Dhaka ১০:০৭ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ০১ নভেম্বর ২০২৬, ১৭ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনামঃ
শ্রীপুরে ভিক্ষুক জুলেখা হত্যা – আসামি শনাক্ত ও গ্রেফতারের দাবিতে মানববন্ধন অবহেলা-অযত্নে জৌলুশ হারাচ্ছে বাঁশখালী ইকোপার্ক, ঝুঁকিতে পর্যটন সম্ভাবনা জয়পুরহাটে পুলিশ ম্যাজিস্ট্রেসি কনফারেন্স অনুষ্ঠিত চকরিয়ায় আজকের জনবাণীর ভারপ্রাপ্ত সম্পাদকের সঙ্গে কক্সবাজার প্রতিনিধিদের শুভেচ্ছা বিনিময় ফটিকছড়িতে দাখিলের পর আলিমেও সেরা উপজেলায় আবারও ১ম স্থান অর্জন করল মাদ্রাসা-এ-গাউসুল আযম মাইজভাণ্ডারী ডিসি জাহিদের উদ্যোগে চট্টগ্রাম চিড়িয়াখানার প্লাস্টিক বর্জ্য যাবে পুনর্ব্যবহারে মান্দায় ১ কোটি ৮৩ লাখ টাকা ব্যয়ে সড়ক নির্মাণকাজের উদ্বোধন করলেন এমপি টিপু লক্ষ্মীপুরে অবৈধ ইটভাটায় জেলা প্রশাসনের অভিযান, তিনটি চিমনি ও দুটি করাতকল উচ্ছেদ ধামইরহাটে উপজেলা ও পৌর যুবদলের উদ্যোগে কর্মীসভা অনুষ্ঠিত কাউনিয়ায় এইচ এস সি ও সমমান পরীক্ষায় জিপিএ-৫ পেয়েছে ২৪ শিক্ষার্থী

কৃষকের দ্বারপ্রান্তে উপ-সহকারী কৃষি কর্মকর্তা, আটোয়ারীর বলরামপুর ইউনিয়নে কৃষি কার্ডের জন্য তথ্য সংগ্রহে ব্যস্ত।

  • প্রতিবেদকের নাম
  • আপডেটের সময়: ১২:৩৬:৩৫ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৩০ জুলাই ২০২৬
  • ১৫৫ সময় দেখুন

