Dhaka ০২:০৮ অপরাহ্ন, রবিবার, ২৬ জুলাই ২০২৬, ১১ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনামঃ
দক্ষিণ কেরানীগঞ্জের আগানগরে রিকশার গ্যারেজে ভয়াবহ আগুন, পুড়ে ছাই অনেকগুলো অটো রিকশা ও টিনশেড ঘর ফরিদপুরে বাংলাদেশ হরিজন ঐক্য পরিষদের ২৯তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী পালিত ঘুকসির বিলের অপরূপ নীল জলাভূমিতে প্রকৃতির টানে দর্শনার্থীদের ঢল কেরানীগঞ্জে বুড়িগঙ্গা নদীতে গোসল করতে নেমে কিশোরের মর্মান্তিক মৃত্যু প্রধানমন্ত্রীর বৃক্ষরোপণ কর্মসূচির, মাগুরায় ১০ হাজার গাছের চারা রোপণের উদ্বোধন চট্টগ্রাম প্রেস ক্লাবে সিএমপি কমিশনারের সাথে সাংবাদিকদের মতবিনিময় পাকা রাস্তা না থাকায় চরম ভোগান্তিতে বদলা পাড়াবাসী ভোলায় মাল্টিমিডিয়া রিপোর্টার্স অ্যাসোসিয়েশনের বৃক্ষরোপণ কর্মসূচি অনুষ্ঠিত বদলগাছীতে ক্ষুদ্র নৃ-গোষ্ঠীর শিক্ষার্থী ও নারীদের মাঝে উন্নয়ন সহায়তা বিতরণ ফরিদপুরে দ্বিতীয় বর্ষ উদযাপন উপলক্ষে ছাত্রশিবিরের ‘অদম্য জুলাই’ মিছিল অনুষ্ঠিত

ঘুকসির বিলের অপরূপ নীল জলাভূমিতে প্রকৃতির টানে দর্শনার্থীদের ঢল

পত্নীতলা(নওগাঁ)প্রতিনিধি: নওগাঁ জেলার পত্নীতলা উপজেলার আমাইড় ইউনিয়ন এবং পার্শ্ববর্তী ধামাইরহাট উপজেলার আড়ানগর ইউসুফপুর ইউনিয়ন জুড়ে বিস্তৃত ঘুকসির বিল এখন প্রকৃতিপ্রেমী ও দর্শনার্থীদের কাছে এক মনো মুগ্ধকর আকর্ষণের নাম। বর্ষা মৌসুমে অর্থাৎ আষাঢ় শ্রাবণ মাসে পানিতে টইটম্বর বিশাল এই জলাভূমি যেন রূপ নেয় প্রকৃতির অপার সৌন্দর্যের নৈসর্গিক নীল জলচ্চিত্রে। বিস্তীর্ণ জলরাশি, খোলা নীল আকাশ, দিগন্ত জোড়া সবুজের সমারহ, পানির ওপর সূর্যের সোনালী ঝিলিক এবং নৌকায় ভেসে বেড়ানোর অপূর্ব অনুভূতি সব মিলিয়ে ঘুকসির বিল হয়ে উঠেছে সম্মানাময় একটি প্রাকৃতিক পর্যটনকেন্দ্র।বর্ষার শুরুতেই বিলের চারপাশে প্রাণ ফিরে আসে। দূর থেকে তাকালে মনে হয়, সবুজ প্রকৃতির বুকের ওপর বিশাল এক নীল জলরাশি ছড়িয়ে আছে। ভোরের কুয়াশা, সকালের কোমল রোদ, বিকেলের সোনালী আলো কিংবা সূর্যাস্তের রঙিন আভা প্রতিটি সময়েই ঘুকসির বিলের সৌন্দর্য যেন নতুন নতুন রুপ ধারণ করে। বিকেলে গড়িয়ে সন্ধা নামার আাগে পানির ওপর সুর্যের শেষ আলো পড়ে তৈরি করে অপরুপ দৃশ্য। সেই দৃশ্য উপভোগ করতে ছুটে আসছেন আশপাশের বিভিন্ন এলসকার মানুষ।

