Dhaka ০৮:৪২ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ১৪ অগাস্ট ২০২৬, ৩০ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনামঃ
ভগবান শ্রীকৃষ্ণের জন্ম উৎসব উপলক্ষে প্রস্তুতিমূলক সভা চট্টগ্রামে শুরু হলো শহীদ জিয়া ও বেগম খালেদা জিয়া আন্তঃস্কুল গোল্ডকাপ ফুটবল টুর্নামেন্ট বড়পুকুরিয়া তাপবিদ্যুৎ কেন্দ্রের একটি ইউনিটের উৎপাদন বন্ধ চট্টগ্রামের সীতাকুণ্ডের ভাটিয়ারীতে একটি শিপইয়ার্ডে বিস্ফোরণ নিহত বেড়ে ৮ মির্জাপুরে মা ও শিশুর মরদেহ উদ্ধার মাদারগঞ্জের সরকারি কর্মকর্তার সীল-স্বাক্ষর জালিয়াতির মাধ্যমে, টাকা আত্নসাৎ অভিযোগ ‘বাড়ি আর কত ভাঙব, আর কতবার বানবাম’ ১৫ আগস্ট ঘিরে রাজধানীতে নিরাপত্তা জোরদার, চেকপোস্ট-তল্লাশি বাড়িয়েছে ডিএমপি সীতাকুণ্ড শিপইয়ার্ডে শ্রমিক নিহতের ঘটনা ‘মর্মান্তিক’ ছয় মাসে সরকারের অধিকাংশ নির্বাচনি অঙ্গীকার বাস্তবায়ন হয়েছে: রিজভী

শৈত্যপ্রবাহ ফের বাড়ার শঙ্কা

  • প্রতিবেদকের নাম
  • আপডেটের সময়: ০৮:০৬:৪৯ অপরাহ্ন, বুধবার, ১৪ জানুয়ারী ২০২৬
  • ৪৬৮ সময় দেখুন

নিজস্ব প্রতিবেদকঃ সম্প্রতি দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে শীতের তীব্রতা কিছুটা কমে এলেও ফের শৈত্যপ্রবাহ বাড়ার আশঙ্কা দেখা দিয়েছে। আবহাওয়া অধিদপ্তরের পূর্বাভাস অনুযায়ী আগামিকাল বৃহস্পতিবার থেকে দেশের উত্তর ও পশ্চিমাঞ্চলে তাপমাত্রা ফের কমতে পারে। এতে করে এসব এলাকায় শীতের প্রকোপ বাড়বে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে আবহাওয়া অধিদপ্তর জানায়, সাধারণত যখন কোনো এলাকার সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ৮ থেকে ১০ ডিগ্রি সেলসিয়াসের মধ্যে নেমে আসে, তখন সেটিকে শৈত্যপ্রবাহ হিসেবে ধরা হয়। সম্প্রতি পঞ্চগড়ের তেঁতুলিয়ায় দেশের সর্বনিম্ন তাপমাত্রা প্রায় ৮ ডিগ্রি সেলসিয়াস রেকর্ড করা হয়েছে, যা শীতের কড়াকড়ি প্রভাবের ইঙ্গিত দিচ্ছে।

আরও পড়ুনঃ  নিম্নচাপ, চার সমুদ্রবন্দরকে ৩ নম্বর সতর্ক সংকেত

টানা কয়েকদিন শৈত্যপ্রবাহের তীব্রতা কিছুটা কম থাকলেও, আবহাওয়া অধিদপ্তর বলছে এ স্বস্তি দীর্ঘস্থায়ী নাও হতে পারে। আগামীকাল থেকে উত্তর ও পশ্চিমাঞ্চলে তাপমাত্রা ১ থেকে ২ ডিগ্রি সেলসিয়াস পর্যন্ত কমে যেতে পারে। এ অবস্থা চলতে পারে আগামী শনিবার পর্যন্ত। এরপর ফের ধীরে ধীরে তাপমাত্রা বাড়ার সম্ভাবনা রয়েছে। চলতি জানুয়ারি মাসের শুরুতে দেওয়া দীর্ঘমেয়াদি পূর্বাভাসে আবহাওয়া অধিদপ্তর জানিয়েছিল, এ মাসে দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে পাঁচটি শৈত্যপ্রবাহ বয়ে যেতে পারে। এর মধ্যে অন্তত একটি শৈত্যপ্রবাহ তীব্র আকার নিতে পারে বলেও সতর্ক করা হয়েছিল। জানুয়ারির শুরু থেকেই দেশের বিভিন্ন স্থানে শৈত্যপ্রবাহের প্রভাব দেখা যাচ্ছে।

