Dhaka ০৪:০১ অপরাহ্ন, রবিবার, ২৬ জুলাই ২০২৬, ১১ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনামঃ
চট্টগ্রামে সীতাকুণ্ডে গণপিটুনিতে মাদক ব্যবসায়ী নিহত দক্ষতা-সততার ভিত্তিতে সেনাবাহিনীতে পদোন্নতির নির্দেশনা প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সুন্দরগঞ্জের চরাঞ্চলের উন্নয়ন নিয়ে অ্যাডভোকেসি সভা ঈশ্বরদীতে সিএনজিতে অভিযান: ৭ কেজি গাঁজাসহ মাদক ব্যবসায়ী গ্রেপ্তার দক্ষিণ কেরানীগঞ্জের আগানগরে রিকশার গ্যারেজে ভয়াবহ আগুন, পুড়ে ছাই অনেকগুলো অটো রিকশা ও টিনশেড ঘর ফরিদপুরে বাংলাদেশ হরিজন ঐক্য পরিষদের ২৯তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী পালিত ঘুকসির বিলের অপরূপ নীল জলাভূমিতে প্রকৃতির টানে দর্শনার্থীদের ঢল কেরানীগঞ্জে বুড়িগঙ্গা নদীতে গোসল করতে নেমে কিশোরের মর্মান্তিক মৃত্যু প্রধানমন্ত্রীর বৃক্ষরোপণ কর্মসূচির, মাগুরায় ১০ হাজার গাছের চারা রোপণের উদ্বোধন চট্টগ্রাম প্রেস ক্লাবে সিএমপি কমিশনারের সাথে সাংবাদিকদের মতবিনিময়

শিশুর ভুমিষ্ট হয়েই কাান্না করা অত্যান্ত জরুরি।

হেলাল, পত্নীতলা উপজেলা প্রতিনিধিঃ

শিশু৷ জন্ম হওয়ার সঙ্গে সঙ্গে কান্নাটা অত্যান্ত জরুরি, শিশু না কান্না করা এবং দুর্বল ভাবে কান্না করা তবে বুঝতে হবে, তার ফুসফুসে পরিমিত বাতাস বা অক্সিজেন প্রবেশ করেনি।

শিশু জন্মের পরপরই কান্নার আগে কাঁদতে শুরু করে। এ কান্না শুনে লেবার রুমে অথবা শিশু যে ঘরে জন্মগ্রহণ করে ভেতরের বাহিরে অপেক্ষমান সবাই খুশি হয়।এ কান্না বিরক্তের কান্না নয়, এ কান্না প্রমাণ করে শিশু সঠিকভাবে শ্বাস-প্রশ্বাস নিতে পেরেছে, এবং স্বাভাবিক সুস্থ শিশু জন্ম হয়েছে। শিশু মাতৃগর্ভে অবস্থান কালে মায়ের দেহ থেকে পরিমিত অক্সিজেন পেতো। শিশুর জন্মের পরপরই দেহের সাথে সব ধরনের সংযোগ পৃথক হয়ে যায়, ফলে তার দেহের সবারহকৃত অক্সিজেন বন্ধ হয়ে যায় । এ মুহূর্তে তার শরীরে অক্সিজেন সরবরাহ জরুরি হয়ে পড়ে, তাই শিশুকে কান্নার মাধ্যমে ফুসফুসে বাতাস ভরে নিতে হয় ফলে সে অক্সিজেন পায়।