আরও পড়ুনঃ  ২ নং হাজির হাট ইউনিয়ন ক্ষুদ্র মৎস্যজীবী জেলে সমিতির নতুন পূর্ণাঙ্গ কমিটি গঠন

 

বিশেষ করে ছুটির দিনগুলোতে বিল পাড়ে দর্শনার্থীদের উপস্থিতি বাড়ে। পরিবার পরিজন নিয়ে ঘুরতে আসা মানুষ, তরুণ তরুণী, শিশু কিশোরসহ প্রকৃতিপ্রেমীদের পদচরণায় দুপুর হয়ে ওঠে বিলের পাড়। অনেকেই নৌকা ও স্পিড বোর্ডে ঘুরে বিস্তীর্ণ নীল জলাভূমি সৌন্দর্য উপভোগ করেন। কেউ কেউ মোবাইলে ফোনে ছবি ও ভিডিও ধারণ করে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ছড়িয়ে দিচ্ছেন। ফলে অল্প সময়ের মধ্যেই ঘুকসির বিলের সৌন্দর্য বৃহত্তর এলাকার মানুষের নজরে আসছে।স্থানীয়দের মতে, ঘুকসির বিল শুধু একটি জলাভূমি নয়, এটি এ অঞ্চলের মানুষের জীবন জীবিকা, প্রকৃতি ও জীব বৈচিত্রের সঙ্গে গভীরভাবে জড়িয়ে থাকা একটি গুরুত্বপূর্ণ প্রাকৃতিক সম্পদ। বর্ষা মৌসুমে দিলে দেশীয় বিভিন্ন প্রজাতির মাছের বিচরণ দেখা যায়। একই সঙ্গে জলস উদ্ভিদ, বিভিন্ন প্রজাতির পাখি ও অন্যান জলজ প্রাণীর উপস্থিতিও বিলের পরিবেশকে আরও সমৃদ্ধ করে তোলে। ফলে পরিকল্পিতভাবে সংরক্ষণ করা গেলে এটি একদিকে যেমন জীববৈচিত্র্যের নিরাপদ আবাসস্থল হতে পারে, অন্যদিকে তেমনি হয়ে উঠতে পারে নওগাঁ জেলার অন্যতম আকর্ষণীয় প্রাকৃতিক পর্যটন কেন্দ্র।

আরও পড়ুনঃ  বাঁশখালীর বন্যাদুর্গত মানুষের পাশে সরকার: ড. মোহাম্মদ জাকারিয়া

 

স্থানীয় একাধিক বাসিন্দা বলেন, “ঘকসির বিলের সৌন্দর্য প্রতিবছর বর্ষায় দূর দূরান্ত থেকে মানুষ আসে। কিন্তু এখানে দর্শনার্থীদের জন্য তেমন কোন সুযোগ সুবিধা নেই। একটি সুন্দর যাতায়াত ব্যবস্থা, বসার জায়গা, নিরাপদ নৌ ভ্রমণ ও পরিচ্ছন্ন পরিবেশ করা গেলে স্থানটি আরো জনপ্রিয় হয়ে উঠতে পারে।”সTচেতন মহলের প্রতিনিধিরা বলেন, পর্যটনের সম্ভাবনাকে কাজে লাগাতে গিয়ে কোনভাবেই বিলের প্রাকৃতিক পরিবেশ নষ্ট করা যাবে না। অপরিকল্পিত স্থাপনা, প্লাস্টিক বর্জ্য, পানি দূষণ কিংবা অতিরিক্ত মানুষের চাপ যেন জলাভূম জীব বৈচিত্র্যের উপর নেতিবাচক প্রভাব না ফেলে, সেদিকে নজর দিতে হবে। তাঁদের মতে, পরিবেশবান্ধব প্রযটন পরিকল্পনার মাধ্যমে ঘুকসির বিলকে উন্নত করা হলে স্থানীয় মানুষের কর্মসংস্থান সৃষ্টি এলাকার অর্থনৈতিক উন্নয়নেও ইতিবাচক ভূমিকা রাখতে পারে।

 

