Dhaka ০৪:২৫ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ০৪ জুন ২০২৬, ২১ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনামঃ
পীরগঞ্জে প্রধানমন্ত্রীর বিশেষ কর্মসূচির আওতায় ৭৩ ক্ষুদ্র নৃ-গোষ্ঠী শিক্ষার্থী পেল শিক্ষাবৃত্তি বিশ্ব পরিবেশ দিবসে কার্যকরী পদক্ষেপ গ্রহণে গাইবান্ধায় মহিলা পরিষদের স্মারকলিপি প্রদান মাদারগঞ্জে গতকালের পর, আবারও আজ হিটস্ট্রোকে কৃষকের মৃত্যু….. নীলফামারীতে গ্রামপুলিশ মিনহাজুলের অনিয়ম ও দুর্নীতির অভিযোগের তদন্তে প্রশাসন পতেঙ্গায় অবৈধ টমটমের দাপট ও লক্ষ টাকার টোকেন বাণিজ্য ধোপাছড়ি শীলঘাটা উচ্চ বিদ্যালয়ের এডহক কমিটিতে সভাপতি হলেন আব্দুল মান্নান রানা অভাবের দেয়ালে বন্দি রিকশাচালকের ৩ হাজার পাতার স্বপ্ন! ক্যান্সারের সঙ্গে জীবনযুদ্ধ: অসহায় নব মুসলিম জাকারিয়ার পাশে দাঁড়ানোর আহ্বান শনির আখড়া জিয়া সরণি রুটে ময়লার স্তূপ: চরম দুর্ভোগে পথচারী ও এলাকাবাসী সমবায়কে উপেক্ষা করে পল্লী উন্নয়ন নয়: জাতীয় পল্লী উন্নয়ন দিবস কমিটিতে ইউসিসিএ সভাপতিদের বাদ দেওয়া কেন উদ্বেগজনক

এমন কিছু করা উচিত নয়, যা মুক্তিযুদ্ধের গৌরবকে খাটো করে: প্রধানমন্ত্রী

  • প্রতিবেদকের নাম
  • আপডেটের সময়: ০৮:১৩:২২ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ২৭ মার্চ ২০২৬
  • ১৩৩ সময় দেখুন

নিজস্ব প্রতিবেদকঃ আলোচনা বা গবেষণার নামে এমন কিছু করা উচিত নয়, যা মুক্তিযুদ্ধের গৌরবময় ইতিহাসকে খাটো করে—এমন সতর্কবার্তা দিয়েছেন বিএনপির চেয়ারম্যান ও প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। মহান স্বাধীনতা দিবস উপলক্ষে আজ শুক্রবার ঢাকার রমনার ইঞ্জিনিয়ারিং ইনস্টিটিউটে আয়োজিত এক আলোচনা সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ কথা বলেন স্বাধীনতার চেতনা ধরে রেখে ঐক্যবদ্ধভাবে এগোতে হবে উল্লেখ করে তারেক রহমান বলেন, অতীতকে ভুলে যাওয়া যেমন ঠিক নয়, তেমনি অতীত নিয়েই পড়ে থাকাও ভবিষ্যতের পথে বাধা হয়ে দাঁড়াতে পারে। অতীত নিয়ে সবসময় পড়ে থাকলে এক চোখ অন্ধ, আর অতীতকে ভুলে গেলে আমরা দুচোখেই অন্ধ হয়ে যাবো। প্রধানমন্ত্রী বলেন, বাংলাদেশের ইতিহাসের সবচেয়ে গৌরবজনক অধ্যায় ১৯৭১ সালের মহান মুক্তিযুদ্ধ। এই গৌরবগাঁথা প্রজন্ম থেকে প্রজন্মে পৌঁছে দিতে গবেষণা ও আলোচনা চলবে, এটাই স্বাভাবিক। আলোচনা বা গবেষণার নামে এমন কিছু করা উচিত নয়, যা মুক্তিযুদ্ধের গৌরবময় ইতিহাসকে খাটো করে।

আরও পড়ুনঃ  পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক মন্ত্রীর পদত্যাগ, পাহাড়ের রাজনীতিতে নতুন আলোচনা

 

