
মোঃরাসেল বিশেষ প্রতিনিধি: বান্দরবানের লামা উপজেলার ৩ নং ফাঁসিয়াখালী ইউনিয়নের ৪ নং ওয়ার্ড কুমারী পুলিশ ফাঁড়ির পেছনে ফেতাইন্যাছড়া এলাকায় চলছে অবৈধ বালু উত্তোলন ও বালু পাচারের হিড়িক বেপরোয়া হয়ে উঠেছে, অবৈধ বালুখেকো সিন্ডিকেট চক্রের সদস্যরা।সরেজমিনে গিয়ে দেখে যায়,ফেতাইন্যাছড়া এলাকায় প্রকাশ্যে দিন রাত অবৈধ বালু উত্তোলন ও পাচার কার্যক্রমে ব্যস্ত সময় পার করছে রাজনৈতিক নেতাদের সএছায়ার আড়ালে থাকা বালুখেকো সিন্ডিকেট চক্র।
স্থানীয়রা জানান, কুমারী পুলিশ ফাঁড়ি যোগসাজশে ও রাজনৈতিক নেতাদের আশ্রয়-প্রশ্রয়ে অবৈধ বালু উত্তোলন এবং পাচারকারী সিন্ডিকেট চক্রের সদস্যরা দিন দিন বেপরোয়া হয়ে উঠেছে, যদি কেউ তাদের বিরুদ্ধে মুখ খুলে প্রশাসন কিংবা সাংবাদিকদের কাছে কোন অভিযোগ করে তাহলে এরা আমাদের মৃত্যুর হুমকি দিয়ে যায়। তারা আরো জানান, এই বালু উত্তোলনের ফলে আমাদের ঘর-বাড়ি ও চাষের জমি পর্যন্ত এখন ধ্বংস হওয়ার পথে রয়েছে।সচেতন সুশীল সমাজের প্রশ্ন..? কুমারী পুলিশ ফাঁড়ি প্রশাসন এবং পরিবেশ অধিদপ্তরের চেয়েও কি অধিক ক্ষমতাধারী এই অবৈধ বালু উত্তোলন ও পাচারকারি সিন্ডিকেট চক্রের সদস্যরা, নাকি প্রশাসন চোখে কালো চশমা পড়ে আছে সবকিছু দেখেও যেন না দেখার বান করে রয়েছে..!!
উল্লেখ্য যে,লামা উপজেলার ফাঁসিয়াখালী ইউনিয়নের ০৪নং ওয়ার্ডের পেতাইন্যাছড়া এলাকায় অবৈধ বালু উত্তোলনের অভিযোগের পর,অভিযান পরিচালনা করে ৬ জন বালু পাচারকারিকে ০৬ মাসের সাজা প্রদান করেছিলেন ভ্রাম্যমাণ আদালত। অভিযান পরিচালনা নেতৃত্ব দিয়েছিলেন, সহকারী কমিশনার (ভূমি) নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট রুপায়ন দেব।
লামা উপজেলা নির্বাহী অফিসার (ইউএনও) মো. মঈন উদ্দিন জানান,পরিবেশ ধ্বংসকারী ও অবৈধ বালু উত্তোলন এবং পাচারকারী সিন্ডিকেট চক্রের বিরুদ্ধে দ্রুত ব্যবস্থা নেওয়া হবে,পরিবেশ ধ্বংসকারীদের কোনো ছাড় দেওয়া হবে না।
প্রতিবেদকের নাম 



















