
এম, আজাদ খান, স্টাফ রিপোর্টার, বগুড়া
দেশব্যাপী ডেঙ্গু প্রতিরোধ ও পরিচ্ছন্নতা অভিযান-২০২৬-এর অংশ হিসেবে বগুড়ায় শুরু হয়েছে তিন মাসব্যাপী বিশেষ পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতা ও জনসচেতনতামূলক কর্মসূচি। শনিবার (১২ সেপ্টেম্বর) বগুড়া সিটি করপোরেশনের চারমাথা এলাকায় এ কর্মসূচির আওতায় পরিচ্ছন্নতা অভিযান পরিচালনা করা হয়। এর আগে সকাল ৯ টায় জাতীয় সংসদ ভবনের দক্ষিণ প্লাজা থেকে দেশব্যাপী তিন মাসব্যাপী ডেঙ্গু প্রতিরোধ ও পরিচ্ছন্নতা অভিযান-২০২৬ এর আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। দেশের সব জেলা, উপজেলা, পৌরসভা ও সিটি করপোরেশন এলাকায় একই সময়ে এ কর্মসূচি শুরু হয়।
বগুড়ায় আয়োজিত পরিচ্ছন্নতা অভিযানে নেতৃত্ব দেন সংশ্লিষ্ট প্রশাসন ও সিটি করপোরেশনের কর্মকর্তারা। এ সময় চারমাথা এলাকার সড়ক, আশপাশের স্থান ও সম্ভাব্য মশার প্রজননস্থল পরিষ্কার করা হয়। জমে থাকা পানি, ময়লা-আবর্জনা ও এডিস মশার লার্ভা জন্মাতে পারে এমন স্থান চিহ্নিত করে তা পরিষ্কারের উদ্যোগ নেওয়া হয়।
কর্মসূচিতে উপস্থিত ছিলেন বগুড়া সদর আসনের সংসদ সদস্য রেজাউল করিম বাদশা, বগুড়া সিটি করপোরেশনের প্রশাসক এম আর ইসলাম স্বাধীন, জেলা প্রশাসক তৌফিকুর রহমান, পুলিশ সুপার মির্জা সাহেব মাহমুদসহ বিভিন্ন সরকারি দপ্তরের কর্মকর্তা কর্মচারী।
সংশ্লিষ্টরা জানান, ডেঙ্গু নিয়ন্ত্রণে শুধু মশক নিধন কার্যক্রমের ওপর নির্ভর না করে পরিচ্ছন্নতা ও জনসচেতনতা বাড়ানোর ওপর গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে। বিশেষ করে বাড়ি, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান, অফিস, নির্মাণাধীন ভবন, ড্রেন, নালা ও অন্যান্য স্থানে যাতে পানি জমে না থাকে, সেদিকে নজর দেওয়া হচ্ছে।
আগামী তিন মাসকে ডেঙ্গু প্রতিরোধের জন্য বিশেষভাবে গুরুত্বপূর্ণ সময় হিসেবে বিবেচনা করে দেশজুড়ে এ কর্মসূচি বাস্তবায়ন করা হচ্ছে। এ সময় সরকারি প্রতিষ্ঠানের পাশাপাশি বিভিন্ন স্বেচ্ছাসেবী সংগঠন, শিক্ষার্থী ও সাধারণ নাগরিকদেরও পরিচ্ছন্নতা কার্যক্রমে সম্পৃক্ত করার পরিকল্পনা রয়েছে।
ডেঙ্গু প্রতিরোধে নগরবাসীর প্রতি নিজ নিজ বাসাবাড়ি ও আশপাশের পরিবেশ পরিষ্কার রাখার পাশাপাশি যেকোনো পাত্র, ড্রেন, টব, পরিত্যক্ত সামগ্রী বা স্থানে পানি জমতে না দেওয়ার আহ্বান জানানো হয়েছে। জনসম্পৃক্ততা বাড়ানো গেলে এডিস মশার প্রজননস্থল কমিয়ে ডেঙ্গুর বিস্তার নিয়ন্ত্রণ করা সম্ভব হবে বলে সংশ্লিষ্টরা আশা করছেন।
প্রতিবেদকের নাম 



