এ বিষয়ে প্রশাসনের পক্ষ থেকে স্থানীয় পর্যায়ে সমন্বিত উদ্যোগ নেওয়ার দাবি জানিয়েছেন এলাকাবাসী। তাঁদের প্রত্যাশা, ঘুকসির বিলের সৌন্দর্য ও জীব বৈচিত্র্য রক্ষায় একটি সুনির্দিষ্ট পরিকল্পনা গ্রহণ করা হবে। দর্শনার্থীদের জন্য নিরাপদ নৌযান, প্রযার্প্ত নিরাপত্তা, পরিছন্নতা ব্যবস্থা, যাতায়াত সুবিধা এবং পর্যটন বান্ধব অবকাঠামো গড়ে তোলা এটি নওগাঁ পত্নীতলা উপজেলায় একটি সম্ভাবনাময় পর্যটন স্পটে পরিণত হতে পারে।নওগাঁ জেলার প্রত্নতাত্ত্বিক ঐতিহাসচেতন মহলের মতে, ঘুকসির দিলের আশেপাশে প্রাকৃতিক পরিবেশ স্থানীয় ইতিহাস ঐতিহ্যকে সমন্বিতভাবে তুলে ধরা গেলে এই অঞ্চলের একটি আকর্ষণীয় পর্যটন বলয় গড়ে তোলার সুযোগ রয়েছে। তবে উন্নয়নের নামে জলাভূমি স্বাভাবিক পরিবেশ ও জীববৈচিত্র্য নষ্ট করা যাবেনা। বরং প্রকৃতিকে অক্ষুন্য রেখে স্থানীয় জনগণকে সম্পৃক্ত করে পর্যটন ব্যবস্থাপনা গড়ে তোলাই হবে সবচেয়ে কার্যকর উদ্যোগ।প্রকৃতির অপার সৌন্দর্যে ঘেরা ঘুকসির বিল তাই এখন শুধু স্থানীয় মানুষের নয়, নওগাঁ সহ আশেপাশের জেলার প্রকৃতিপ্রেমীদের কাছেও আকর্ষণের কেন্দ্র হয়ে উঠেছে। সংশ্লিষ্টদের সমন্বিত উদ্যোগ, সঠিক পরিকল্পনা পরিবেশবান্ধব ব্যবস্থাপনার মাধ্যমে এই বিস্তীর্ণ জলাভূমিকে সংরক্ষণ করা গেলে ভবিষ্যতে ঘুকসির বিল হতে পারে নওগাঁ জেলার অন্যতম নান্দনিক প্রাকৃতিক পর্যটন কেন্দ্র…. যেখানে প্রকৃতি জলাভূমি, জীব বৈচিত্র্য ও মানুষের মিলনের সৃষ্টি হবে এক অনন্য সৌন্দর্যের জগৎ।

আরও পড়ুনঃ  বন্যায় চট্টগ্রাম অঞ্চলের ২৪১ কিলোমিটার সড়ক ক্ষতিগ্রস্ত, মেরামতে ২৪৫ কোটি টাকার প্রস্তাব
Tag :
জনপ্রিয় পোস্ট

দক্ষিণ কেরানীগঞ্জের আগানগরে রিকশার গ্যারেজে ভয়াবহ আগুন, পুড়ে ছাই অনেকগুলো অটো রিকশা ও টিনশেড ঘর

ঘুকসির বিলের অপরূপ নীল জলাভূমিতে প্রকৃতির টানে দর্শনার্থীদের ঢল

আপডেটের সময়: ১১:৫৪:৪৫ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ২৬ জুলাই ২০২৬

