Dhaka ০৩:১২ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ০৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১৮ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনামঃ
জিম্বাবুয়েকে উড়িয়ে ফাইনাল নিশ্চিত দক্ষিণ আফ্রিকার তারাগঞ্জে ১০ পিস ট্যাপেন্টাডলসহ গ্রেপ্তার ১, মামলা প্রক্রিয়াধীন ধামইরহাটে দুইশত টাকার জন্য প্রতিবেশীর আঘাতে যুবকের মৃত্যু চন্দনাইশে ভূমি বিরোধ নিয়ে পাল্টা সংবাদ সম্মেলন চটকাপোতা গ্রামে দুই শিশুসন্তানসহ কামালের জানাজায় বিএনপি নেতৃবৃন্দ ধামইরহাটে ৫৩তম গ্রীষ্মকালীন ক্রীড়া প্রতিযোগিতা সমাপনী ও পুরস্কার বিতরণ রাজীব বাসের রোড পারমিট বাতিল ও চলাচল বন্ধের দাবিতে মানববন্ধন ধুনটে ডেঙ্গু প্রতিরোধে র‍্যালী ও আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত দেশের ঝুঁকিপূর্ণ বেড়িবাঁধে ঝড়-জলোচ্ছ্বাসে বিপর্যয়ের শঙ্কা বাড়াচ্ছে আসিফ মাহমুদসহ ৪ জনের বিরুদ্ধে দুদকের অনুসন্ধান শুরু

নতুন সরকারের সহায়তার প্রয়োজন হলে অবশ্যই করব: রিজওয়ানা

  • প্রতিবেদকের নাম
  • আপডেটের সময়: ০৭:২৫:৪৩ অপরাহ্ন, রবিবার, ১৫ ফেব্রুয়ারী ২০২৬
  • ১৯৪ সময় দেখুন

নিজস্ব প্রতিবেদকঃ নতুন সরকারের সহায়তার প্রয়োজন হলে অবশ্যই করব নতুন সরকারের কোন কাজের ক্ষেত্রে যদি কোন রকমের সহায়তার প্রয়োজন হয়, আমরা অবশ্যই সে সহযোগিতা করব বলে জানিয়েছেন পরিবেশ উপদেষ্টা সৈয়দা রিজওয়ানা হাসান। তিনি বলেন, নতুন সরকারের শপথের আগপর্যন্ত উপদেষ্টারা সরকারি দায়িত্ব পালন করবেন। নতুন সরকারের শপথ অনুষ্ঠানে সরকারের পক্ষ থেকে শুধু সার্কভুক্ত দেশগুলোর প্রতিনিধিদের দাওয়াত দেওয়া হয়েছে বলেও জানান তিনি। আজ রোববার দুপুরে সচিবালয়ে সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে উপদেষ্টা এসব কথা বলেন। পরিবেশ উপদেষ্টা বলেন, নির্বাচিত সংসদ সদস্যদের শপথ অনুষ্ঠানে কোনো উপদেষ্টা থাকবেন না। তবে মন্ত্রীদের শপথ অনুষ্ঠানে উপদেষ্টারা উপস্থিত থাকবেন। নতুন সরকারের শপথের আগপর্যন্ত উপদেষ্টারা সরকারি দায়িত্ব পালন করবেন। নতুন সরকারের শপথ অনুষ্ঠানে সরকারের পক্ষ থেকে শুধু সার্কভুক্ত দেশগুলোর প্রতিনিধিদের দাওয়াত দেওয়া হয়েছে।

