Dhaka ০৫:৫১ অপরাহ্ন, সোমবার, ২৭ জুলাই ২০২৬, ১২ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনামঃ
সংকটে মুমূর্ষু হাসপাতাল পাবনা মানসিক হাসপাতালের হারিয়ে যাচ্ছে জাতীয় পাখি দোয়েল এসএসসি ও সমমানের পরীক্ষার ফল প্রকাশ ১০ আগস্ট যুক্তরাষ্ট্র নিজেদের ‘ইচ্ছেমতো’ যুদ্ধ থামাতে পারবে না: ইরান বর্তমান সরকারের সময়ে সাংবাদিকরা চাপমুক্ত পরিবেশে কাজ করছেন: তথ্য ও সম্প্রচারমন্ত্রী শেখ হাসিনা-আজিজ-বেনজীরসহ ৪১ জনের বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা রাঙ্গুনিয়ার বীর মুক্তিযোদ্ধা ও সাবেক উপজেলা কমান্ডার সালেহ আহমদের মৃত্যুতে শোকের ছায়া ফরিদপুর মধুখালী উপজেলাতে ১০৩ পিঢ ইয়াবাসহ স্বামী-স্ত্রী গ্রেপ্তার ফরিদপুরের বোয়ালমারীতে ইউনিয়ন ভূমি উপসহকারী কর্মকর্তা সাময়িক বরখাস্ত তারাগঞ্জ আরডিএ পরিদর্শনে স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রী মির্জা ফখরুল

শিশুর ভুমিষ্ট হয়েই কাান্না করা অত্যান্ত জরুরি।

হেলাল, পত্নীতলা উপজেলা প্রতিনিধিঃ

শিশু৷ জন্ম হওয়ার সঙ্গে সঙ্গে কান্নাটা অত্যান্ত জরুরি, শিশু না কান্না করা এবং দুর্বল ভাবে কান্না করা তবে বুঝতে হবে, তার ফুসফুসে পরিমিত বাতাস বা অক্সিজেন প্রবেশ করেনি।

শিশু জন্মের পরপরই কান্নার আগে কাঁদতে শুরু করে। এ কান্না শুনে লেবার রুমে অথবা শিশু যে ঘরে জন্মগ্রহণ করে ভেতরের বাহিরে অপেক্ষমান সবাই খুশি হয়।এ কান্না বিরক্তের কান্না নয়, এ কান্না প্রমাণ করে শিশু সঠিকভাবে শ্বাস-প্রশ্বাস নিতে পেরেছে, এবং স্বাভাবিক সুস্থ শিশু জন্ম হয়েছে। শিশু মাতৃগর্ভে অবস্থান কালে মায়ের দেহ থেকে পরিমিত অক্সিজেন পেতো। শিশুর জন্মের পরপরই দেহের সাথে সব ধরনের সংযোগ পৃথক হয়ে যায়, ফলে তার দেহের সবারহকৃত অক্সিজেন বন্ধ হয়ে যায় । এ মুহূর্তে তার শরীরে অক্সিজেন সরবরাহ জরুরি হয়ে পড়ে, তাই শিশুকে কান্নার মাধ্যমে ফুসফুসে বাতাস ভরে নিতে হয় ফলে সে অক্সিজেন পায়।

আরও পড়ুনঃ  কেরানীগঞ্জের বুড়িগঙ্গা নদীতে অজ্ঞাতপরিচয়ের লাশ ভেসে ওঠেছে, উদ্ধারের চেষ্টা চালাচ্ছে প্রশাসন

