Dhaka ০৮:৪৩ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ২৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১০ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনামঃ
তারাগঞ্জে মানসিক ভারসাম্যহীন নারীকে উদ্ধার করে ‘গ্লোরি’র আশ্রয়ে পাঠালেন যুবদল নেতারা ফরিদগঞ্জে সুবিদপুর ওল্ড স্কীম দাখিল মাদ্রাসা অভিভাবক সমাবেশ ও সংবর্ধনা অনুষ্ঠিত বিদ্যুৎ গেলেই অন্ধকারে কুলাউড়া৫০ শয্যা হাসপাতাল ফরিদগঞ্জে ইউএনও সেটু কুমার বড়ুয়ার বদলি জনিত বিদায় সংবর্ধনা উলিপুর সরকারি কলেজে নবীন বরণ অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত নবগঠিত সিলেট জেলা যুবদল কমিটিকে স্বাগত জানিয়ে জৈন্তাপুরে আনন্দ মিছিল শরীয়তপুর জেলা যুবদলের নবগঠিত কমিটির বর্ণাঢ্য র‍্যালি ও আনন্দ মিছিল চৌরাট শিবপুর বরেন্দ্র ডিগ্রী কলেজ ও বিশ্ববিদ্যালয়ে নবীন বরণ সুবর্ণচরে ইসলামী ব্যাংক গ্রাহক ফোরামের বিক্ষোভ সমাবেশ ৬ দফা দাবিতে গ্রাহকদের বিক্ষোভ লালপুর ডিগ্রি কলেজে এইচএসসি ২০২৬-২৭ শিক্ষাবর্ষের উদ্বোধনী ক্লাস অনুষ্ঠিত

সালনায় শতবর্ষী ঝুঁকিপূর্ণ মহুয়াগাছ অপসারণ, স্বস্তিতে এলাকাবাসী

  • প্রতিবেদকের নাম
  • আপডেটের সময়: ০৭:২৪:১৮ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২২ সেপ্টেম্বর ২০২৬
  • ৭৯ সময় দেখুন

গাজীপুর প্রতিনিধি: গাজীপুর সদর থানার ১৯ নম্বর ওয়ার্ডের সালনা মহুয়া মহুয়াগাছতলা তিন রাস্তার মোড়ে নাসির উদ্দিন স্কুল অ্যান্ড কলেজের পাশে দীর্ঘদিন ধরে ঝুঁকিপূর্ণ অবস্থায় থাকা প্রায় শতবর্ষী একটি গাছের ডালপালা ও গাছের অংশবিশেষ অপসারণ করা হয়েছে। মঙ্গলবার (২২ সেপ্টেম্বর) বিকেল ৫টার দিকে স্থানীয়দের উপস্থিতিতে এ কাজ সম্পন্ন করা হয়। স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, ঐতিহ্যবাহী মহুয়াগাছতলা এলাকায় থাকা পুরোনো গাছটির বিভিন্ন ডালপালা দীর্ঘদিন ধরে পচে ও দুর্বল হয়ে পড়েছিল। ফলে সড়ক দিয়ে চলাচলকারী পথচারী, অটোরিকশাচালক, ব্যবসায়ী এবং নাসির উদ্দিন স্কুল অ্যান্ড কলেজের শিক্ষার্থীসহ স্থানীয়দের মধ্যে আতঙ্ক তৈরি হয়েছিল।

