Dhaka ১১:০৭ অপরাহ্ন, সোমবার, ২৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১৩ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনামঃ
আটক সার সিন্ডিকেট ঘিরে খগারহাটে এনসিপির বিক্ষোভ ও পথ সভা মির্জাপুরে যুবলীগ নেতা শফিকুল ইসলাম গ্রেপ্তার কাউনিয়ায় বিএনপির বিক্ষোভ মিছিল, নৈরাজ্যের প্রতিবাদে ঐক্যবদ্ধ থাকার আহ্বান কুলাউড়ায় বেদখলে থাকা ২৯ শতক সরকারি জমি উদ্ধার ফরিদগঞ্জে ইউপি চেয়ারম্যান হারুন অর রশিদ পুলিশের জালে আটক মান্দায় আইন-শৃঙ্খলা নিয়ে সভা, পরে সাংবাদিকদের সঙ্গে এমপি টিপুর মতবিনিময় প্রকাশিত সংবাদের প্রতিবাদ ধর্মীয় অনুসাশনের সাথে সামঞ্জ্যপূর্ণ জ্ঞানই প্রকৃত শিক্ষা : আসলাম চৌধুরী লালপুরে তেলের দোকানে ও ফিলিং স্টেশনে বিএসটিআই-এর অভিযান: দুই প্রতিষ্ঠানকে জরিমানা সংসদ ভবন লেকে ২৫০ কেজি পোনা মাছ অবমুক্ত করলেন স্পিকার

গাইবান্ধা জেনারেল হাসপাতালকে ঘিরে উদ্দেশ্যপ্রণোদিত অপপ্রচার: আরএমও’র বিরুদ্ধে মিথ্যা তথ্য প্রচারের অভিযোগ

  • প্রতিবেদকের নাম
  • আপডেটের সময়: ০৪:৪০:৫২ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ৭ এপ্রিল ২০২৬
  • ৫৬৪ সময় দেখুন

মোঃ সুজা মিয়া, জেলা প্রতিনিধি গাইবান্ধা:  গাইবান্ধা জেনারেল হাসপাতালের আবাসিক মেডিকেল অফিসার (আরএমও) ডা. মোঃ আসিফ উর রহমানকে জড়িয়ে সম্প্রতি যে সংবাদ প্রকাশ করা হয়েছে, তা সম্পূর্ণরূপে একপাক্ষিক, বিভ্রান্তিকর এবং উদ্দেশ্যপ্রণোদিত বলে দাবি উঠেছে সংশ্লিষ্ট মহল থেকে। অভিযোগ করা হচ্ছে, একটি স্বার্থান্বেষী গোষ্ঠী পরিকল্পিতভাবে হাসপাতালের সেবাব্যবস্থা এবং একজন দায়িত্বশীল চিকিৎসকের পেশাগত সুনাম ক্ষুণ্ন করার অপচেষ্টা চালাচ্ছে।

হাসপাতাল সূত্রে জানা গেছে, প্রতিদিন বিপুলসংখ্যক রোগীর চাপ সামাল দিতে গিয়ে চিকিৎসকদের প্রশাসনিক ও চিকিৎসাসংক্রান্ত দায়িত্ব একসঙ্গে পালন করতে হয়। এ বাস্তবতায় কিছু সেবায় সময় লাগা অস্বাভাবিক নয়। অথচ এই স্বাভাবিক প্রশাসনিক বিলম্বকে ‘দুর্নীতি’, ‘সিন্ডিকেট’ ও ‘হয়রানি’ হিসেবে উপস্থাপন করে জনমনে বিভ্রান্তি সৃষ্টি করা হয়েছে, যা বাস্তবতার পরিপন্থী।

আরও পড়ুনঃ  প্রকাশিত সংবাদের প্রতিবাদ

বিশেষ করে মেডিকেল সার্টিফিকেট (এমসি) প্রদান সংক্রান্ত অভিযোগকে ভিত্তিহীন ও অতিরঞ্জিত বলে উল্লেখ করেছেন সংশ্লিষ্টরা। তারা বলেন, এমসি প্রদান একটি নির্দিষ্ট প্রক্রিয়ার মাধ্যমে সম্পন্ন হয়, যেখানে চিকিৎসা নথি যাচাই, অনুমোদনসহ বিভিন্ন প্রশাসনিক ধাপ রয়েছে। এ প্রক্রিয়াকে ইচ্ছাকৃতভাবে বিকৃত করে ‘অর্থ লেনদেন’ বা ‘সিন্ডিকেট’ হিসেবে উপস্থাপন করা হয়েছে, যার কোনো প্রমাণ উপস্থাপন করা হয়নি।