শিশু যদি জন্মের পরে কয়েক মিনিটের মধ্যে কান্না না করে, বা দুর্বলভাবে কান্না করে তবে বুঝতে হবে তার ফুসফুসে পরিমিত বাতাস বা অক্সিজেন অভাব হয় এবং তার মস্তিষ্ক যে পরিমাণ অক্সিজেন পাওয়ার কথা তা না পাওয়ায় তার মস্তিষ্কে কিছু পরিবর্তন ঘটে। শিশুর মস্তিষ্কের কোষগুলো অত্যন্ত সংবেদনশীল হওয়ায় অক্সিজেনের অভাবে শিশুর খিচুনি হতে পারে। তার মস্তিষ্কে অক্সিজেন সরবরাহ বিলম্ব হলে (পাঁচ মিনিটের বেশি) শিশুর মস্তিষ্কে চিরদিনের জন্য ক্ষতি হতে পারে। শিশু দীর্ঘ মিয়াদি মানসিক বা দৈহিক প্রতিবন্ধী হতে পারে বা হওয়ার আশঙ্কা থেকে যায়। জন্মের পরপরই আপনার শিশু না কাঁদলে বা দুর্বলভাবে কাঁদলে যত শিগরি নিকটস্থ হাসপাতালে নিয়ে যাবেন।

আরও পড়ুনঃ  বদলগাছীতে ক্ষুদ্র নৃ-গোষ্ঠীর শিক্ষার্থী ও নারীদের মাঝে উন্নয়ন সহায়তা বিতরণ

ইহা প্রতিরোধের উপায়ঃ-
# বাচ্চা কনসেপ্ট করলে কোন অভিজ্ঞ গাইনি ডাক্তারের পরামর্শে চলা বা প্রয়োজনীয় ওষুধ পত্র সেবন করা ফলাপ করে চলা।

আরও পড়ুনঃ  সুন্দরবন রক্ষায় সবাইকে দায়িত্বশীল হওয়ার আহ্বান জানিয়েছেন প্রতিমন্ত্রী

# প্রসূতির প্রসব বেদনা উঠলে সঙ্গে সঙ্গে অভিজ্ঞ ধাই অথবা নিকটস্থ উপজেলা বা জেলা সদর হাসপাতালে লেবার করানো।

# কোন কারনে প্রসতির প্রসব বেদনা প্রথম অবস্থায় আট ঘন্টা পার হওয়া মাত্রই, সিজারেনিয়ার জন্য প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া বা ইনডিউসড করা।

পরিশেষে একথা বলতেই হয় যে একটি অসুস্থ বাচ্চা একটি পরিবারের সারা জীবনের কান্না, তথা দেশের জন্য বোঝা স্বরূপ। তাই সবাইকে নরমাল লেবার বা প্রসূতির প্রসবের সময় যথা সতর্ক অবস্থানে থেকে সঠিক সিদ্ধান্ত নেওয়া অত্যন্ত জরুরী।

Tag :
জনপ্রিয় পোস্ট

সংকটে মুমূর্ষু হাসপাতাল পাবনা মানসিক হাসপাতালের

শিশুর ভুমিষ্ট হয়েই কাান্না করা অত্যান্ত জরুরি।

আপডেটের সময়: ০৯:২৫:৩১ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ১৮ মে ২০২৬

হেলাল, পত্নীতলা উপজেলা প্রতিনিধিঃ

শিশু৷ জন্ম হওয়ার সঙ্গে সঙ্গে কান্নাটা অত্যান্ত জরুরি, শিশু না কান্না করা এবং দুর্বল ভাবে কান্না করা তবে বুঝতে হবে, তার ফুসফুসে পরিমিত বাতাস বা অক্সিজেন প্রবেশ করেনি।