এর বাইরে আর কোনো কিছু সরকারি পর্যায়ে নেই। আর নির্বাচিত রাজনৈতিক দলের চাওয়াতেই শপথ অনুষ্ঠান বঙ্গভবনের বদলে সংসদ ভবনের দক্ষিণ প্লাজায় আয়োজন করা হচ্ছে বলেও জানান তিনি। সার্কভুক্ত দেশের যেসব অতিথি আসবেন তাদের আমন্ত্রণ কি বর্তমান অন্তর্বর্তী সরকার করেছে, নাকি নির্বাচনে বিজয়ী দল করবে—এমন প্রশ্নের জবাবে পরিবেশ উপদেষ্টা বলেন, এটা ফরেন মিনিস্ট্রি থেকে করা হবে। আসলে এটা যেই দল বিজয়ী হয়েছে তাদের সাথে আলোচনাক্রমেই এই আয়োজনটা করা হয়েছে। তারা যেভাবে চেয়েছেন, আমরা সেভাবেই ফ্যাসিলিটি দেব। অনেক মানুষের কথা ওনারা বলবেন। তবে আমরা পত্র-পত্রিকায় যা দেখেছি, হাজারখানেকের মতো হয়তোবা।

আরও পড়ুনঃ  কোনো খাদ্যগুদামে অনিয়ম পাওয়া গেলে ছাড় দেওয়া হবে না’

নতুন মন্ত্রী যারা আসছেন তাদের আগাম শুভেচ্ছা জানিয়ে সৈয়দা রিজওয়ানা হাসান বলেন, তারা আমাদের কাছে কোনো সহযোগিতা চাইলে সেটি করতে প্রস্তুত আছি। দুর্যোগময় মুহূর্তে আমাদের দেশের হাল ধরতে বলা হয়েছিল। আমরা দায়িত্ব নিয়ে যথাযথভাবে পালনের চেষ্টা করেছি। মানুষ আমাদের কাজের মূল্যায়ন করবে আশা করি। ফয়েজ আহমদ তৈয়্যব চলে গেছেন, ওনার যাওয়া নিয়ে অনেকেই বলছেন যে, গত কয়েক মাস থেকে আপনাদের ‘সেফ এক্সিট’ নিয়ে নানা প্রশ্ন শুনতে হয়েছে। আসলে উপদেষ্টাদের কেউ কি সেফ এক্সিট নিচ্ছেন কি না—এমন প্রশ্নের জবাবে উপদেষ্টা বলেন, ফয়েজ আহমদ তৈয়্যব সাহেব চলে গেলেন মানেটা কি? এটা বলার আগে বলতে হবে ফয়েজ সাহেব দেশে এসেছিলেন। ওতো দেশে থাকতো না। ওতো কাজ করত নেদারল্যান্ডসে। ওইখানেই ওর পরিবার, ওখানেই ওর সংসার। দেড়টা বছর ওর পরিবার থেকে আলাদা থেকে রাষ্ট্রের এই দায়িত্বটা পালন করেছে। এখন রাষ্ট্রের দায়িত্ব শেষ হয়েছে। সে তার পরিবারের কাছে ফেরত গেছে। এখন এইটাকে যদি আপনি ভিন্নভাবে উপস্থাপন করতে চান করতে পারেন।