অভিযোগে উত্থাপিত শেফা বেগমের ঘটনাকেও বিকৃতভাবে উপস্থাপন করা হয়েছে বলে দাবি করা হয়। হাসপাতাল কর্তৃপক্ষের ভাষ্য অনুযায়ী, রোগীর অবস্থা বিবেচনায় যথাযথ চিকিৎসা প্রদান ও পরবর্তীতে উন্নত চিকিৎসার জন্য রেফার করা হয়েছে, যা চিকিৎসা নীতিমালার অংশ। এমসি প্রদানের ক্ষেত্রে প্রশাসনিক সময় লাগলেও সেটিকে ‘গড়িমসি’ বা ‘ইচ্ছাকৃত হয়রানি’ হিসেবে তুলে ধরা বাস্তবতাকে আড়াল করার শামিল।

আরও পড়ুনঃ  প্রকাশিত সংবাদের প্রতিবাদ

এ বিষয়ে ডা. মোঃ আসিফ উর রহমান বলেন, “আমি সরকারি নিয়ম ও পেশাগত নীতিমালা অনুসরণ করে দায়িত্ব পালন করছি। একটি চক্র ব্যক্তিগত স্বার্থে মিথ্যা ও বিভ্রান্তিকর তথ্য ছড়িয়ে আমাকে এবং প্রতিষ্ঠানকে প্রশ্নবিদ্ধ করার চেষ্টা করছে। এটি অত্যন্ত দুঃখজনক এবং নিন্দনীয়।”

সচেতন মহল বলছে, কোনো যাচাই-বাছাই ছাড়াই এ ধরনের সংবেদনশীল বিষয়ে সংবাদ প্রকাশ করা সাংবাদিকতার নীতিমালার পরিপন্থী। এতে করে সাধারণ মানুষের আস্থা নষ্ট হওয়ার পাশাপাশি একটি গুরুত্বপূর্ণ সরকারি প্রতিষ্ঠানের ভাবমূর্তি ক্ষতিগ্রস্ত হয়।

আরও পড়ুনঃ  প্রকাশিত সংবাদের প্রতিবাদ

গাইবান্ধা জেনারেল হাসপাতালকে ঘিরে প্রকাশিত বিতর্কিত সংবাদটি যে বাস্তবতার পূর্ণ প্রতিফলন নয়, তা সংশ্লিষ্টদের বক্তব্যে স্পষ্ট। একটি মহল পরিকল্পিতভাবে তথ্য বিকৃত করে বিভ্রান্তি ছড়াচ্ছে—এমন অভিযোগ গুরুত্বের সঙ্গে সামনে এসেছে। তাই প্রকৃত সত্য উদঘাটনে নিরপেক্ষ তদন্ত জরুরি হলেও, একই সঙ্গে দায়িত্বজ্ঞানহীন ও উদ্দেশ্যপ্রণোদিত সংবাদ পরিবেশন বন্ধে কঠোর পদক্ষেপ গ্রহণের দাবি জোরালো হয়েছে। এবং যে সাংবাদিক এই নিউজটি করেছে তার অসংখ্য দুর্নীতি রয়েছে। বিভিন্ন জনার কাছ থেকে লক্ষ লক্ষ টাকা হাতিয়ে নিয়ে তাদেরকে আর কোন পাত্তা দিচ্ছে না।

Tag :
জনপ্রিয় পোস্ট

আটক সার সিন্ডিকেট ঘিরে খগারহাটে এনসিপির বিক্ষোভ ও পথ সভা

গাইবান্ধা জেনারেল হাসপাতালকে ঘিরে উদ্দেশ্যপ্রণোদিত অপপ্রচার: আরএমও’র বিরুদ্ধে মিথ্যা তথ্য প্রচারের অভিযোগ

আপডেটের সময়: ০৪:৪০:৫২ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ৭ এপ্রিল ২০২৬

মোঃ সুজা মিয়া, জেলা প্রতিনিধি গাইবান্ধা:  গাইবান্ধা জেনারেল হাসপাতালের আবাসিক মেডিকেল অফিসার (আরএমও) ডা. মোঃ আসিফ উর রহমানকে জড়িয়ে সম্প্রতি যে সংবাদ প্রকাশ করা হয়েছে, তা সম্পূর্ণরূপে একপাক্ষিক, বিভ্রান্তিকর এবং উদ্দেশ্যপ্রণোদিত বলে দাবি উঠেছে সংশ্লিষ্ট মহল থেকে। অভিযোগ করা হচ্ছে, একটি স্বার্থান্বেষী গোষ্ঠী পরিকল্পিতভাবে হাসপাতালের সেবাব্যবস্থা এবং একজন দায়িত্বশীল চিকিৎসকের পেশাগত সুনাম ক্ষুণ্ন করার অপচেষ্টা চালাচ্ছে।

