
মোঃ রমজান আলী,আটোয়ারী উপজেলা (পঞ্চগড়) প্রতিনিধি: আজ ৫ আগস্ট, পঞ্চগড় জেলার আটোয়ারী উপজেলার ২৬ নং গোবিন্দপুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে জাতীয় পতাকা উত্তোলনের পর তা সময়মতো নামানো হয়নি সরজমিনে গিয়ে দেখা গেছে অদ্য ০৫/০৮/২০২৬ ইং তারিখে, সময় সন্ধ্যা ০৭ টা ২০ মিনিট বেজে গেলেও বিদ্যালয় প্রাঙ্গণে জাতীয় পতাকাটি আগের মতোই উড়তে দেখা যায়, যা জাতীয় পতাকার সঠিক নিয়ম ও মর্যাদার সরাসরি লঙ্ঘন। বাংলাদেশ জাতীয় পতাকা বিধিমালা অনুযায়ী, সূর্যোদয়ের সময় পতাকা উত্তোলন করা এবং সূর্যাস্তের সাথে সাথে তা সম্মানজনক ভাবে নামিয়ে সংরক্ষণ করার স্পষ্ট নির্দেশ রয়েছে। কিন্তু আজ পুরো দিন পার হয়ে সন্ধ্যা ঘনিয়ে রাত নেমে আসলেও বিদ্যালয় কর্তৃপক্ষের পক্ষ থেকে পতাকা নামানোর কোনো তোড়জোড় চোখে পড়েনি। স্থানীয় পথচারী ও এলাকাবাসী জানান, সরকারি ছুটির দিন বা বিশেষ দিবসে জাতীয় পতাকা উত্তোলন করার নিয়ম থাকলেও তা নামানোর দায়িত্বে যাদের থাকা উচিত, তাদের চরম গাফিলতি লক্ষ্য করা যাচ্ছে।
সন্ধ্যা সাতটার পর খোলা আকাশের নিচে জাতীয় পতাকা এভাবে উড়তে দেখে স্থানীয়দের মাঝে তীব্র অসন্তোষ ও ক্ষোভের সৃষ্টি হয়। “জাতীয় পতাকা আমাদের জাতীয় মর্যাদার প্রতীক। নির্দিষ্ট সময়ের পর পতাকা খোলা অবস্থায় ফেলে রাখা বা নামাতে ভুলে যাওয়া দায়িত্বপ্রাপ্তদের চরম দায়িত্বজ্ঞানহীনতার পরিচয় দেয়। প্রশাসনিক ও আইনি দিক জাতীয় পতাকা ব্যবহার বিধিমালা অনুযায়ী, জাতীয় পতাকার অবমাননা বা এর প্রতি অসাবধানতা প্রদর্শন করা একটি দণ্ডনীয় অপরাধ। একটি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে যেখানে শিক্ষার্থীদের জাতীয় পতাকার প্রতি সম্মান প্রদর্শন শেখানোর কথা, সেখানে শিক্ষকদের বা দায়িত্বপ্রাপ্ত কর্মচারীদের এমন ভুল স্থানীয় শিক্ষাব্যবস্থার তদারকি নিয়েও প্রশ্ন তুলছে। এ ঘটনায় এলাকাবাসী উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিসার ও সংশ্লিষ্ট উর্ধ্বোতন কর্তৃপক্ষের দৃষ্টি আকর্ষণ করেছেন। জাতীয় পতাকার সঠিক মর্যাদা রক্ষায় অবহেলাকারী দায়িত্বপ্রাপ্ত শিক্ষক বা কর্মচারীদের বিরুদ্ধে দ্রুত তদন্ত সাপেক্ষে প্রয়োজনীয় প্রশাসনিক ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানিয়েছেন তারা, যাতে ভবিষ্যতে কোনো শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে এমন ঘটনার পুনরাবৃত্তি না ঘটে।
প্রতিবেদকের নাম 


