তিনি আরও বলেন, স্বাধীনতা ও মুক্তিযুদ্ধের অন্যতম অনিবার্য চরিত্র শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান। অতীতে তার অবদানকে খাটো করার চেষ্টা করা হলেও ইতিহাসে তার ভূমিকা অস্বীকার করার কোনো সুযোগ নেই। জিয়াউর রহমানের লেখা ‘একটি জাতির জন্ম’ প্রবন্ধের প্রসঙ্গ উল্লেখ করে তিনি বলেন, স্বাধীন বাংলাদেশের স্বপ্ন তিনি দীর্ঘদিন ধরে লালন করতেন। ১৯৭২ সালের ২৬ মার্চ দৈনিক বাংলায় প্রকাশিত ওই প্রবন্ধে স্বাধীনতার প্রেক্ষাপট স্পষ্টভাবে উঠে এসেছে। তারেক রহমান বলেন, ২৬ মার্চ ১৯৭১ রাত ২টা ১৫ মিনিট এই সময়টি শহীদ জিয়ার লেখায় উল্লেখ আছে, যা মুক্তিযুদ্ধের ইতিহাসে একটি গুরুত্বপূর্ণ দলিল হতে পারে। প্রবন্ধটি প্রকাশের পর সে সময় কেউ এর বিরোধিতা করেননি, যা এর সত্যতাকেই প্রমাণ করে। স্বাধীনতার মূল্য কেবল তারাই বুঝতে পারে, যারা এর জন্য লড়াই করে।

আরও পড়ুনঃ  ঈদ-পরবর্তী সময়েও পর্যটকদের পদচারণায় মুখর বান্দরবান

 

ফিলিস্তিনের উদাহরণ টেনে তিনি বলেন, স্বাধীনতার গুরুত্ব আজও বিশ্বে প্রাসঙ্গিক। ১৯৭১, ১৯৯০ এবং ২০২৪ সালের বিভিন্ন আন্দোলনের শহীদদের প্রতি শ্রদ্ধা জানিয়ে তিনি বলেন, সব সংগ্রামের মূল লক্ষ্য ছিল সাম্য, মানবিক মর্যাদা ও সামাজিক ন্যায়বিচারভিত্তিক একটি গণতান্ত্রিক বাংলাদেশ প্রতিষ্ঠা। বর্তমান সরকারের বিভিন্ন উন্নয়ন কর্মকাণ্ড প্রসঙ্গে তিনি বলেন, ফ্যামিলি কার্ড, কৃষক কার্ড, খাল খনন, বৃক্ষরোপণসহ কর্মসংস্থানের বিভিন্ন উদ্যোগ বাস্তবায়ন করা হচ্ছে জনগণের জীবনমান উন্নয়নের জন্য। দেশ গঠনে সবাইকে একসঙ্গে কাজ করার আহ্বান জানিয়ে তিনি বলেন, আমরা যদি ঐক্যবদ্ধভাবে এগিয়ে যাই, তাহলে অবশ্যই একটি স্বনির্ভর বাংলাদেশ গড়ে তুলতে পারব। সমাজের সব শ্রেণিপেশার মানুষকে নিয়ে সহাবস্থানের মাধ্যমে ভালোকে সঙ্গে নিয়ে এগিয়ে যেতে হবে। সভায় সভাপতিত্ব করেন বিএনপি মহাসচিব এবং স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রণালয়ের মন্ত্রী মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর। অংশ নেন বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্যসহ কেন্দ্রীয় নেতারা।

আরও পড়ুনঃ  বিদ্যুতের দাম বাড়লো
Tag :
জনপ্রিয় পোস্ট

পীরগঞ্জে প্রধানমন্ত্রীর বিশেষ কর্মসূচির আওতায় ৭৩ ক্ষুদ্র নৃ-গোষ্ঠী শিক্ষার্থী পেল শিক্ষাবৃত্তি

এমন কিছু করা উচিত নয়, যা মুক্তিযুদ্ধের গৌরবকে খাটো করে: প্রধানমন্ত্রী

আপডেটের সময়: ০৮:১৩:২২ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ২৭ মার্চ ২০২৬

নিজস্ব প্রতিবেদকঃ আলোচনা বা গবেষণার নামে এমন কিছু করা উচিত নয়, যা মুক্তিযুদ্ধের গৌরবময় ইতিহাসকে খাটো করে—এমন সতর্কবার্তা দিয়েছেন বিএনপির চেয়ারম্যান ও প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। মহান স্বাধীনতা দিবস উপলক্ষে আজ শুক্রবার ঢাকার রমনার ইঞ্জিনিয়ারিং ইনস্টিটিউটে আয়োজিত এক আলোচনা সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ কথা বলেন স্বাধীনতার চেতনা ধরে রেখে ঐক্যবদ্ধভাবে এগোতে হবে উল্লেখ করে তারেক রহমান বলেন, অতীতকে ভুলে যাওয়া যেমন ঠিক নয়, তেমনি অতীত নিয়েই পড়ে থাকাও ভবিষ্যতের পথে বাধা হয়ে দাঁড়াতে পারে। অতীত নিয়ে সবসময় পড়ে থাকলে এক চোখ অন্ধ, আর অতীতকে ভুলে গেলে আমরা দুচোখেই অন্ধ হয়ে যাবো। প্রধানমন্ত্রী বলেন, বাংলাদেশের ইতিহাসের সবচেয়ে গৌরবজনক অধ্যায় ১৯৭১ সালের মহান মুক্তিযুদ্ধ। এই গৌরবগাঁথা প্রজন্ম থেকে প্রজন্মে পৌঁছে দিতে গবেষণা ও আলোচনা চলবে, এটাই স্বাভাবিক। আলোচনা বা গবেষণার নামে এমন কিছু করা উচিত নয়, যা মুক্তিযুদ্ধের গৌরবময় ইতিহাসকে খাটো করে।

