Dhaka ০১:৫০ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ০৩ অগাস্ট ২০২৬, ১৮ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনামঃ
চুনকুটিয়ায় কারখানার জেনারেটরে আগুন, স্থানীয়দের তৎপরতায় নিয়ন্ত্রণে কাউনিয়ায় জুলাই গণঅভ্যুত্থান দিবস উপলক্ষে সমাবেশ ও শ্রমিক মিছিল জুলাই শহীদদের স্মরণে মোকামতলায় ফুটবল উৎসব, মাঠজুড়ে জনতার ঢল তারাগঞ্জে মহাসড়কের পাশে নারীর মরদেহ উদ্ধার অপমৃত্যুর মামলা ধামইরহাটে মাঠে কাজ করতে গিয়ে বজ্রপাতে এক কৃষকের মৃত্যু কুড়িগ্রামের নাগেশ্বরী উপজেলায় খাদ্যে ভেজাল প্রতিরোধ ও স্বাস্থ্যসম্মত পরিবেশ নিশ্চিত করতে পৃথক অভিযানে পবায় জেন্ডার, গণতন্ত্র ও জলবায়ু বিষয়ে সচেতনতামূলক গম্ভীরার মধ্য দিয়ে সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত শার্শায় ৬৫ পুরিয়া গাঁজাসহ নারী মাদক কারবারি গ্রেফতার আ. লীগের দেখানো পথেই হাঁটছে বর্তমান সরকার: ডা. শফিকুর রহমান জুলাইয়ের ভিত্তি রচিত হয়েছে ১৬ বছরের আন্দোলনে: পানিসম্পদমন্ত্রী

চট্টগ্রামে এস আলম গ্রুপের সব কারখানা বন্ধ ঘোষণা

মোঃ সৈয়দ মিয়া : চট্টগ্রাম ব্যুরো: কাঁচামালের সংকট, এলসি (লেটার অব ক্রেডিট) জটিলতা ও আর্থিক সংকটের কারণে চট্টগ্রামের কর্ণফুলীতে এস আলম গ্রুপের সবকটি কারখানা বন্ধের ঘোষণা দিয়েছে কর্তৃপক্ষ। গতকাল বৃহস্পতিবার এসব কারখানার শ্রমিকদের ছাঁটাই করা হয় এবং আজ শুক্রবার (৩১ জুলাই) থেকে কারখানাগুলো বন্ধ করে দেওয়া হয়। সারা দেশে এস আলমের অন্যান্য কারখানাতেও শ্রমিক ছাঁটাই করা হয়েছে বলে জানা গেছে কর্ণফুলীতে বন্ধ হওয়া কারখানাগুলোর মধ্যে অন্যতম হলো চিনি প্রক্রিয়াজাত কারখানা এস আলম রিফাইন্ড সুগার ইন্ডাস্ট্রিজ, ইস্পাতের পাত প্রক্রিয়াজাত কারখানা এস আলম কোল্ড রোল্ড স্টিলস ও ইনফিনিটি সি আর স্ট্রিপস ইন্ডাস্ট্রিজ, ঢেউটিনসহ ইস্পাতপণ্য তৈরির কারখানা এস আলম স্টিল, এস আলম কোল্ড রোল্ড স্টিলস নফ, চেমন ইস্পাত ও গ্যালকো স্টিল, ব্যাগ তৈরির কারখানা এস আলম ব্যাগ লিমিটেড, এস আলম সিমেন্ট এবং এস আলম ভেজিটেবল অয়েল।

আরও পড়ুনঃ  ভোলা জেলা ঐক্য ফোরামের দুই বছর মেয়াদি পূর্ণাঙ্গ কমিটি অনুমোদন

 

এস আলম রিফাইন্ড সুগার ইন্ডাস্ট্রিজ এক কর্মকর্তা জানান, কর্ণফুলীতে বন্ধ হয়ে যাওয়া ১১টি কারখানার মধ্যে চিনি প্রক্রিয়াজাত কারখানা এস আলম রিফাইন্ড সুগার ইন্ডাস্ট্রিজে স্থায়ী শ্রমিক-কর্মচারী রয়েছেন ৫০০ জন, আর অস্থায়ী শ্রমিক-কর্মচারী প্রায় ২০০। অন্যান্য কারখানায় সবমিলিয়ে প্রায় সাড়ে ৪ হাজার শ্রমিক-কর্মচারী নিয়োজিত ছিল। ৫ আগস্ট আওয়ামী লীগ সরকার পতনের পর ব্যাংকের সহযোগিতা না পাওয়া এবং কাঁচামাল আমদানি করতে না পারায় একের পর এক শ্রমিক ছাঁটাইয়ের ঘটনা ঘটে। এসব কারখানায় আগে থেকে কিছু শ্রমিক ছাঁটাই করা হলেও কার্যক্রম একেবারে বন্ধ ছিল না। তবে এবারই শ্রমিক-কর্মচারী ছাঁটাইয়ের পর সবগুলো প্রতিষ্ঠান একেবারে বন্ধ ঘোষণা করা হয়। জানতে চাইলে এস আলম রিফাইন্ড সুগার ইন্ডাস্ট্রিজের ডিজিএম রফিকুল ইসলাম বলেন, কারখানায় সব ধরনের উৎপাদন বন্ধ। তাই কর্তৃপক্ষ চাইছেন কর্মরতরা ফিরে যাক।