পত্নীতলা(নওগাঁ)প্রতিনিধি: নওগাঁ জেলার পত্নীতলা উপজেলার আমাইড় ইউনিয়ন এবং পার্শ্ববর্তী ধামাইরহাট উপজেলার আড়ানগর ইউসুফপুর ইউনিয়ন জুড়ে বিস্তৃত ঘুকসির বিল এখন প্রকৃতিপ্রেমী ও দর্শনার্থীদের কাছে এক মনো মুগ্ধকর আকর্ষণের নাম। বর্ষা মৌসুমে অর্থাৎ আষাঢ় শ্রাবণ মাসে পানিতে টইটম্বর বিশাল এই জলাভূমি যেন রূপ নেয় প্রকৃতির অপার সৌন্দর্যের নৈসর্গিক নীল জলচ্চিত্রে। বিস্তীর্ণ জলরাশি, খোলা নীল আকাশ, দিগন্ত জোড়া সবুজের সমারহ, পানির ওপর সূর্যের সোনালী ঝিলিক এবং নৌকায় ভেসে বেড়ানোর অপূর্ব অনুভূতি সব মিলিয়ে ঘুকসির বিল হয়ে উঠেছে সম্মানাময় একটি প্রাকৃতিক পর্যটনকেন্দ্র।বর্ষার শুরুতেই বিলের চারপাশে প্রাণ ফিরে আসে। দূর থেকে তাকালে মনে হয়, সবুজ প্রকৃতির বুকের ওপর বিশাল এক নীল জলরাশি ছড়িয়ে আছে। ভোরের কুয়াশা, সকালের কোমল রোদ, বিকেলের সোনালী আলো কিংবা সূর্যাস্তের রঙিন আভা প্রতিটি সময়েই ঘুকসির বিলের সৌন্দর্য যেন নতুন নতুন রুপ ধারণ করে। বিকেলে গড়িয়ে সন্ধা নামার আাগে পানির ওপর সুর্যের শেষ আলো পড়ে তৈরি করে অপরুপ দৃশ্য। সেই দৃশ্য উপভোগ করতে ছুটে আসছেন আশপাশের বিভিন্ন এলসকার মানুষ।

আরও পড়ুনঃ  ভোলায় মাল্টিমিডিয়া রিপোর্টার্স অ্যাসোসিয়েশনের বৃক্ষরোপণ কর্মসূচি অনুষ্ঠিত

 

বিশেষ করে ছুটির দিনগুলোতে বিল পাড়ে দর্শনার্থীদের উপস্থিতি বাড়ে। পরিবার পরিজন নিয়ে ঘুরতে আসা মানুষ, তরুণ তরুণী, শিশু কিশোরসহ প্রকৃতিপ্রেমীদের পদচরণায় দুপুর হয়ে ওঠে বিলের পাড়। অনেকেই নৌকা ও স্পিড বোর্ডে ঘুরে বিস্তীর্ণ নীল জলাভূমি সৌন্দর্য উপভোগ করেন। কেউ কেউ মোবাইলে ফোনে ছবি ও ভিডিও ধারণ করে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ছড়িয়ে দিচ্ছেন। ফলে অল্প সময়ের মধ্যেই ঘুকসির বিলের সৌন্দর্য বৃহত্তর এলাকার মানুষের নজরে আসছে।স্থানীয়দের মতে, ঘুকসির বিল শুধু একটি জলাভূমি নয়, এটি এ অঞ্চলের মানুষের জীবন জীবিকা, প্রকৃতি ও জীব বৈচিত্রের সঙ্গে গভীরভাবে জড়িয়ে থাকা একটি গুরুত্বপূর্ণ প্রাকৃতিক সম্পদ। বর্ষা মৌসুমে দিলে দেশীয় বিভিন্ন প্রজাতির মাছের বিচরণ দেখা যায়। একই সঙ্গে জলস উদ্ভিদ, বিভিন্ন প্রজাতির পাখি ও অন্যান জলজ প্রাণীর উপস্থিতিও বিলের পরিবেশকে আরও সমৃদ্ধ করে তোলে। ফলে পরিকল্পিতভাবে সংরক্ষণ করা গেলে এটি একদিকে যেমন জীববৈচিত্র্যের নিরাপদ আবাসস্থল হতে পারে, অন্যদিকে তেমনি হয়ে উঠতে পারে নওগাঁ জেলার অন্যতম আকর্ষণীয় প্রাকৃতিক পর্যটন কেন্দ্র।

আরও পড়ুনঃ  প্রতিবন্ধী যুবককে মারধরের অভিযোগ, ভাঙ্গুড়া থানায় লিখিত অভিযোগ

 