আরও পড়ুনঃ  চট্টগ্রামসহ ৩ বিভাগে অতিভারি বর্ষণের আভাস

শিশু যদি জন্মের পরে কয়েক মিনিটের মধ্যে কান্না না করে, বা দুর্বলভাবে কান্না করে তবে বুঝতে হবে তার ফুসফুসে পরিমিত বাতাস বা অক্সিজেন অভাব হয় এবং তার মস্তিষ্ক যে পরিমাণ অক্সিজেন পাওয়ার কথা তা না পাওয়ায় তার মস্তিষ্কে কিছু পরিবর্তন ঘটে। শিশুর মস্তিষ্কের কোষগুলো অত্যন্ত সংবেদনশীল হওয়ায় অক্সিজেনের অভাবে শিশুর খিচুনি হতে পারে। তার মস্তিষ্কে অক্সিজেন সরবরাহ বিলম্ব হলে (পাঁচ মিনিটের বেশি) শিশুর মস্তিষ্কে চিরদিনের জন্য ক্ষতি হতে পারে। শিশু দীর্ঘ মিয়াদি মানসিক বা দৈহিক প্রতিবন্ধী হতে পারে বা হওয়ার আশঙ্কা থেকে যায়। জন্মের পরপরই আপনার শিশু না কাঁদলে বা দুর্বলভাবে কাঁদলে যত শিগরি নিকটস্থ হাসপাতালে নিয়ে যাবেন।

আরও পড়ুনঃ  ধামরাইয়ে অবৈধ সিসা কারখানায় অভিযান, জরিমানা ২ লাখ

ইহা প্রতিরোধের উপায়ঃ-
# বাচ্চা কনসেপ্ট করলে কোন অভিজ্ঞ গাইনি ডাক্তারের পরামর্শে চলা বা প্রয়োজনীয় ওষুধ পত্র সেবন করা ফলাপ করে চলা।

আরও পড়ুনঃ  যাদুকাটা নদীতে খেয়া পারাপার বন্ধ ইজারাদারদের দ্বন্দ্বে চরম দুর্ভোগে লাখো মানুষ ও পর্যটক

# প্রসূতির প্রসব বেদনা উঠলে সঙ্গে সঙ্গে অভিজ্ঞ ধাই অথবা নিকটস্থ উপজেলা বা জেলা সদর হাসপাতালে লেবার করানো।

# কোন কারনে প্রসতির প্রসব বেদনা প্রথম অবস্থায় আট ঘন্টা পার হওয়া মাত্রই, সিজারেনিয়ার জন্য প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া বা ইনডিউসড করা।

পরিশেষে একথা বলতেই হয় যে একটি অসুস্থ বাচ্চা একটি পরিবারের সারা জীবনের কান্না, তথা দেশের জন্য বোঝা স্বরূপ। তাই সবাইকে নরমাল লেবার বা প্রসূতির প্রসবের সময় যথা সতর্ক অবস্থানে থেকে সঠিক সিদ্ধান্ত নেওয়া অত্যন্ত জরুরী।

Tag :
জনপ্রিয় পোস্ট

চট্টগ্রামে সীতাকুণ্ডে গণপিটুনিতে মাদক ব্যবসায়ী নিহত

শিশুর ভুমিষ্ট হয়েই কাান্না করা অত্যান্ত জরুরি।

আপডেটের সময়: ০৯:২৫:৩১ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ১৮ মে ২০২৬

হেলাল, পত্নীতলা উপজেলা প্রতিনিধিঃ

শিশু৷ জন্ম হওয়ার সঙ্গে সঙ্গে কান্নাটা অত্যান্ত জরুরি, শিশু না কান্না করা এবং দুর্বল ভাবে কান্না করা তবে বুঝতে হবে, তার ফুসফুসে পরিমিত বাতাস বা অক্সিজেন প্রবেশ করেনি।