আরও পড়ুনঃ  বিদ্যুৎ গেলেই অন্ধকারে কুলাউড়া৫০ শয্যা হাসপাতাল

স্থানীয়দের দাবি, কয়েকদিন আগে গাছের একটি ডাল পড়ে এক অটোরিকশাচালক মাথায় গুরুতর আঘাত পান। এছাড়া গাছটির নিচে কয়েকজন দোকানি ও ব্যবসায়ী দীর্ঘদিন ধরে ব্যবসা করে আসছিলেন। পচা ও ঝুঁকিপূর্ণ ডালপালা তাদের দোকান ও মাথার ওপর পড়ে দুর্ঘটনা ঘটার আশঙ্কা ছিল। স্কুল-কলেজের শিক্ষার্থীদের চলাচলের পথের পাশে হওয়ায় বিষয়টি নিয়ে উদ্বেগ আরও বাড়ে। মঙ্গলবার বিকেলে গাজীপুর-২ আসনের সংসদ সদস্য এম এ মঞ্জুর করিম রনির নির্দেশনায় স্থানীয় নেতাকর্মী ও এলাকাবাসীর উপস্থিতিতে ঝুঁকিপূর্ণ গাছটির ডালপালা অপসারণের কাজ করা হয়। এ সময় উপস্থিত ছিলেন ১৯ নম্বর ওয়ার্ডের সাবেক কাউন্সিলর মোহাম্মদ শাহিন আলম, কাউলতিয়া ইউনিয়ন বিএনপির মোহাম্মদ জুয়েল মিয়া, কাউলতিয়া সাংগঠনিক থানা ছাত্রদলের সভাপতিপ্রার্থী মোহাম্মদ মিলন সরকার, ১৯ নম্বর ওয়ার্ড বিএনপির প্রচার সম্পাদক কাইয়ুম চৌধুরী, মোহাম্মদ মহির উদ্দিন, মোহাম্মদ মামুনসহ স্থানীয় নেতাকর্মী ও এলাকাবাসী। স্থানীয়রা জানান, দীর্ঘদিন ধরে গাছটির ঝুঁকিপূর্ণ অবস্থার কারণে অনেকেই আতঙ্কের মধ্যে ছিলেন। বিশেষ করে বৃষ্টি ও ঝোড়ো বাতাসের সময় পচা ডালপালা ভেঙে পড়ার আশঙ্কা থাকত। গাছটির আশপাশে ব্যবসা প্রতিষ্ঠান এবং শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান থাকায় দুর্ঘটনার ঝুঁকিও ছিল।
স্থানীয় বাসিন্দাদের কেউ কেউ জানান, গাছটি দীর্ঘদিনের পুরোনো হওয়ায় এর সঙ্গে এলাকার মানুষের আবেগ ও স্মৃতি জড়িয়ে রয়েছে। তবে বর্তমানে গাছটির কিছু অংশ পচে যাওয়ায় তা জননিরাপত্তার জন্য ঝুঁকিপূর্ণ হয়ে উঠেছিল। তাই সংশ্লিষ্টদের উদ্যোগে ঝুঁকিপূর্ণ অংশ অপসারণ করায় তারা স্বস্তি প্রকাশ করেছেন। গাছের ঝুঁকিপূর্ণ অংশ অপসারণের পর ওই সড়কে চলাচলকারী পথচারী, শিক্ষার্থী, অটোরিকশাচালক ও স্থানীয় ব্যবসায়ীদের মধ্যে স্বস্তি ফিরে এসেছে বলে জানান এলাকাবাসী। তবে পরিবেশবিদদের মতে, পুরোনো ও বড় গাছ অপসারণের ক্ষেত্রে পরিবেশগত বিষয় বিবেচনা করা জরুরি। ঝুঁকিপূর্ণ অংশ অপসারণের পাশাপাশি সম্ভব হলে গাছটির নিরাপদ অংশ সংরক্ষণ এবং এলাকায় নতুন গাছ লাগানোর উদ্যোগ নেওয়া প্রয়োজন। এলাকাবাসীর প্রত্যাশা, ভবিষ্যতে এমন ঝুঁকিপূর্ণ গাছ বা ডালপালা চিহ্নিত করে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ দ্রুত ব্যবস্থা নেবে, যাতে পথচারী ও শিক্ষার্থীদের নিরাপদ চলাচল নিশ্চিত করা যায়।

আরও পড়ুনঃ  আব্দুর রহমান ডিগ্রি কলেজে একাদশ শ্রেণীর নবীন বরণ ও ওরিয়েন্টেশন ক্লাস অনুষ্ঠিত
Tag :
জনপ্রিয় পোস্ট

তারাগঞ্জে মানসিক ভারসাম্যহীন নারীকে উদ্ধার করে ‘গ্লোরি’র আশ্রয়ে পাঠালেন যুবদল নেতারা

সালনায় শতবর্ষী ঝুঁকিপূর্ণ মহুয়াগাছ অপসারণ, স্বস্তিতে এলাকাবাসী

আপডেটের সময়: ০৭:২৪:১৮ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২২ সেপ্টেম্বর ২০২৬

গাজীপুর প্রতিনিধি: গাজীপুর সদর থানার ১৯ নম্বর ওয়ার্ডের সালনা মহুয়া মহুয়াগাছতলা তিন রাস্তার মোড়ে নাসির উদ্দিন স্কুল অ্যান্ড কলেজের পাশে দীর্ঘদিন ধরে ঝুঁকিপূর্ণ অবস্থায় থাকা প্রায় শতবর্ষী একটি গাছের ডালপালা ও গাছের অংশবিশেষ অপসারণ করা হয়েছে। মঙ্গলবার (২২ সেপ্টেম্বর) বিকেল ৫টার দিকে স্থানীয়দের উপস্থিতিতে এ কাজ সম্পন্ন করা হয়। স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, ঐতিহ্যবাহী মহুয়াগাছতলা এলাকায় থাকা পুরোনো গাছটির বিভিন্ন ডালপালা দীর্ঘদিন ধরে পচে ও দুর্বল হয়ে পড়েছিল। ফলে সড়ক দিয়ে চলাচলকারী পথচারী, অটোরিকশাচালক, ব্যবসায়ী এবং নাসির উদ্দিন স্কুল অ্যান্ড কলেজের শিক্ষার্থীসহ স্থানীয়দের মধ্যে আতঙ্ক তৈরি হয়েছিল।