আরও পড়ুনঃ  এআইয়ের অপব্যবহার যাতে না হয় সেদিকে খেয়াল রাখতে হবে: আইনমন্ত্রী

রিজওয়ানা হাসান আরও বলেন, ফয়েজ সাহেবের পরিবার এই দেড়টা বছর বিদেশেই আছে। কারণ ওরা তো ওখানেই সেটেল, ওই কাজটা ছেড়ে দিয়ে এখানে এসে রাষ্ট্রের দায়িত্বটা পালন করে গেছে। ও যে এই টেলিযোগাযোগ সেক্টরের রিফর্মগুলো করেছে, এগুলো অনেকের পছন্দ হয়নি। তারা এই কথাগুলো বলছে, গোপনে চলে গেছে। তিনি বলেন, তাহলে কোন উপদেষ্টা, যদি আমাদের দায়িত্বের পরে আমরা বিদেশে যাই বা আমি চলে যাব বিলাতে। সেখানে আমার অলরেডি একটা ইনভাইটেশন আছে এপ্রিল না মে মাসে, আমার সেটাও মনে নাই। আমি সেখানে যাব। আর আমি কি এটা ঘোষণা দিয়ে যাব যে, ভাই আমি অত তারিখে অমুক মিটিংয়ের জন্য অমুক দেশে যাচ্ছি, এটা তো কেউ ঘোষণা দেবে না। এগুলো হচ্ছে কি? দেশে একটা গ্রুপ আছে, যেটা সবকিছুতেই একটা নাটকীয়তা। একটা উত্তেজনা তৈরির চেষ্টায় থাকে। এটা তারই প্রয়াস। এটার সাথে বাস্তবতার কোনো সম্পর্কই নেই। বরং আমাদের অ্যাপ্রিশিয়েট করা উচিত ছিল যে দেড় বছর সে তার পরিবারকে রেখে এসে দেশের জন্য কাজ করেছে।

আরও পড়ুনঃ  হাসপাতালের দালালচক্রের বিরুদ্ধে আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হবে: প্রতিমন্ত্রী

 

নির্বাচন প্রসঙ্গে এক প্রশ্নের জবাবে পরিবেশ উপদেষ্টা বলেন, আসলে একটা সিদ্ধান্ত চূড়ান্তভাবেই হয়েছে যে, সকল জাতীয় নির্বাচনই নির্দলীয় সরকারের অধীনে হবে। তত্ত্বাবধায়ক সরকার ব্যবস্থা আদালতের নির্দেশে ফিরেছে এবং সেখানে বলাই আছে পরের নির্বাচনগুলো ওই সরকারের অধীনে হবে। উপদেষ্টাদের কেউ কি নতুন মন্ত্রিসভায় থাকছেন বা থাকতে পারেন—এমন প্রশ্নের জবাবে উপদেষ্টা বলেন, আপনি খবর পেয়েছেন? এমন কোনো কিছুর খবর আমার কাছে নেই। একটা সরকার চলে যায়, আরেকটা সরকার আসে—এটাই নিয়ম। কোনো নিয়ম নেই যে, একটা সরকার চলে গেলে ওই সরকারের কিছু মন্ত্রীকে পরের সরকার নিতে হবে। এরকম তো কোনো নিয়ম নেই, এগুলো প্রশ্ন আসে কোথা থেকে? অভিজ্ঞতা কাজে লাগানোর অনেক পদ্ধতি আছে। অভিজ্ঞতা কাজে লাগাতে গেলে যে আপনাকে মন্ত্রিসভাতেই নিতে হবে, এমন কোনো কথা নেই।

