
রাব্বি রহমান, নীলফামারী জেলা প্রতিনিধি
নীলফামারীর জলঢাকায় চলাচলের রাস্তা না থাকায় মৃত্যু কুপে বসবাস দুইশ পরিবারের। সরেজমিনে গেলে জানা যায় জেলার জলঢাকা উপজেলার শিমুলবাড়ী ইউনিয়নের বাশদাহ বর্মতল পাড়ায় চলাচলের রাস্তা না থাকায় কমলমতি শিক্ষার্থীসহ মানবেতর জীবনযাপন করছে প্রায় দুইশ পরিবারের এযেন জীবন্ত মৃত্যুপুরিতে পরিনত হয়েছে বর্মতলের সনাতনী পরিবার গুলো জানতে চাইলে ভুক্তভোগীরা গণমাধ্যমকর্মীদের বলেন চলাচলের রাস্তা না প্রায় তিন যুগেরও বেশী সময় ধরে তাদের অস্বাভাবিক জীবন যাত্রা উপজেলার শেষ ইউনিয়নের শেষ সীমানা হওয়ায়,খুব একটা নজরে পরেনা কতৃপক্ষের দেওনাই চাড়ালকাটা নদীর বুক চেরা এলাকাটির পূর্বে বাংলার পুকুর বাজার জলঢাকা ও পশ্চিমে বসুনিয়ারডাঙ্গা লক্ষিচাপ নীলফামারী সদর বিভিন্ন সময়ে নির্বাচনী মৌশুমে ভোটে অংশ নেয়া প্রার্থীদের নানা প্রতিশ্রুতি থাকলেও বাস্তবে চোখেমূখে হতাশা আর ক্ষোভ নিয়ে বেচে কোনমত বেঁচে আছেন তারা স্থানীয়দের সহযোগিতায় একাধিক বার মালিকানা জমি দিয়ে রাস্তা নির্মাণের উদ্যোগ গ্রহণ করলেও এখনো সফলতার মূখ দেখিনি কেউই সেখানে প্রায় আঠারো থেকে বিশজনের মতো জমির মালিক রয়েছে সেখানে
প্রতিনিয়ত নরবরে এক বাঁশের সাঁকো দিয়ে ঝুঁকিপূর্ণ ভাবে চলাচলের ভয়ে ঝুঁকি এড়াতে গত এগারো জুলাই এলাকাবাসী ও জমির মালিকদের সহযোগিতায় আবারো প্রায় এক কিলোমিটার রাস্তার কাজ শুরু করেন ভুক্তভোগীরা।
এবিষয়ে ইউপি সদস্য সুবাস রায় বলেন সকলের প্রচেষ্টায় এই অবহেলিত জনগোষ্ঠীর চলাচলের রাস্তা নির্মাণের উদ্যোগ গ্রহণ অবশ্যই একটি মানবিক ও প্রশংসনীয় কাজ সে কাজে আস্তে পেরে আমিও আনন্দিত, এছাড়াও উজানের পানি নিস্কাশনের জন্য ইউনিয়ন পরিষদের বরাদ্দে একটি কালভার্ট নির্মানেরো আস্বাস তেন তিনি।
জানতে চাইলে জলঢাকা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ইউএনও জান্নাতুল ফেরদৌস হ্যাপী একাত্তর সংবাদ অনলাইন কে বলেন, একসাথে এতোগুলো পরিবারের দুর্ভোগ নিরসনে পাশে থাকবে উপজেলা প্রাশাসন।
প্রতিবেদকের নাম 



