শিশু জন্মের পরপরই কান্নার আগে কাঁদতে শুরু করে। এ কান্না শুনে লেবার রুমে অথবা শিশু যে ঘরে জন্মগ্রহণ করে ভেতরের বাহিরে অপেক্ষমান সবাই খুশি হয়।এ কান্না বিরক্তের কান্না নয়, এ কান্না প্রমাণ করে শিশু সঠিকভাবে শ্বাস-প্রশ্বাস নিতে পেরেছে, এবং স্বাভাবিক সুস্থ শিশু জন্ম হয়েছে। শিশু মাতৃগর্ভে অবস্থান কালে মায়ের দেহ থেকে পরিমিত অক্সিজেন পেতো। শিশুর জন্মের পরপরই দেহের সাথে সব ধরনের সংযোগ পৃথক হয়ে যায়, ফলে তার দেহের সবারহকৃত অক্সিজেন বন্ধ হয়ে যায় । এ মুহূর্তে তার শরীরে অক্সিজেন সরবরাহ জরুরি হয়ে পড়ে, তাই শিশুকে কান্নার মাধ্যমে ফুসফুসে বাতাস ভরে নিতে হয় ফলে সে অক্সিজেন পায়।

আরও পড়ুনঃ  নিখোঁজের কয়েক ঘণ্টার মধ্যেই কামারখালী টোল প্লাজা এলাকা  থেকে শিশুকে উদ্ধার

শিশু যদি জন্মের পরে কয়েক মিনিটের মধ্যে কান্না না করে, বা দুর্বলভাবে কান্না করে তবে বুঝতে হবে তার ফুসফুসে পরিমিত বাতাস বা অক্সিজেন অভাব হয় এবং তার মস্তিষ্ক যে পরিমাণ অক্সিজেন পাওয়ার কথা তা না পাওয়ায় তার মস্তিষ্কে কিছু পরিবর্তন ঘটে। শিশুর মস্তিষ্কের কোষগুলো অত্যন্ত সংবেদনশীল হওয়ায় অক্সিজেনের অভাবে শিশুর খিচুনি হতে পারে। তার মস্তিষ্কে অক্সিজেন সরবরাহ বিলম্ব হলে (পাঁচ মিনিটের বেশি) শিশুর মস্তিষ্কে চিরদিনের জন্য ক্ষতি হতে পারে। শিশু দীর্ঘ মিয়াদি মানসিক বা দৈহিক প্রতিবন্ধী হতে পারে বা হওয়ার আশঙ্কা থেকে যায়। জন্মের পরপরই আপনার শিশু না কাঁদলে বা দুর্বলভাবে কাঁদলে যত শিগরি নিকটস্থ হাসপাতালে নিয়ে যাবেন।

আরও পড়ুনঃ  কাজিপুরে বেকার মহিলাদের আত্মকর্মসংস্থানে কুটির শিল্প প্রশিক্ষণ

ইহা প্রতিরোধের উপায়ঃ-
# বাচ্চা কনসেপ্ট করলে কোন অভিজ্ঞ গাইনি ডাক্তারের পরামর্শে চলা বা প্রয়োজনীয় ওষুধ পত্র সেবন করা ফলাপ করে চলা।

আরও পড়ুনঃ  দক্ষিণ কেরানীগঞ্জের আগানগরে রিকশার গ্যারেজে ভয়াবহ আগুন, পুড়ে ছাই অনেকগুলো অটো রিকশা ও টিনশেড ঘর

# প্রসূতির প্রসব বেদনা উঠলে সঙ্গে সঙ্গে অভিজ্ঞ ধাই অথবা নিকটস্থ উপজেলা বা জেলা সদর হাসপাতালে লেবার করানো।

# কোন কারনে প্রসতির প্রসব বেদনা প্রথম অবস্থায় আট ঘন্টা পার হওয়া মাত্রই, সিজারেনিয়ার জন্য প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া বা ইনডিউসড করা।

পরিশেষে একথা বলতেই হয় যে একটি অসুস্থ বাচ্চা একটি পরিবারের সারা জীবনের কান্না, তথা দেশের জন্য বোঝা স্বরূপ। তাই সবাইকে নরমাল লেবার বা প্রসূতির প্রসবের সময় যথা সতর্ক অবস্থানে থেকে সঠিক সিদ্ধান্ত নেওয়া অত্যন্ত জরুরী।