স্থানীয় একাধিক বাসিন্দা বলেন, “ঘকসির বিলের সৌন্দর্য প্রতিবছর বর্ষায় দূর দূরান্ত থেকে মানুষ আসে। কিন্তু এখানে দর্শনার্থীদের জন্য তেমন কোন সুযোগ সুবিধা নেই। একটি সুন্দর যাতায়াত ব্যবস্থা, বসার জায়গা, নিরাপদ নৌ ভ্রমণ ও পরিচ্ছন্ন পরিবেশ করা গেলে স্থানটি আরো জনপ্রিয় হয়ে উঠতে পারে।”সTচেতন মহলের প্রতিনিধিরা বলেন, পর্যটনের সম্ভাবনাকে কাজে লাগাতে গিয়ে কোনভাবেই বিলের প্রাকৃতিক পরিবেশ নষ্ট করা যাবে না। অপরিকল্পিত স্থাপনা, প্লাস্টিক বর্জ্য, পানি দূষণ কিংবা অতিরিক্ত মানুষের চাপ যেন জলাভূম জীব বৈচিত্র্যের উপর নেতিবাচক প্রভাব না ফেলে, সেদিকে নজর দিতে হবে। তাঁদের মতে, পরিবেশবান্ধব প্রযটন পরিকল্পনার মাধ্যমে ঘুকসির বিলকে উন্নত করা হলে স্থানীয় মানুষের কর্মসংস্থান সৃষ্টি এলাকার অর্থনৈতিক উন্নয়নেও ইতিবাচক ভূমিকা রাখতে পারে।

 

এ বিষয়ে প্রশাসনের পক্ষ থেকে স্থানীয় পর্যায়ে সমন্বিত উদ্যোগ নেওয়ার দাবি জানিয়েছেন এলাকাবাসী। তাঁদের প্রত্যাশা, ঘুকসির বিলের সৌন্দর্য ও জীব বৈচিত্র্য রক্ষায় একটি সুনির্দিষ্ট পরিকল্পনা গ্রহণ করা হবে। দর্শনার্থীদের জন্য নিরাপদ নৌযান, প্রযার্প্ত নিরাপত্তা, পরিছন্নতা ব্যবস্থা, যাতায়াত সুবিধা এবং পর্যটন বান্ধব অবকাঠামো গড়ে তোলা এটি নওগাঁ পত্নীতলা উপজেলায় একটি সম্ভাবনাময় পর্যটন স্পটে পরিণত হতে পারে।নওগাঁ জেলার প্রত্নতাত্ত্বিক ঐতিহাসচেতন মহলের মতে, ঘুকসির দিলের আশেপাশে প্রাকৃতিক পরিবেশ স্থানীয় ইতিহাস ঐতিহ্যকে সমন্বিতভাবে তুলে ধরা গেলে এই অঞ্চলের একটি আকর্ষণীয় পর্যটন বলয় গড়ে তোলার সুযোগ রয়েছে। তবে উন্নয়নের নামে জলাভূমি স্বাভাবিক পরিবেশ ও জীববৈচিত্র্য নষ্ট করা যাবেনা। বরং প্রকৃতিকে অক্ষুন্য রেখে স্থানীয় জনগণকে সম্পৃক্ত করে পর্যটন ব্যবস্থাপনা গড়ে তোলাই হবে সবচেয়ে কার্যকর উদ্যোগ।প্রকৃতির অপার সৌন্দর্যে ঘেরা ঘুকসির বিল তাই এখন শুধু স্থানীয় মানুষের নয়, নওগাঁ সহ আশেপাশের জেলার প্রকৃতিপ্রেমীদের কাছেও আকর্ষণের কেন্দ্র হয়ে উঠেছে। সংশ্লিষ্টদের সমন্বিত উদ্যোগ, সঠিক পরিকল্পনা পরিবেশবান্ধব ব্যবস্থাপনার মাধ্যমে এই বিস্তীর্ণ জলাভূমিকে সংরক্ষণ করা গেলে ভবিষ্যতে ঘুকসির বিল হতে পারে নওগাঁ জেলার অন্যতম নান্দনিক প্রাকৃতিক পর্যটন কেন্দ্র…. যেখানে প্রকৃতি জলাভূমি, জীব বৈচিত্র্য ও মানুষের মিলনের সৃষ্টি হবে এক অনন্য সৌন্দর্যের জগৎ।

আরও পড়ুনঃ  পবায় দ্বীনি শিক্ষার উজ্জ্বল দৃষ্টান্ত ‘মথুরা মারকাযুল হুদা মাদ্রাসা