আরও পড়ুনঃ  ঈদ-পরবর্তী সময়েও পর্যটকদের পদচারণায় মুখর বান্দরবান

 

তিনি আরও বলেন, স্বাধীনতা ও মুক্তিযুদ্ধের অন্যতম অনিবার্য চরিত্র শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান। অতীতে তার অবদানকে খাটো করার চেষ্টা করা হলেও ইতিহাসে তার ভূমিকা অস্বীকার করার কোনো সুযোগ নেই। জিয়াউর রহমানের লেখা ‘একটি জাতির জন্ম’ প্রবন্ধের প্রসঙ্গ উল্লেখ করে তিনি বলেন, স্বাধীন বাংলাদেশের স্বপ্ন তিনি দীর্ঘদিন ধরে লালন করতেন। ১৯৭২ সালের ২৬ মার্চ দৈনিক বাংলায় প্রকাশিত ওই প্রবন্ধে স্বাধীনতার প্রেক্ষাপট স্পষ্টভাবে উঠে এসেছে। তারেক রহমান বলেন, ২৬ মার্চ ১৯৭১ রাত ২টা ১৫ মিনিট এই সময়টি শহীদ জিয়ার লেখায় উল্লেখ আছে, যা মুক্তিযুদ্ধের ইতিহাসে একটি গুরুত্বপূর্ণ দলিল হতে পারে। প্রবন্ধটি প্রকাশের পর সে সময় কেউ এর বিরোধিতা করেননি, যা এর সত্যতাকেই প্রমাণ করে। স্বাধীনতার মূল্য কেবল তারাই বুঝতে পারে, যারা এর জন্য লড়াই করে।

আরও পড়ুনঃ  কুলিয়ারচরে সড়ক দুর্ঘটনায় দুই মোটরসাইকেল আরোহী ও একজন সিএনজি চালক নিহত

 

ফিলিস্তিনের উদাহরণ টেনে তিনি বলেন, স্বাধীনতার গুরুত্ব আজও বিশ্বে প্রাসঙ্গিক। ১৯৭১, ১৯৯০ এবং ২০২৪ সালের বিভিন্ন আন্দোলনের শহীদদের প্রতি শ্রদ্ধা জানিয়ে তিনি বলেন, সব সংগ্রামের মূল লক্ষ্য ছিল সাম্য, মানবিক মর্যাদা ও সামাজিক ন্যায়বিচারভিত্তিক একটি গণতান্ত্রিক বাংলাদেশ প্রতিষ্ঠা। বর্তমান সরকারের বিভিন্ন উন্নয়ন কর্মকাণ্ড প্রসঙ্গে তিনি বলেন, ফ্যামিলি কার্ড, কৃষক কার্ড, খাল খনন, বৃক্ষরোপণসহ কর্মসংস্থানের বিভিন্ন উদ্যোগ বাস্তবায়ন করা হচ্ছে জনগণের জীবনমান উন্নয়নের জন্য। দেশ গঠনে সবাইকে একসঙ্গে কাজ করার আহ্বান জানিয়ে তিনি বলেন, আমরা যদি ঐক্যবদ্ধভাবে এগিয়ে যাই, তাহলে অবশ্যই একটি স্বনির্ভর বাংলাদেশ গড়ে তুলতে পারব। সমাজের সব শ্রেণিপেশার মানুষকে নিয়ে সহাবস্থানের মাধ্যমে ভালোকে সঙ্গে নিয়ে এগিয়ে যেতে হবে। সভায় সভাপতিত্ব করেন বিএনপি মহাসচিব এবং স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রণালয়ের মন্ত্রী মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর। অংশ নেন বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্যসহ কেন্দ্রীয় নেতারা।

আরও পড়ুনঃ  পতেঙ্গায় অবৈধ টমটমের দাপট ও লক্ষ টাকার টোকেন বাণিজ্য