Tag :
জনপ্রিয় পোস্ট

জিম্বাবুয়েকে উড়িয়ে ফাইনাল নিশ্চিত দক্ষিণ আফ্রিকার

নতুন সরকারের সহায়তার প্রয়োজন হলে অবশ্যই করব: রিজওয়ানা

আপডেটের সময়: ০৭:২৫:৪৩ অপরাহ্ন, রবিবার, ১৫ ফেব্রুয়ারী ২০২৬

নিজস্ব প্রতিবেদকঃ নতুন সরকারের সহায়তার প্রয়োজন হলে অবশ্যই করব নতুন সরকারের কোন কাজের ক্ষেত্রে যদি কোন রকমের সহায়তার প্রয়োজন হয়, আমরা অবশ্যই সে সহযোগিতা করব বলে জানিয়েছেন পরিবেশ উপদেষ্টা সৈয়দা রিজওয়ানা হাসান। তিনি বলেন, নতুন সরকারের শপথের আগপর্যন্ত উপদেষ্টারা সরকারি দায়িত্ব পালন করবেন। নতুন সরকারের শপথ অনুষ্ঠানে সরকারের পক্ষ থেকে শুধু সার্কভুক্ত দেশগুলোর প্রতিনিধিদের দাওয়াত দেওয়া হয়েছে বলেও জানান তিনি। আজ রোববার দুপুরে সচিবালয়ে সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে উপদেষ্টা এসব কথা বলেন। পরিবেশ উপদেষ্টা বলেন, নির্বাচিত সংসদ সদস্যদের শপথ অনুষ্ঠানে কোনো উপদেষ্টা থাকবেন না। তবে মন্ত্রীদের শপথ অনুষ্ঠানে উপদেষ্টারা উপস্থিত থাকবেন। নতুন সরকারের শপথের আগপর্যন্ত উপদেষ্টারা সরকারি দায়িত্ব পালন করবেন। নতুন সরকারের শপথ অনুষ্ঠানে সরকারের পক্ষ থেকে শুধু সার্কভুক্ত দেশগুলোর প্রতিনিধিদের দাওয়াত দেওয়া হয়েছে।

এর বাইরে আর কোনো কিছু সরকারি পর্যায়ে নেই। আর নির্বাচিত রাজনৈতিক দলের চাওয়াতেই শপথ অনুষ্ঠান বঙ্গভবনের বদলে সংসদ ভবনের দক্ষিণ প্লাজায় আয়োজন করা হচ্ছে বলেও জানান তিনি। সার্কভুক্ত দেশের যেসব অতিথি আসবেন তাদের আমন্ত্রণ কি বর্তমান অন্তর্বর্তী সরকার করেছে, নাকি নির্বাচনে বিজয়ী দল করবে—এমন প্রশ্নের জবাবে পরিবেশ উপদেষ্টা বলেন, এটা ফরেন মিনিস্ট্রি থেকে করা হবে। আসলে এটা যেই দল বিজয়ী হয়েছে তাদের সাথে আলোচনাক্রমেই এই আয়োজনটা করা হয়েছে। তারা যেভাবে চেয়েছেন, আমরা সেভাবেই ফ্যাসিলিটি দেব। অনেক মানুষের কথা ওনারা বলবেন। তবে আমরা পত্র-পত্রিকায় যা দেখেছি, হাজারখানেকের মতো হয়তোবা।

আরও পড়ুনঃ  বাংলাদেশ-ভারত সম্পর্ক আরও জোরদারের আশাবাদ: এলজিআরডি মন্ত্রীর

নতুন মন্ত্রী যারা আসছেন তাদের আগাম শুভেচ্ছা জানিয়ে সৈয়দা রিজওয়ানা হাসান বলেন, তারা আমাদের কাছে কোনো সহযোগিতা চাইলে সেটি করতে প্রস্তুত আছি। দুর্যোগময় মুহূর্তে আমাদের দেশের হাল ধরতে বলা হয়েছিল। আমরা দায়িত্ব নিয়ে যথাযথভাবে পালনের চেষ্টা করেছি। মানুষ আমাদের কাজের মূল্যায়ন করবে আশা করি। ফয়েজ আহমদ তৈয়্যব চলে গেছেন, ওনার যাওয়া নিয়ে অনেকেই বলছেন যে, গত কয়েক মাস থেকে আপনাদের ‘সেফ এক্সিট’ নিয়ে নানা প্রশ্ন শুনতে হয়েছে। আসলে উপদেষ্টাদের কেউ কি সেফ এক্সিট নিচ্ছেন কি না—এমন প্রশ্নের জবাবে উপদেষ্টা বলেন, ফয়েজ আহমদ তৈয়্যব সাহেব চলে গেলেন মানেটা কি? এটা বলার আগে বলতে হবে ফয়েজ সাহেব দেশে এসেছিলেন। ওতো দেশে থাকতো না। ওতো কাজ করত নেদারল্যান্ডসে। ওইখানেই ওর পরিবার, ওখানেই ওর সংসার। দেড়টা বছর ওর পরিবার থেকে আলাদা থেকে রাষ্ট্রের এই দায়িত্বটা পালন করেছে। এখন রাষ্ট্রের দায়িত্ব শেষ হয়েছে। সে তার পরিবারের কাছে ফেরত গেছে। এখন এইটাকে যদি আপনি ভিন্নভাবে উপস্থাপন করতে চান করতে পারেন।

