
স্টাফ রিপোর্টারঃ শফিকুল ইসলাম,জামালপুর: আমরা অধিকাংশ সময়-ই দেখতে পাই যে, রাস্তাঘাটে বিভিন্ন রকমের যানবাহনগুলোর মর্মান্তিক দূর্ঘটনা এবং কত শত মানুষের আহত ও নিহতের খবর। দূর্ঘটনার স্বীকার হওয়ার উল্লেখযোগ্য বাহনগুলোর মধ্যে মোটরসাইকেল, সিএনজি চালিত গাড়ি এবং ব্যাটারি চালিত অটোরিকশা গুলোই বেশি পাওয়া যায়। তন্মধ্যে যদি চলাচলের রাস্তার অর্ধেক বা দুই তৃতীয়াংশ দখল করে বা ব্যারিকেড দিয়ে_ ধান, গম, ভুট্টা বা অন্যান্য যেকোনো কৃষিপণ্য শুকানোর কাজে ব্যবহৃত হয়, তাহলে এক্সিডেন্ট বা দূর্ঘটনার হার বেড়ে যাওয়ার সম্ভাবনা আরো বেশি থাকে। কিন্তু কিছু স্থানীয় কৃষক সেদিকে খেয়াল না করে এবং জনগণের দুর্ভোগের চিন্তা না করে, রাস্তা বা ব্রিজের অর্ধেক বা দুই তৃতীয়াংশ-ই ব্যারিকেড দিয়ে প্রতিনিয়তই ধান, গম, ভুট্টা সহ আরো বিভিন্ন কৃষিপণ্য শুকানোর কাজে ব্যবহার করছে।
আর সরেজমিনে গিয়ে প্রতিনিয়ত এমনটাই দেখা যায়_ মাদারগঞ্জ থানার ৭ নং সিধুলী ইউনিয়নের অন্তর্গত শ্যামগঞ্জ কালিবাড়ী বাজার থেকে সুলতানের মোড়ের মাঝামাঝি অবস্থানের ঝারকাটা নদীর উপর দিয়ে বয়ে যাওয়া ব্রিজের চিত্র এবং আরেকটি এমন কারণেই দূর্ঘটনার চিত্র। এতে প্রতিদিন চলাচলকারী হাজার হাজার লোকজন এবং প্রায় শত শত গাড়ি চলাচলে বাধার সম্মুখীন হচ্ছে। শুধু তাই নয়, বর্তমানে সরিষাবাড়ি থানার শিমলা বাজার থেকে মাদারগঞ্জ থানায় যাতায়াতের জন্য, এই রাস্তাটি অধিক জনপ্রিয় হয়ে উঠছে। কারণ, এই রাস্তা দিয়ে স্বল্প সময়ের মধ্যে ব্যবসায়িক কাজে ও অন্যান্য জরুরী কাজে, এক থানার লোকজন অন্য থানায় দ্রুত যেতে পারে বলে পথচারী লোকজন এবং বিভিন্ন গাড়ির চালকগণ মন্তব্য করে থাকেন। আর একটা মেইনরোড়ের ব্রিজের উপর এবং রাস্তার মাঝের এমন দৃশ্য দেখে যানবাহনের চালকগণ এবং পথচারী লোকজন প্রতিনিয়তই অস্বস্তি বোধ করছে এবং মাঝে মধ্যে দূর্ঘটনার স্বীকার হচ্ছে। এতে প্রশাসনেরও কোনো হস্তক্ষেপ পাওয়া যায়নি বলে স্থানীয়সুত্র ও পথচারীরা জানায়। পথচারী লোকজন এবং বিভিন্ন গাড়ির চালকগণের দাবি_ দূর্ঘটনা এড়ানোর লক্ষ্যে জরুরি ভিত্তিতে এ ব্যাপারে প্রশাসন, স্থানীয় মেম্বার এবং চেয়ারম্যানের হস্তক্ষেপ কামনা করছি।
প্রতিবেদকের নাম 


















