মোঃরাসেল বিশেষ প্রতিনিধি: বান্দরবানের আলীকদম মাতামুহুরী রিজার্ভ বনে বনদস্যুদের দৌরাত্ম্য এবং বন কর্মকর্তাদের রহস্যজনক সহযোগিতার দাবি করে সম্প্রতি বিভিন্ন গণমাধ্যম ও অনলাইন পোর্টালে প্রকাশিত সংবাদের তীব্র প্রতিবাদ জানিয়েছেন স্থানীয় বাসিন্দা ও বাগানের উপকারভোগীরা। প্রকাশিত সংবাদটিকে সম্পূর্ণ মিথ্যা, ভিত্তিহীন, বানোয়াট ও উদ্দেশ্যপ্রণোদিত বলে দাবি করেছেন তারা।গত ২৫ মে ২০২৬ তারিখে বিভিন্ন সংবাদমাধ্যমে “মাতামুহুরী রিজার্ভে বনদস্যুদের দৌরাত্ম্য, রহস্যজনক সহযোগিতার অভিযোগ!” শিরোনামে একটি প্রতিবেদন প্রকাশ করা হয়। উক্ত প্রতিবেদনে মাতামুহুরী রেঞ্জের বিট কর্মকর্তা তপন চন্দ্র দাস ও রফিকুল ইসলাম রফিকের বিরুদ্ধে গাছ নিধনে সহযোগিতার অভিযোগ আনা হয়।তবে সরজমিনে তদন্ত এবং সামাজিক বনায়নের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট উপকারভোগীদের সাথে কথা বলে জানা গেছে ভিন্ন তথ্য। স্থানীয় বাসিন্দা ও বাগানের উপকারভোগীরা জানিয়েছেন, যে ঘটনা ও গাছ কাটার ছবি ব্যবহার করে সংবাদটি প্রকাশ করা হয়েছে, তা মূলত সামাজিক বনায়নের বিগত ৭-৮ মাস আগের পুরোনো ঘটনা। বর্তমান বিট কর্মকর্তা তপন চন্দ্র দাস এই মাতামুহুরী রেঞ্জে বিট কর্মকর্তা হিসেবে দায়িত্ব গ্রহণের অনেক আগেই ওই এলাকায় গাছ নিধনের ঘটনাগুলো ঘটেছিল। বর্তমান কর্মকর্তাদের বিতর্কিত করতেই একটি স্বার্থান্বেষী মহল এই পুরোনো ঘটনাকে নতুন করে ছড়াচ্ছে।উপকারভোগীরা আরও নিশ্চিত করেছেন যে, সংবাদে যে 'সম্প্রীতি' বা সমঝোতার অভিযোগ তোলা হয়েছে, তা সম্পূর্ণ মিথ্যা ও বিভ্রান্তিকর। প্রকৃতপক্ষে বনবিভাগের চলমান নিয়মিত ও কঠোর কার্যক্রমকে প্রশ্নবিদ্ধ করতে এবং ব্যক্তিগত স্বার্থ হাসিলের উদ্দেশ্যে একটি নির্দিষ্ট মহল পরিকল্পিতভাবে এই অপপ্রচার চালাচ্ছে। মাতামুহুরী রেঞ্জের বন সংরক্ষণ ও সামাজিক বনায়ন রক্ষায় বর্তমান বনবিভাগ অত্যন্ত নিষ্ঠা ও নিয়মিত ভাবে দায়িত্ব পালন করে যাচ্ছে।এই বিভ্রান্তিকর সংবাদের বিপরীতে সঠিক তথ্য প্রকাশ করে পাঠকদের বিভ্রান্তি মুক্ত করার জন্য সংশ্লিষ্ট গণমাধ্যম গুলোর প্রতি আহ্বান জানিয়েছেন স্থানীয় বাসিন্দা ও উপকারভোগীরা। একই সাথে ভবিষ্যতে যেকোনো সংবাদ প্রকাশের আগে মাঠপর্যায়ের সত্যতা যাচাই করার অনুরোধ করা হয়।
বার্তা প্রেরক:
স্থানীয় বাসিন্দা ও সামাজিক বনায়নের উপকারভোগী বৃন্দ
মাতামুহুরী রেঞ্জ, আলীকদম বান্দরবান।