মোঃ রমজান আলী, আটোয়ারী (পঞ্চগড়) প্রতিনিধি
কৃষকদের সরাসরি সরকারি প্রণোদনা, ঋণ ও আধুনিক কৃষি সুবিধার আওতায় আনতে পঞ্চগড়ের আটোয়ারী উপজেলার ৫ নং বলরামপুর ইউনিয়নের প্রতিটি ওয়ার্ডে ওয়ার্ডে বাড়ি বাড়ি গিয়ে কৃষকদের তথ্য সংগ্রহ ও ডাটাবেজ, ৩০ জুলাই ২০২৬ তারিখে তৈরির কাজ জোরকদমে চলছে। এই কার্যক্রমে মাঠপর্যায়ে নিরলস ভাবে কাজ করে যাচ্ছেন বলরামপুর ইউনিয়নের দায়িত্বপ্রাপ্ত উপ-সহকারী কৃষি কর্মকর্তা। ডিজিটাল বাংলাদেশে প্রান্তিক কৃষকদের সঠিক তালিকা প্রণয়ন ও তাদের হাতে ‘কৃষি কার্ড’ পৌঁছে দেওয়ার লক্ষ্যে সরকারের গৃহীত এই উদ্যোগ স্থানীয় কৃষকদের মাঝে নতুন আশার আলো সঞ্চার করেছে।
মাঠে মাঠে উপ-সহকারী কৃষি কর্মকর্তা প্রতিদিনই ইউনিয়নের ১ নং থেকে ৯ নং ওয়ার্ডের প্রতিটি পাড়া-মহল্লায় ও কৃষকের উঠানে গিয়ে তাদের খতিয়ান, জাতীয় পরিচয়পত্র (NID), জমির পরিমাণ ও আবাদি ফসলের সঠিক তথ্য লিপিবদ্ধ করছেন উপ-সহকারী কৃষি কর্মকর্তা মোঃ ফজলে রাব্বী। স্বচ্ছতা নিশ্চিত করতে এবং কোনো প্রকৃত কৃষক যেন তালিকার বাইরে না থাকেন, সেজন্য তিনি প্রতিটি ওয়ার্ডে সরাসরি কৃষকদের মুখোমুখি হয়ে কাজ পরিচালনা করছেন। কৃষি কার্ডের সুবিধা ও উদ্দেশ্য
স্থানীয় কৃষি দপ্তর সূত্রে জানা গেছে, এই তথ্য সংগ্রহের ভিত্তিতে কৃষকদের ডিজিটাল ‘কৃষি কার্ড’ প্রদান করা হবে।উপসহকারী কৃষি কর্মকর্তা বলেন এই কার্ড দিয়ে সরকারি সার, বীজ ও কৃষি যন্ত্রপাতি সহজে ও সরাসরি পাওয়া। দালালের দৌরাত্ম্য ছাড়া ব্যাংক থেকে কৃষি ঋণ গ্রহণের সুযোগ পাওয়া যাবে এবং প্রাকৃতিক দুর্যোগে ক্ষতিগ্রস্ত কৃষকদের মাঝে দ্রুত সরকারি সহায়তা পৌঁছাবে।
সঠিক ডাটাবেজ প্রকৃত কৃষক শনাক্ত করে মধ্যস্বত্বভোগীদের হস্তক্ষেপ বন্ধ করা। কৃষক ও স্থানীয়দের প্রতিক্রিয়া
বলরামপুর ইউনিয়নের ওয়ার্ডভিত্তিক এই উদ্যোগকে অত্যন্ত ইতিবাচক হিসেবে দেখছেন স্থানীয় কৃষকরা। সরাসরি উপ-সহকারী কৃষি কর্মকর্তা নিজে এসে তথ্য সংগ্রহ করায় হয়রানি ও ভুল তথ্য অন্তর্ভুক্তির ভয় দূর হয়েছে বলে জানান তারা। পঞ্চগড়ের আটোয়ারীতে বলরামপুর ইউনিয়নের প্রতিটি ওয়ার্ডে তথ্য সংগ্রহের এই প্রক্রিয়া মাঠপর্যায়ের আধুনিক কৃষি সম্প্রসারণ ব্যবস্থার এক উজ্জ্বল দৃষ্টান্ত। তরুণ উপ-সহকারী কৃষি কর্মকর্তা মোঃ ফজলে রাব্বীর এই সক্রিয় ভূমিকা এবং কৃষকদের সহযোগিতা—উভয়ের সম্মিলিত প্রচেষ্টায় বলরামপুরের কৃষি খাত আরও এক ধাপ এগিয়ে যাবে বলে আশা করছেন স্থানীয় সচেতন মহল।

আরও পড়ুনঃ  লিবিয়ায় মানব পাচারের অভিযোগ, ১ কোটি ২৩ লাখ টাকা দিয়েও নিখোঁজ চার যুবক
Tag :
জনপ্রিয় পোস্ট

শ্রীপুরে ভিক্ষুক জুলেখা হত্যা – আসামি শনাক্ত ও গ্রেফতারের দাবিতে মানববন্ধন

কৃষকের দ্বারপ্রান্তে উপ-সহকারী কৃষি কর্মকর্তা, আটোয়ারীর বলরামপুর ইউনিয়নে কৃষি কার্ডের জন্য তথ্য সংগ্রহে ব্যস্ত।

আপডেটের সময়: ১২:৩৬:৩৫ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৩০ জুলাই ২০২৬