শিশু জন্মের পরপরই কান্নার আগে কাঁদতে শুরু করে। এ কান্না শুনে লেবার রুমে অথবা শিশু যে ঘরে জন্মগ্রহণ করে ভেতরের বাহিরে অপেক্ষমান সবাই খুশি হয়।এ কান্না বিরক্তের কান্না নয়, এ কান্না প্রমাণ করে শিশু সঠিকভাবে শ্বাস-প্রশ্বাস নিতে পেরেছে, এবং স্বাভাবিক সুস্থ শিশু জন্ম হয়েছে। শিশু মাতৃগর্ভে অবস্থান কালে মায়ের দেহ থেকে পরিমিত অক্সিজেন পেতো। শিশুর জন্মের পরপরই দেহের সাথে সব ধরনের সংযোগ পৃথক হয়ে যায়, ফলে তার দেহের সবারহকৃত অক্সিজেন বন্ধ হয়ে যায় । এ মুহূর্তে তার শরীরে অক্সিজেন সরবরাহ জরুরি হয়ে পড়ে, তাই শিশুকে কান্নার মাধ্যমে ফুসফুসে বাতাস ভরে নিতে হয় ফলে সে অক্সিজেন পায়।

আরও পড়ুনঃ  মোকামতলায় চুরির প্রস্তুতিকালে চোর চক্রের চার সদস্য গ্রেপ্তার

শিশু যদি জন্মের পরে কয়েক মিনিটের মধ্যে কান্না না করে, বা দুর্বলভাবে কান্না করে তবে বুঝতে হবে তার ফুসফুসে পরিমিত বাতাস বা অক্সিজেন অভাব হয় এবং তার মস্তিষ্ক যে পরিমাণ অক্সিজেন পাওয়ার কথা তা না পাওয়ায় তার মস্তিষ্কে কিছু পরিবর্তন ঘটে। শিশুর মস্তিষ্কের কোষগুলো অত্যন্ত সংবেদনশীল হওয়ায় অক্সিজেনের অভাবে শিশুর খিচুনি হতে পারে। তার মস্তিষ্কে অক্সিজেন সরবরাহ বিলম্ব হলে (পাঁচ মিনিটের বেশি) শিশুর মস্তিষ্কে চিরদিনের জন্য ক্ষতি হতে পারে। শিশু দীর্ঘ মিয়াদি মানসিক বা দৈহিক প্রতিবন্ধী হতে পারে বা হওয়ার আশঙ্কা থেকে যায়। জন্মের পরপরই আপনার শিশু না কাঁদলে বা দুর্বলভাবে কাঁদলে যত শিগরি নিকটস্থ হাসপাতালে নিয়ে যাবেন।

আরও পড়ুনঃ  পত্নীতলায় ৬৫ পিস মাদকদ্রব্য ট্যাপেন্টাডল ট্যাবলেট সহ মাদক ব্যবসায়ী আটক

ইহা প্রতিরোধের উপায়ঃ-
# বাচ্চা কনসেপ্ট করলে কোন অভিজ্ঞ গাইনি ডাক্তারের পরামর্শে চলা বা প্রয়োজনীয় ওষুধ পত্র সেবন করা ফলাপ করে চলা।

আরও পড়ুনঃ  মৃত্যুফাঁদে পরিণত থানারহাট-বাংলাবাজার সড়ক: দ্রুত স্থায়ী সংস্কারের দাবিতে মানববন্ধন

# প্রসূতির প্রসব বেদনা উঠলে সঙ্গে সঙ্গে অভিজ্ঞ ধাই অথবা নিকটস্থ উপজেলা বা জেলা সদর হাসপাতালে লেবার করানো।

# কোন কারনে প্রসতির প্রসব বেদনা প্রথম অবস্থায় আট ঘন্টা পার হওয়া মাত্রই, সিজারেনিয়ার জন্য প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া বা ইনডিউসড করা।

পরিশেষে একথা বলতেই হয় যে একটি অসুস্থ বাচ্চা একটি পরিবারের সারা জীবনের কান্না, তথা দেশের জন্য বোঝা স্বরূপ। তাই সবাইকে নরমাল লেবার বা প্রসূতির প্রসবের সময় যথা সতর্ক অবস্থানে থেকে সঠিক সিদ্ধান্ত নেওয়া অত্যন্ত জরুরী।