আরও পড়ুনঃ  মির্জাপুরে আ.লীগের সাবেক সভাপতি ফালু গ্রেপ্তার

স্থানীয়দের দাবি, কয়েকদিন আগে গাছের একটি ডাল পড়ে এক অটোরিকশাচালক মাথায় গুরুতর আঘাত পান। এছাড়া গাছটির নিচে কয়েকজন দোকানি ও ব্যবসায়ী দীর্ঘদিন ধরে ব্যবসা করে আসছিলেন। পচা ও ঝুঁকিপূর্ণ ডালপালা তাদের দোকান ও মাথার ওপর পড়ে দুর্ঘটনা ঘটার আশঙ্কা ছিল। স্কুল-কলেজের শিক্ষার্থীদের চলাচলের পথের পাশে হওয়ায় বিষয়টি নিয়ে উদ্বেগ আরও বাড়ে। মঙ্গলবার বিকেলে গাজীপুর-২ আসনের সংসদ সদস্য এম এ মঞ্জুর করিম রনির নির্দেশনায় স্থানীয় নেতাকর্মী ও এলাকাবাসীর উপস্থিতিতে ঝুঁকিপূর্ণ গাছটির ডালপালা অপসারণের কাজ করা হয়। এ সময় উপস্থিত ছিলেন ১৯ নম্বর ওয়ার্ডের সাবেক কাউন্সিলর মোহাম্মদ শাহিন আলম, কাউলতিয়া ইউনিয়ন বিএনপির মোহাম্মদ জুয়েল মিয়া, কাউলতিয়া সাংগঠনিক থানা ছাত্রদলের সভাপতিপ্রার্থী মোহাম্মদ মিলন সরকার, ১৯ নম্বর ওয়ার্ড বিএনপির প্রচার সম্পাদক কাইয়ুম চৌধুরী, মোহাম্মদ মহির উদ্দিন, মোহাম্মদ মামুনসহ স্থানীয় নেতাকর্মী ও এলাকাবাসী। স্থানীয়রা জানান, দীর্ঘদিন ধরে গাছটির ঝুঁকিপূর্ণ অবস্থার কারণে অনেকেই আতঙ্কের মধ্যে ছিলেন। বিশেষ করে বৃষ্টি ও ঝোড়ো বাতাসের সময় পচা ডালপালা ভেঙে পড়ার আশঙ্কা থাকত। গাছটির আশপাশে ব্যবসা প্রতিষ্ঠান এবং শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান থাকায় দুর্ঘটনার ঝুঁকিও ছিল।
স্থানীয় বাসিন্দাদের কেউ কেউ জানান, গাছটি দীর্ঘদিনের পুরোনো হওয়ায় এর সঙ্গে এলাকার মানুষের আবেগ ও স্মৃতি জড়িয়ে রয়েছে। তবে বর্তমানে গাছটির কিছু অংশ পচে যাওয়ায় তা জননিরাপত্তার জন্য ঝুঁকিপূর্ণ হয়ে উঠেছিল। তাই সংশ্লিষ্টদের উদ্যোগে ঝুঁকিপূর্ণ অংশ অপসারণ করায় তারা স্বস্তি প্রকাশ করেছেন। গাছের ঝুঁকিপূর্ণ অংশ অপসারণের পর ওই সড়কে চলাচলকারী পথচারী, শিক্ষার্থী, অটোরিকশাচালক ও স্থানীয় ব্যবসায়ীদের মধ্যে স্বস্তি ফিরে এসেছে বলে জানান এলাকাবাসী। তবে পরিবেশবিদদের মতে, পুরোনো ও বড় গাছ অপসারণের ক্ষেত্রে পরিবেশগত বিষয় বিবেচনা করা জরুরি। ঝুঁকিপূর্ণ অংশ অপসারণের পাশাপাশি সম্ভব হলে গাছটির নিরাপদ অংশ সংরক্ষণ এবং এলাকায় নতুন গাছ লাগানোর উদ্যোগ নেওয়া প্রয়োজন। এলাকাবাসীর প্রত্যাশা, ভবিষ্যতে এমন ঝুঁকিপূর্ণ গাছ বা ডালপালা চিহ্নিত করে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ দ্রুত ব্যবস্থা নেবে, যাতে পথচারী ও শিক্ষার্থীদের নিরাপদ চলাচল নিশ্চিত করা যায়।

আরও পড়ুনঃ  ভাঙ্গুড়ায় ইট কিনার অগ্রিম ৭ লক্ষ ২৫ হাজার টাকা ফেরত না দেওয়ায় ব্যবসায়ীর নামে মামলা,গ্রেফতার (১)