মোঃ রমজান আলী, আটোয়ারী (পঞ্চগড়) প্রতিনিধি
কৃষকদের সরাসরি সরকারি প্রণোদনা, ঋণ ও আধুনিক কৃষি সুবিধার আওতায় আনতে পঞ্চগড়ের আটোয়ারী উপজেলার ৫ নং বলরামপুর ইউনিয়নের প্রতিটি ওয়ার্ডে ওয়ার্ডে বাড়ি বাড়ি গিয়ে কৃষকদের তথ্য সংগ্রহ ও ডাটাবেজ, ৩০ জুলাই ২০২৬ তারিখে তৈরির কাজ জোরকদমে চলছে। এই কার্যক্রমে মাঠপর্যায়ে নিরলস ভাবে কাজ করে যাচ্ছেন বলরামপুর ইউনিয়নের দায়িত্বপ্রাপ্ত উপ-সহকারী কৃষি কর্মকর্তা। ডিজিটাল বাংলাদেশে প্রান্তিক কৃষকদের সঠিক তালিকা প্রণয়ন ও তাদের হাতে ‘কৃষি কার্ড’ পৌঁছে দেওয়ার লক্ষ্যে সরকারের গৃহীত এই উদ্যোগ স্থানীয় কৃষকদের মাঝে নতুন আশার আলো সঞ্চার করেছে।
মাঠে মাঠে উপ-সহকারী কৃষি কর্মকর্তা প্রতিদিনই ইউনিয়নের ১ নং থেকে ৯ নং ওয়ার্ডের প্রতিটি পাড়া-মহল্লায় ও কৃষকের উঠানে গিয়ে তাদের খতিয়ান, জাতীয় পরিচয়পত্র (NID), জমির পরিমাণ ও আবাদি ফসলের সঠিক তথ্য লিপিবদ্ধ করছেন উপ-সহকারী কৃষি কর্মকর্তা মোঃ ফজলে রাব্বী। স্বচ্ছতা নিশ্চিত করতে এবং কোনো প্রকৃত কৃষক যেন তালিকার বাইরে না থাকেন, সেজন্য তিনি প্রতিটি ওয়ার্ডে সরাসরি কৃষকদের মুখোমুখি হয়ে কাজ পরিচালনা করছেন। কৃষি কার্ডের সুবিধা ও উদ্দেশ্য
স্থানীয় কৃষি দপ্তর সূত্রে জানা গেছে, এই তথ্য সংগ্রহের ভিত্তিতে কৃষকদের ডিজিটাল ‘কৃষি কার্ড’ প্রদান করা হবে।উপসহকারী কৃষি কর্মকর্তা বলেন এই কার্ড দিয়ে সরকারি সার, বীজ ও কৃষি যন্ত্রপাতি সহজে ও সরাসরি পাওয়া। দালালের দৌরাত্ম্য ছাড়া ব্যাংক থেকে কৃষি ঋণ গ্রহণের সুযোগ পাওয়া যাবে এবং প্রাকৃতিক দুর্যোগে ক্ষতিগ্রস্ত কৃষকদের মাঝে দ্রুত সরকারি সহায়তা পৌঁছাবে।
সঠিক ডাটাবেজ প্রকৃত কৃষক শনাক্ত করে মধ্যস্বত্বভোগীদের হস্তক্ষেপ বন্ধ করা। কৃষক ও স্থানীয়দের প্রতিক্রিয়া
বলরামপুর ইউনিয়নের ওয়ার্ডভিত্তিক এই উদ্যোগকে অত্যন্ত ইতিবাচক হিসেবে দেখছেন স্থানীয় কৃষকরা। সরাসরি উপ-সহকারী কৃষি কর্মকর্তা নিজে এসে তথ্য সংগ্রহ করায় হয়রানি ও ভুল তথ্য অন্তর্ভুক্তির ভয় দূর হয়েছে বলে জানান তারা। পঞ্চগড়ের আটোয়ারীতে বলরামপুর ইউনিয়নের প্রতিটি ওয়ার্ডে তথ্য সংগ্রহের এই প্রক্রিয়া মাঠপর্যায়ের আধুনিক কৃষি সম্প্রসারণ ব্যবস্থার এক উজ্জ্বল দৃষ্টান্ত। তরুণ উপ-সহকারী কৃষি কর্মকর্তা মোঃ ফজলে রাব্বীর এই সক্রিয় ভূমিকা এবং কৃষকদের সহযোগিতা—উভয়ের সম্মিলিত প্রচেষ্টায় বলরামপুরের কৃষি খাত আরও এক ধাপ এগিয়ে যাবে বলে আশা করছেন স্থানীয় সচেতন মহল।

আরও পড়ুনঃ  ধামইরহাটে উপজেলা ও পৌর যুবদলের উদ্যোগে কর্মীসভা অনুষ্ঠিত