আরও পড়ুনঃ  নিম্নচাপ, চার সমুদ্রবন্দরকে ৩ নম্বর সতর্ক সংকেত

যদিও গত চারদিনে শীতের তীব্রতা কিছুটা কমে এসেছিল, নতুন করে তাপমাত্রা কমার পূর্বাভাস আবারও শীতের দাপট বাড়ার ইঙ্গিত দিচ্ছে। শীতের এ ওঠানামা কেন অস্বাভাবিক? পরিবেশ ও আবহাওয়া বিশেষজ্ঞ বজলুর রশিদ বলেন, বর্তমান শীতের ধারা গত কয়েক বছরের শীতের তুলনায় ভিন্ন। একদিকে তাপমাত্রার হঠাৎ ওঠানামা, অন্যদিকে বিচ্ছিন্নভাবে শৈত্যপ্রবাহ সব মিলিয়ে আবহাওয়ার আচরণ এখন আগের মতো নেই।

তিনি আরও বলেন শীতের মৌসুমে শৈত্যপ্রবাহ কমে গিয়ে ফের হঠাৎ বাড়ার প্রবণতা আগে এত ঘন ঘন দেখা যেত না। এটি জলবায়ু পরিবর্তনের দিকেও ইঙ্গিত দিতে পারে। দীর্ঘ সময় ধরে তাপমাত্রার অস্থিরতা, বৃষ্টিপাতের অনিয়ম এবং শুষ্ক আবহাওয়া এসব মিলিয়েই আবহাওয়ার স্বাভাবিক চক্রে পরিবর্তন আসছে।

আরও পড়ুনঃ  নিম্নচাপ, চার সমুদ্রবন্দরকে ৩ নম্বর সতর্ক সংকেত

বিশেষজ্ঞদের মতে, তাপমাত্রা হঠাৎ কমে গেলে সবচেয়ে বেশি ঝুঁকিতে পড়েন শিশু, বয়ষ্ক মানুষ এবং শ্বাস-প্রশ্বাসজনিত রোগে আক্রান্তরা। শীতের শুরু ও শেষের সময়গুলোতে ঠান্ডাজনিত রোগ জ্বর ও শ্বাসকষ্টের প্রবণতা বেড়ে যায়। তাই এ সময়গুলোতে শীত থেকে সুরক্ষায় প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া এবং স্বাস্থ্যবিধি মেনে চলার পরামর্শ দিয়েছেন বিশেষজ্ঞরা।

Tag :
জনপ্রিয় পোস্ট

ভগবান শ্রীকৃষ্ণের জন্ম উৎসব উপলক্ষে প্রস্তুতিমূলক সভা

শৈত্যপ্রবাহ ফের বাড়ার শঙ্কা

আপডেটের সময়: ০৮:০৬:৪৯ অপরাহ্ন, বুধবার, ১৪ জানুয়ারী ২০২৬

নিজস্ব প্রতিবেদকঃ সম্প্রতি দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে শীতের তীব্রতা কিছুটা কমে এলেও ফের শৈত্যপ্রবাহ বাড়ার আশঙ্কা দেখা দিয়েছে। আবহাওয়া অধিদপ্তরের পূর্বাভাস অনুযায়ী আগামিকাল বৃহস্পতিবার থেকে দেশের উত্তর ও পশ্চিমাঞ্চলে তাপমাত্রা ফের কমতে পারে। এতে করে এসব এলাকায় শীতের প্রকোপ বাড়বে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে আবহাওয়া অধিদপ্তর জানায়, সাধারণত যখন কোনো এলাকার সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ৮ থেকে ১০ ডিগ্রি সেলসিয়াসের মধ্যে নেমে আসে, তখন সেটিকে শৈত্যপ্রবাহ হিসেবে ধরা হয়। সম্প্রতি পঞ্চগড়ের তেঁতুলিয়ায় দেশের সর্বনিম্ন তাপমাত্রা প্রায় ৮ ডিগ্রি সেলসিয়াস রেকর্ড করা হয়েছে, যা শীতের কড়াকড়ি প্রভাবের ইঙ্গিত দিচ্ছে।

