
মোঃ উজ্জ্বল সরকার গাইবান্ধা: পলাশবাড়ী: উন্নয়নের মহাসড়কে পলাশবাড়ী পৌরসভাকে একটি আধুনিক, পরিকল্পিত ও জনবান্ধব শহর হিসেবে গড়ে তোলার প্রত্যয় নিয়ে নির্বাচনী মাঠ চষে বেড়াচ্ছেন জনতার মেয়র জনাব আবুল কালাম আজাদ। আগামী পৌর নির্বাচনে বিএনপি সমর্থিত এই মেয়র পদপ্রার্থীকে ঘিরে এখন নতুন করে আশার আলো দেখছেন পৌরসভার সর্বস্তরের মানুষ। দীর্ঘদিন ধরে রাজপথের লড়াই-সংগ্রামে জনগণের অধিকার আদায়ে কাজ করে যাওয়া আবুল কালাম আজাদ কেবল একজন রাজনীতিবিদ নন, বরং সাধারণ মানুষের দুঃখ-সুখের সঙ্গী হিসেবেই পরিচিত। দল-মতের ঊর্ধ্বে উঠে বিপদ-আপদে মানুষের পাশে দাঁড়ানোই তাকে ‘জনতার মেয়র’ উপাধিতে ভূষিত করেছে।
কেন আলোচনায় আবুল কালাম আজাদ? পৌর এলাকার অলিগলি থেকে শুরু করে চায়ের দোকান—সবখানেই এখন আলোচনার কেন্দ্রবিন্দুতে তার ক্লিন ইমেজ। ভোটারদের মতে, পলাশবাড়ীর জলাবদ্ধতা নিরসন, উন্নত ড্রেনেজ ব্যবস্থা, আধুনিক সড়কবাতি এবং যানজটমুক্ত শহর গড়তে একজন দক্ষ ও সাহসী নেতৃত্বের প্রয়োজন, যা আবুল কালাম আজাদের মধ্যে বিদ্যমান। উন্নয়নের ভাবনা: নির্বাচনী প্রচারণাকালে জনাব আবুল কালাম আজাদ বলেন, “আমি মেয়র পদের লোভ করি না, আমি করতে চাই জনগণের সেবা। পলাশবাড়ী পৌরসভাকে একটি মডেল ও স্মার্ট পৌরসভা হিসেবে গড়ে তোলাই আমার প্রধান লক্ষ্য। যেখানে কোনো মাদক, সন্ত্রাস বা চাঁদাবাজির ঠাঁই হবে না। জনগণের ট্যাক্সের টাকা জনগণের উন্নয়নেই ব্যয় হবে।”
তৃণমূলের সমর্থন:
পৌরসভার বিভিন্ন ওয়ার্ডে জনসংযোগকালে দেখা গেছে উপচে পড়া ভিড়। নারী-পুরুষ নির্বিশেষে সাধারণ ভোটাররা তাকে পরম মমতায় গ্রহণ করছেন। বিএনপির তৃণমূল নেতাকর্মী থেকে শুরু করে সাধারণ মানুষ মনে করছেন, অধিকার আদায়ের এই লড়াইয়ে আবুল কালাম আজাদের বিকল্প নেই।সাংবাদিকের কলমে: পলাশবাড়ী পৌরসভার এই নির্বাচন কেবল একজন মেয়র নির্বাচনের লড়াই নয়, এটি উন্নয়নের ধারাকে ত্বরান্বিত করার লড়াই। জনগণের ভালোবাসায় সিক্ত আবুল কালাম আজাদ যদি পৌরপিতার দায়িত্ব পান, তবে পলাশবাড়ী এক নতুন দিগন্তের সূচনা করবে—এমনটাই প্রত্যাশা করছেন সচেতন নাগরিক সমাজ। এখন কেবল সময়ের অপেক্ষা, আগামী ব্যালট বিপ্লবের মাধ্যমেই নির্ধারিত হবে পলাশবাড়ীর ভবিষ্যৎ কর্ণধার।
প্রতিবেদকের নাম 



