হাসপাতাল সূত্রে জানা গেছে, প্রতিদিন বিপুলসংখ্যক রোগীর চাপ সামাল দিতে গিয়ে চিকিৎসকদের প্রশাসনিক ও চিকিৎসাসংক্রান্ত দায়িত্ব একসঙ্গে পালন করতে হয়। এ বাস্তবতায় কিছু সেবায় সময় লাগা অস্বাভাবিক নয়। অথচ এই স্বাভাবিক প্রশাসনিক বিলম্বকে ‘দুর্নীতি’, ‘সিন্ডিকেট’ ও ‘হয়রানি’ হিসেবে উপস্থাপন করে জনমনে বিভ্রান্তি সৃষ্টি করা হয়েছে, যা বাস্তবতার পরিপন্থী।

আরও পড়ুনঃ  প্রকাশিত সংবাদের প্রতিবাদ

বিশেষ করে মেডিকেল সার্টিফিকেট (এমসি) প্রদান সংক্রান্ত অভিযোগকে ভিত্তিহীন ও অতিরঞ্জিত বলে উল্লেখ করেছেন সংশ্লিষ্টরা। তারা বলেন, এমসি প্রদান একটি নির্দিষ্ট প্রক্রিয়ার মাধ্যমে সম্পন্ন হয়, যেখানে চিকিৎসা নথি যাচাই, অনুমোদনসহ বিভিন্ন প্রশাসনিক ধাপ রয়েছে। এ প্রক্রিয়াকে ইচ্ছাকৃতভাবে বিকৃত করে ‘অর্থ লেনদেন’ বা ‘সিন্ডিকেট’ হিসেবে উপস্থাপন করা হয়েছে, যার কোনো প্রমাণ উপস্থাপন করা হয়নি।

অভিযোগে উত্থাপিত শেফা বেগমের ঘটনাকেও বিকৃতভাবে উপস্থাপন করা হয়েছে বলে দাবি করা হয়। হাসপাতাল কর্তৃপক্ষের ভাষ্য অনুযায়ী, রোগীর অবস্থা বিবেচনায় যথাযথ চিকিৎসা প্রদান ও পরবর্তীতে উন্নত চিকিৎসার জন্য রেফার করা হয়েছে, যা চিকিৎসা নীতিমালার অংশ। এমসি প্রদানের ক্ষেত্রে প্রশাসনিক সময় লাগলেও সেটিকে ‘গড়িমসি’ বা ‘ইচ্ছাকৃত হয়রানি’ হিসেবে তুলে ধরা বাস্তবতাকে আড়াল করার শামিল।

আরও পড়ুনঃ  প্রকাশিত সংবাদের প্রতিবাদ

এ বিষয়ে ডা. মোঃ আসিফ উর রহমান বলেন, “আমি সরকারি নিয়ম ও পেশাগত নীতিমালা অনুসরণ করে দায়িত্ব পালন করছি। একটি চক্র ব্যক্তিগত স্বার্থে মিথ্যা ও বিভ্রান্তিকর তথ্য ছড়িয়ে আমাকে এবং প্রতিষ্ঠানকে প্রশ্নবিদ্ধ করার চেষ্টা করছে। এটি অত্যন্ত দুঃখজনক এবং নিন্দনীয়।”

সচেতন মহল বলছে, কোনো যাচাই-বাছাই ছাড়াই এ ধরনের সংবেদনশীল বিষয়ে সংবাদ প্রকাশ করা সাংবাদিকতার নীতিমালার পরিপন্থী। এতে করে সাধারণ মানুষের আস্থা নষ্ট হওয়ার পাশাপাশি একটি গুরুত্বপূর্ণ সরকারি প্রতিষ্ঠানের ভাবমূর্তি ক্ষতিগ্রস্ত হয়।

আরও পড়ুনঃ  প্রকাশিত সংবাদের প্রতিবাদ

গাইবান্ধা জেনারেল হাসপাতালকে ঘিরে প্রকাশিত বিতর্কিত সংবাদটি যে বাস্তবতার পূর্ণ প্রতিফলন নয়, তা সংশ্লিষ্টদের বক্তব্যে স্পষ্ট। একটি মহল পরিকল্পিতভাবে তথ্য বিকৃত করে বিভ্রান্তি ছড়াচ্ছে—এমন অভিযোগ গুরুত্বের সঙ্গে সামনে এসেছে। তাই প্রকৃত সত্য উদঘাটনে নিরপেক্ষ তদন্ত জরুরি হলেও, একই সঙ্গে দায়িত্বজ্ঞানহীন ও উদ্দেশ্যপ্রণোদিত সংবাদ পরিবেশন বন্ধে কঠোর পদক্ষেপ গ্রহণের দাবি জোরালো হয়েছে। এবং যে সাংবাদিক এই নিউজটি করেছে তার অসংখ্য দুর্নীতি রয়েছে। বিভিন্ন জনার কাছ থেকে লক্ষ লক্ষ টাকা হাতিয়ে নিয়ে তাদেরকে আর কোন পাত্তা দিচ্ছে না।