আরও পড়ুনঃ  নিম্নচাপ, চার সমুদ্রবন্দরকে ৩ নম্বর সতর্ক সংকেত

টানা কয়েকদিন শৈত্যপ্রবাহের তীব্রতা কিছুটা কম থাকলেও, আবহাওয়া অধিদপ্তর বলছে এ স্বস্তি দীর্ঘস্থায়ী নাও হতে পারে। আগামীকাল থেকে উত্তর ও পশ্চিমাঞ্চলে তাপমাত্রা ১ থেকে ২ ডিগ্রি সেলসিয়াস পর্যন্ত কমে যেতে পারে। এ অবস্থা চলতে পারে আগামী শনিবার পর্যন্ত। এরপর ফের ধীরে ধীরে তাপমাত্রা বাড়ার সম্ভাবনা রয়েছে। চলতি জানুয়ারি মাসের শুরুতে দেওয়া দীর্ঘমেয়াদি পূর্বাভাসে আবহাওয়া অধিদপ্তর জানিয়েছিল, এ মাসে দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে পাঁচটি শৈত্যপ্রবাহ বয়ে যেতে পারে। এর মধ্যে অন্তত একটি শৈত্যপ্রবাহ তীব্র আকার নিতে পারে বলেও সতর্ক করা হয়েছিল। জানুয়ারির শুরু থেকেই দেশের বিভিন্ন স্থানে শৈত্যপ্রবাহের প্রভাব দেখা যাচ্ছে।

আরও পড়ুনঃ  নিম্নচাপ, চার সমুদ্রবন্দরকে ৩ নম্বর সতর্ক সংকেত

যদিও গত চারদিনে শীতের তীব্রতা কিছুটা কমে এসেছিল, নতুন করে তাপমাত্রা কমার পূর্বাভাস আবারও শীতের দাপট বাড়ার ইঙ্গিত দিচ্ছে। শীতের এ ওঠানামা কেন অস্বাভাবিক? পরিবেশ ও আবহাওয়া বিশেষজ্ঞ বজলুর রশিদ বলেন, বর্তমান শীতের ধারা গত কয়েক বছরের শীতের তুলনায় ভিন্ন। একদিকে তাপমাত্রার হঠাৎ ওঠানামা, অন্যদিকে বিচ্ছিন্নভাবে শৈত্যপ্রবাহ সব মিলিয়ে আবহাওয়ার আচরণ এখন আগের মতো নেই।

তিনি আরও বলেন শীতের মৌসুমে শৈত্যপ্রবাহ কমে গিয়ে ফের হঠাৎ বাড়ার প্রবণতা আগে এত ঘন ঘন দেখা যেত না। এটি জলবায়ু পরিবর্তনের দিকেও ইঙ্গিত দিতে পারে। দীর্ঘ সময় ধরে তাপমাত্রার অস্থিরতা, বৃষ্টিপাতের অনিয়ম এবং শুষ্ক আবহাওয়া এসব মিলিয়েই আবহাওয়ার স্বাভাবিক চক্রে পরিবর্তন আসছে।

আরও পড়ুনঃ  নিম্নচাপ, চার সমুদ্রবন্দরকে ৩ নম্বর সতর্ক সংকেত

বিশেষজ্ঞদের মতে, তাপমাত্রা হঠাৎ কমে গেলে সবচেয়ে বেশি ঝুঁকিতে পড়েন শিশু, বয়ষ্ক মানুষ এবং শ্বাস-প্রশ্বাসজনিত রোগে আক্রান্তরা। শীতের শুরু ও শেষের সময়গুলোতে ঠান্ডাজনিত রোগ জ্বর ও শ্বাসকষ্টের প্রবণতা বেড়ে যায়। তাই এ সময়গুলোতে শীত থেকে সুরক্ষায় প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া এবং স্বাস্থ্যবিধি মেনে চলার পরামর্শ দিয়েছেন বিশেষজ্ঞরা।