প বাস্তবায়ন এবং মেডিকেল সেন্টারের উন্নয়নের দাবিতে প্ল্যাকার্ড প্রদর্শনের চেষ্টা করলে বাধার অভিযোগ ওঠে। এরপর ছাত্রদল, জকসু, ছাত্রশিবির, ছাত্রশক্তি ও অন্যান্য ছাত্রসংগঠনের নেতাকর্মীদের মধ্যে ধাওয়া-পাল্টাধাওয়া এবং সংঘর্ষ শুরু হয়। এতে বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাসে উত্তেজনাকর পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়। সংঘর্ষে জকসুর ভিপি মো. রিয়াজুল ইসলাম, জিএস আব্দুল আলিম আরিফ, এজিএস মাসুদ রানা, আইনবিষয়ক সম্পাদক ফারুক, ছাত্রশক্তির সভাপতি শাহিন মিয়া এবং সাধারণ সম্পাদক ফেরদৌস শেখসহ কয়েকজন ছাত্রনেতা আহত হন। দায়িত্ব পালন করতে গিয়ে কয়েকজন সাংবাদিকও হামলার শিকার হয়েছেন বলে অভিযোগ রয়েছে।

আরও পড়ুনঃ  রামপুরায় বকেয়া বেতনের দাবিতে শিশুসহ শ্রমিকদের মানববন্ধন

আহতদের চিকিৎসার জন্য ন্যাশনাল মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নেওয়া হলে সেখানে আবারও উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়ে। প্রত্যক্ষদর্শীদের দাবি, হাসপাতালের ভেতরে চিকিৎসাধীন শিক্ষার্থী ও জকসু নেতাকর্মীদের লক্ষ্য করে হামলা চালানো হয়। হাসপাতালের বাইরে ধাওয়া-পাল্টা ধাওয়ার ঘটনাও ঘটে। এতে কয়েকজন সাধারণ রোগী ও তাদের স্বজন আহত হয়েছেন বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে। সংঘর্ষের কারণে কিছু সময়ের জন্য হাসপাতালের চিকিৎসাসেবাও ব্যাহত হয়। পরে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে হাসপাতাল ও আশপাশের এলাকায় অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন করা হয়। ঘটনার পর জকসু ও বিভিন্ন ছাত্রসংগঠন হামলার নিন্দা জানিয়ে জড়িতদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানিয়েছে। অন্যদিকে ছাত্রদলের পক্ষ থেকেও এ ঘটনায় পাল্টা অভিযোগ আনা হয়েছে বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাস থেকে হাসপাতাল পর্যন্ত সংঘর্ষ ছড়িয়ে পড়ায় জবি এলাকায় উত্তেজনা বিরাজ করছে। শিক্ষার্থীরা ঘটনার নিরপেক্ষ তদন্ত, দায়ীদের শনাক্ত করে শাস্তি এবং ক্যাম্পাসে স্বাভাবিক পরিবেশ ফিরিয়ে আনার দাবি জানিয়েছেন।

আরও পড়ুনঃ  ঢাকার ফুট পথ চলাচলের যোগ্যের সাহসী পদক্ষেপ