Dhaka ০৪:০০ অপরাহ্ন, রবিবার, ২৬ জুলাই ২০২৬, ১১ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনামঃ
চট্টগ্রামে সীতাকুণ্ডে গণপিটুনিতে মাদক ব্যবসায়ী নিহত দক্ষতা-সততার ভিত্তিতে সেনাবাহিনীতে পদোন্নতির নির্দেশনা প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সুন্দরগঞ্জের চরাঞ্চলের উন্নয়ন নিয়ে অ্যাডভোকেসি সভা ঈশ্বরদীতে সিএনজিতে অভিযান: ৭ কেজি গাঁজাসহ মাদক ব্যবসায়ী গ্রেপ্তার দক্ষিণ কেরানীগঞ্জের আগানগরে রিকশার গ্যারেজে ভয়াবহ আগুন, পুড়ে ছাই অনেকগুলো অটো রিকশা ও টিনশেড ঘর ফরিদপুরে বাংলাদেশ হরিজন ঐক্য পরিষদের ২৯তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী পালিত ঘুকসির বিলের অপরূপ নীল জলাভূমিতে প্রকৃতির টানে দর্শনার্থীদের ঢল কেরানীগঞ্জে বুড়িগঙ্গা নদীতে গোসল করতে নেমে কিশোরের মর্মান্তিক মৃত্যু প্রধানমন্ত্রীর বৃক্ষরোপণ কর্মসূচির, মাগুরায় ১০ হাজার গাছের চারা রোপণের উদ্বোধন চট্টগ্রাম প্রেস ক্লাবে সিএমপি কমিশনারের সাথে সাংবাদিকদের মতবিনিময়

সিরাজগঞ্জের বেলকুচিতে উপজেলা শিক্ষা অফিসারদের দ্বায়িত্বহীনতায় ধ্বংসের পথে প্রাথমিক বিদ্যালয়গুলো

ইয়ামিন হোসাইন : সিরাজগঞ্জ প্রতিনিধি: সিরাজগঞ্জের বেলকুচি উপজেলার একাধিক সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে নির্ধারিত সময়ের আগেই পাঠদান কার্যক্রম বন্ধ করে দেওয়ার অভিযোগ উঠেছে। সরকারি নিয়ম অনুযায়ী শিক্ষক-শিক্ষিকাদের সকাল ৯টা থেকে বিকেল ৪টা ১৫ মিনিট পর্যন্ত বিদ্যালয়ে উপস্থিত থাকার কথা থাকলেও বাস্তবে দুপুর গড়াতেই অনেককে বিদ্যালয় ত্যাগে ব্যস্ত হয়ে পড়তে দেখা যাচ্ছে। বৃহস্পতিবার (১৪ মে ২০২৬) সরেজমিনে গিয়ে দেখা যায়, বেলকুচি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় দুপুর ২টা ৩৮ মিনিটে, দিঘুলিয়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় ২টা ৪৮ মিনিটে এবং বেলকুচি পূর্বপাড়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় ৩টা ১০ মিনিটে বন্ধ করে শিক্ষক-শিক্ষিকারা মূল ফটকে তালা ঝুলিয়ে বিদ্যালয় ত্যাগ করেন। স্থানীয়দের সঙ্গে কথা বলে জানা যায়, এসব বিদ্যালয়ে প্রায়ই নির্ধারিত সময়ের আগেই পাঠদান কার্যক্রম শেষ করে শিক্ষকরা বাড়ি চলে যান। এলাকাবাসীর অভিযোগ, দীর্ঘদিন ধরেই এমন অনিয়ম চলে আসছে। দুপুরে নামাজের পরপরই অনেক শিক্ষক বিদ্যালয় ত্যাগ করেন বলেও অভিযোগ করেন তারা। একজন স্থানীয় অভিভাবক বলেন, “সরকারি নিয়ম অনুযায়ী বিদ্যালয় পরিচালিত না হওয়ায় শিক্ষার্থীরা ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে। শিক্ষকরা কখন আসেন, কখন যান—তা আমরা ঠিকমতো জানি না। তবে দুপুরের পর থেকেই বিদ্যালয় বন্ধ দেখতে পাই।

আরও পড়ুনঃ  মনপুরায় লোকালয়ে ঢোকা চিত্রা হরিণ উদ্ধার, বনাঞ্চলে অবমুক্ত

 

একজন মাদ্রাসা শিক্ষার্থী জানায়, “আমি আগে প্রাথমিক বিদ্যালয়ে পড়তাম। কিন্তু ঠিকমতো ক্লাস না হওয়ায় এখন মাদ্রাসায় পড়ি। অভিভাবক ও সচেতন মহলের অভিযোগ, বিদ্যালয়ে নিয়মিত পাঠদান না হওয়ায় শিক্ষার্থীদের লেখাপড়ায় নেতিবাচক প্রভাব পড়ছে। তারা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়গুলোতে নিয়মিত তদারকি জোরদারের দাবি জানিয়েছেন, যাতে শিক্ষার সুষ্ঠু পরিবেশ নিশ্চিত করা যায়। এ বিষয়ে বেলকুচি উপজেলা সহকারী শিক্ষা অফিসার মোঃ রফিকুল ইসলামের সঙ্গে মুঠোফোনে যোগাযোগ করা হলে তিনি বলেন, “আমি এখনই শিক্ষকদের সঙ্গে কথা বলবো এবং বিষয়টি তদন্ত করে খুব দ্রুত প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।” স্থানীয় সচেতন মহল মনে করছে, সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়গুলোতে নিয়মিত মনিটরিং বাড়ানো হলে এমন অনিয়ম অনেকটাই কমে আসবে এবং শিক্ষার্থীরা সঠিকভাবে পাঠদান সুবিধা পাবে।