আরও পড়ুনঃ  সরকারের ছয় মাসের গতিশীল পদক্ষেপে কাজের গতি বহুগুণ বৃদ্ধি পেয়েছে : সেতুমন্ত্রী

রিজওয়ানা হাসান আরও বলেন, ফয়েজ সাহেবের পরিবার এই দেড়টা বছর বিদেশেই আছে। কারণ ওরা তো ওখানেই সেটেল, ওই কাজটা ছেড়ে দিয়ে এখানে এসে রাষ্ট্রের দায়িত্বটা পালন করে গেছে। ও যে এই টেলিযোগাযোগ সেক্টরের রিফর্মগুলো করেছে, এগুলো অনেকের পছন্দ হয়নি। তারা এই কথাগুলো বলছে, গোপনে চলে গেছে। তিনি বলেন, তাহলে কোন উপদেষ্টা, যদি আমাদের দায়িত্বের পরে আমরা বিদেশে যাই বা আমি চলে যাব বিলাতে। সেখানে আমার অলরেডি একটা ইনভাইটেশন আছে এপ্রিল না মে মাসে, আমার সেটাও মনে নাই। আমি সেখানে যাব। আর আমি কি এটা ঘোষণা দিয়ে যাব যে, ভাই আমি অত তারিখে অমুক মিটিংয়ের জন্য অমুক দেশে যাচ্ছি, এটা তো কেউ ঘোষণা দেবে না। এগুলো হচ্ছে কি? দেশে একটা গ্রুপ আছে, যেটা সবকিছুতেই একটা নাটকীয়তা। একটা উত্তেজনা তৈরির চেষ্টায় থাকে। এটা তারই প্রয়াস। এটার সাথে বাস্তবতার কোনো সম্পর্কই নেই। বরং আমাদের অ্যাপ্রিশিয়েট করা উচিত ছিল যে দেড় বছর সে তার পরিবারকে রেখে এসে দেশের জন্য কাজ করেছে।

আরও পড়ুনঃ  হাসপাতালের দালালচক্রের বিরুদ্ধে আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হবে: প্রতিমন্ত্রী

 

নির্বাচন প্রসঙ্গে এক প্রশ্নের জবাবে পরিবেশ উপদেষ্টা বলেন, আসলে একটা সিদ্ধান্ত চূড়ান্তভাবেই হয়েছে যে, সকল জাতীয় নির্বাচনই নির্দলীয় সরকারের অধীনে হবে। তত্ত্বাবধায়ক সরকার ব্যবস্থা আদালতের নির্দেশে ফিরেছে এবং সেখানে বলাই আছে পরের নির্বাচনগুলো ওই সরকারের অধীনে হবে। উপদেষ্টাদের কেউ কি নতুন মন্ত্রিসভায় থাকছেন বা থাকতে পারেন—এমন প্রশ্নের জবাবে উপদেষ্টা বলেন, আপনি খবর পেয়েছেন? এমন কোনো কিছুর খবর আমার কাছে নেই। একটা সরকার চলে যায়, আরেকটা সরকার আসে—এটাই নিয়ম। কোনো নিয়ম নেই যে, একটা সরকার চলে গেলে ওই সরকারের কিছু মন্ত্রীকে পরের সরকার নিতে হবে। এরকম তো কোনো নিয়ম নেই, এগুলো প্রশ্ন আসে কোথা থেকে? অভিজ্ঞতা কাজে লাগানোর অনেক পদ্ধতি আছে। অভিজ্ঞতা কাজে লাগাতে গেলে যে আপনাকে মন্ত্রিসভাতেই নিতে হবে, এমন কোনো কথা নেই।