আরও পড়ুনঃ  চট্টগ্রামে চব্বিশের গণঅভ্যুত্থান ক্রীড়া উৎসব ফুটবল টুর্ণামেন্টে চ্যাম্পিয়ন গোসাইলডাঙ্গা যুবক গোষ্ঠী
Tag :
জনপ্রিয় পোস্ট

চুনকুটিয়ায় কারখানার জেনারেটরে আগুন, স্থানীয়দের তৎপরতায় নিয়ন্ত্রণে

চট্টগ্রামে এস আলম গ্রুপের সব কারখানা বন্ধ ঘোষণা

আপডেটের সময়: ০৯:১১:০৩ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ৩১ জুলাই ২০২৬

মোঃ সৈয়দ মিয়া : চট্টগ্রাম ব্যুরো: কাঁচামালের সংকট, এলসি (লেটার অব ক্রেডিট) জটিলতা ও আর্থিক সংকটের কারণে চট্টগ্রামের কর্ণফুলীতে এস আলম গ্রুপের সবকটি কারখানা বন্ধের ঘোষণা দিয়েছে কর্তৃপক্ষ। গতকাল বৃহস্পতিবার এসব কারখানার শ্রমিকদের ছাঁটাই করা হয় এবং আজ শুক্রবার (৩১ জুলাই) থেকে কারখানাগুলো বন্ধ করে দেওয়া হয়। সারা দেশে এস আলমের অন্যান্য কারখানাতেও শ্রমিক ছাঁটাই করা হয়েছে বলে জানা গেছে কর্ণফুলীতে বন্ধ হওয়া কারখানাগুলোর মধ্যে অন্যতম হলো চিনি প্রক্রিয়াজাত কারখানা এস আলম রিফাইন্ড সুগার ইন্ডাস্ট্রিজ, ইস্পাতের পাত প্রক্রিয়াজাত কারখানা এস আলম কোল্ড রোল্ড স্টিলস ও ইনফিনিটি সি আর স্ট্রিপস ইন্ডাস্ট্রিজ, ঢেউটিনসহ ইস্পাতপণ্য তৈরির কারখানা এস আলম স্টিল, এস আলম কোল্ড রোল্ড স্টিলস নফ, চেমন ইস্পাত ও গ্যালকো স্টিল, ব্যাগ তৈরির কারখানা এস আলম ব্যাগ লিমিটেড, এস আলম সিমেন্ট এবং এস আলম ভেজিটেবল অয়েল।

আরও পড়ুনঃ  সাংবাদিক সুরক্ষা আইন প্রণয়নে সরকারের বিলম্ব উচিত নয়: আহমেদ আবু জাফর

 

এস আলম রিফাইন্ড সুগার ইন্ডাস্ট্রিজ এক কর্মকর্তা জানান, কর্ণফুলীতে বন্ধ হয়ে যাওয়া ১১টি কারখানার মধ্যে চিনি প্রক্রিয়াজাত কারখানা এস আলম রিফাইন্ড সুগার ইন্ডাস্ট্রিজে স্থায়ী শ্রমিক-কর্মচারী রয়েছেন ৫০০ জন, আর অস্থায়ী শ্রমিক-কর্মচারী প্রায় ২০০। অন্যান্য কারখানায় সবমিলিয়ে প্রায় সাড়ে ৪ হাজার শ্রমিক-কর্মচারী নিয়োজিত ছিল। ৫ আগস্ট আওয়ামী লীগ সরকার পতনের পর ব্যাংকের সহযোগিতা না পাওয়া এবং কাঁচামাল আমদানি করতে না পারায় একের পর এক শ্রমিক ছাঁটাইয়ের ঘটনা ঘটে। এসব কারখানায় আগে থেকে কিছু শ্রমিক ছাঁটাই করা হলেও কার্যক্রম একেবারে বন্ধ ছিল না। তবে এবারই শ্রমিক-কর্মচারী ছাঁটাইয়ের পর সবগুলো প্রতিষ্ঠান একেবারে বন্ধ ঘোষণা করা হয়। জানতে চাইলে এস আলম রিফাইন্ড সুগার ইন্ডাস্ট্রিজের ডিজিএম রফিকুল ইসলাম বলেন, কারখানায় সব ধরনের উৎপাদন বন্ধ। তাই কর্তৃপক্ষ চাইছেন কর্মরতরা ফিরে যাক।

আরও পড়ুনঃ  কোম্পানীগঞ্জে সম্মিলিত পেশাজীবী পরিষদের বার্ষিক কাউন্সিল অনুষ্ঠিত