আরও পড়ুনঃ  লামায় সরকারি বমু রিজার্ভ গিলছেন আ’লীগ নেত্রী, অবৈধ স্থাপনা নির্মাণে ক্ষুব্ধ এলাকাবাসী
Tag :
জনপ্রিয় পোস্ট

চট্টগ্রামে সীতাকুণ্ডে গণপিটুনিতে মাদক ব্যবসায়ী নিহত

সিরাজগঞ্জের বেলকুচিতে উপজেলা শিক্ষা অফিসারদের দ্বায়িত্বহীনতায় ধ্বংসের পথে প্রাথমিক বিদ্যালয়গুলো

আপডেটের সময়: ০৩:৩০:৪০ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ১৫ মে ২০২৬

ইয়ামিন হোসাইন : সিরাজগঞ্জ প্রতিনিধি: সিরাজগঞ্জের বেলকুচি উপজেলার একাধিক সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে নির্ধারিত সময়ের আগেই পাঠদান কার্যক্রম বন্ধ করে দেওয়ার অভিযোগ উঠেছে। সরকারি নিয়ম অনুযায়ী শিক্ষক-শিক্ষিকাদের সকাল ৯টা থেকে বিকেল ৪টা ১৫ মিনিট পর্যন্ত বিদ্যালয়ে উপস্থিত থাকার কথা থাকলেও বাস্তবে দুপুর গড়াতেই অনেককে বিদ্যালয় ত্যাগে ব্যস্ত হয়ে পড়তে দেখা যাচ্ছে। বৃহস্পতিবার (১৪ মে ২০২৬) সরেজমিনে গিয়ে দেখা যায়, বেলকুচি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় দুপুর ২টা ৩৮ মিনিটে, দিঘুলিয়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় ২টা ৪৮ মিনিটে এবং বেলকুচি পূর্বপাড়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় ৩টা ১০ মিনিটে বন্ধ করে শিক্ষক-শিক্ষিকারা মূল ফটকে তালা ঝুলিয়ে বিদ্যালয় ত্যাগ করেন। স্থানীয়দের সঙ্গে কথা বলে জানা যায়, এসব বিদ্যালয়ে প্রায়ই নির্ধারিত সময়ের আগেই পাঠদান কার্যক্রম শেষ করে শিক্ষকরা বাড়ি চলে যান। এলাকাবাসীর অভিযোগ, দীর্ঘদিন ধরেই এমন অনিয়ম চলে আসছে। দুপুরে নামাজের পরপরই অনেক শিক্ষক বিদ্যালয় ত্যাগ করেন বলেও অভিযোগ করেন তারা। একজন স্থানীয় অভিভাবক বলেন, “সরকারি নিয়ম অনুযায়ী বিদ্যালয় পরিচালিত না হওয়ায় শিক্ষার্থীরা ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে। শিক্ষকরা কখন আসেন, কখন যান—তা আমরা ঠিকমতো জানি না। তবে দুপুরের পর থেকেই বিদ্যালয় বন্ধ দেখতে পাই।

আরও পড়ুনঃ  মনপুরায় লোকালয়ে ঢোকা চিত্রা হরিণ উদ্ধার, বনাঞ্চলে অবমুক্ত

 

একজন মাদ্রাসা শিক্ষার্থী জানায়, “আমি আগে প্রাথমিক বিদ্যালয়ে পড়তাম। কিন্তু ঠিকমতো ক্লাস না হওয়ায় এখন মাদ্রাসায় পড়ি। অভিভাবক ও সচেতন মহলের অভিযোগ, বিদ্যালয়ে নিয়মিত পাঠদান না হওয়ায় শিক্ষার্থীদের লেখাপড়ায় নেতিবাচক প্রভাব পড়ছে। তারা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়গুলোতে নিয়মিত তদারকি জোরদারের দাবি জানিয়েছেন, যাতে শিক্ষার সুষ্ঠু পরিবেশ নিশ্চিত করা যায়। এ বিষয়ে বেলকুচি উপজেলা সহকারী শিক্ষা অফিসার মোঃ রফিকুল ইসলামের সঙ্গে মুঠোফোনে যোগাযোগ করা হলে তিনি বলেন, “আমি এখনই শিক্ষকদের সঙ্গে কথা বলবো এবং বিষয়টি তদন্ত করে খুব দ্রুত প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।” স্থানীয় সচেতন মহল মনে করছে, সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়গুলোতে নিয়মিত মনিটরিং বাড়ানো হলে এমন অনিয়ম অনেকটাই কমে আসবে এবং শিক্ষার্থীরা সঠিকভাবে পাঠদান সুবিধা পাবে।

আরও পড়ুনঃ  ঘুকসির বিলের অপরূপ নীল জলাভূমিতে প্রকৃতির টানে দর্শনার্থীদের ঢল