লালপুর উপজেলা (নাটোর) প্রতিনিধি: নাটোরের বড়াইগ্রাম উপজেলার বনপাড়া বাইপাস এলাকায় বিআরটিসি বাস কাউন্টারে আধিপত্য বিস্তারকে কেন্দ্র করে বিএনপির দুই পক্ষের মধ্যে হামলার ঘটনা ঘটেছে। এতে বিএনপি ও অঙ্গসংগঠনের পাঁচ নেতাকর্মী আহত হয়েছেন। আহতদের মধ্যে দুজনের অবস্থা গুরুতর বলে জানা গেছে। বুধবার (১৯ আগস্ট) দুপুর ১২টার দিকে বনপাড়া বাইপাসের পাবনা কাউন্টারের সামনে একটি চায়ের দোকানের কাছে এ হামলার ঘটনা ঘটে। আহতদের মধ্যে বনপাড়া পৌর বিএনপির ৭ নম্বর ওয়ার্ড সভাপতি আকতার হোসেন বড়াইগ্রাম উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের জরুরি বিভাগে চিকিৎসাধীন রয়েছেন। বনপাড়া পৌর বিএনপির সাবেক যুগ্ম আহ্বায়ক হোসেন আলী ফকিরকে গুরুতর আহত অবস্থায় রাজশাহী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। তার অবস্থা আশঙ্কাজনক বলে স্বজনরা জানিয়েছেন। এ ছাড়া বনপাড়া পৌর কৃষক দলের সভাপতি মমতাজউদ্দিন শেখ ও যুবদল কর্মী আসলাম হোসেনকে বনপাড়া পাটোয়ারী জেনারেল হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। বনপাড়া পৌর বিএনপির ৯ নম্বর ওয়ার্ড সভাপতি রবিউল ইসলাম মৃধাসহ আরও দুজন আহত হয়েছেন বলে জানা গেছে। তাদের অবস্থা গুরুতর নয়।
প্রত্যক্ষদর্শী ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, বুধবার দুপুরে হোসেন আলী ফকিরসহ কয়েকজন বিএনপি নেতা-কর্মী বনপাড়া বাইপাসের পাবনা কাউন্টারের সামনে একটি চায়ের দোকানে বসে চা পান করছিলেন। এ সময় লাঠিসোঁটা নিয়ে ৩০ থেকে ৪০ জনের একটি দল সেখানে গিয়ে অতর্কিত হামলা চালায়। হামলায় হোসেন আলী ফকির ও মমতাজউদ্দিন শেখ রক্তাক্ত আহত হন। পরে হামলাকারীরা কিছুটা দূরে থাকা আকতার হোসেনের ওপরও হামলা চালায়। এতে তিনিও গুরুতর আহত হয়ে মাটিতে পড়ে যান। পরে স্থানীয়রা আহতদের উদ্ধার করে বিভিন্ন হাসপাতালে পাঠান। হামলাকারীরা একটি চায়ের দোকান ও তিনটি মোটরসাইকেল ভাঙচুর করেছে বলেও অভিযোগ পাওয়া গেছে। ঘটনার পর বনপাড়া পৌর শহরে উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়ে। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রাখতে পুলিশ টহল জোরদার করা হয়েছে। বড়াইগ্রাম থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) শফিকুল ইসলাম বলেন, “আপাতত পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রয়েছে। পৌর শহরে পুলিশ টহল জোরদার করা হয়েছে। হামলার ঘটনায় তাৎক্ষণিকভাবে কোনো মামলা হয়েছে কি না কিংবা হামলার সঙ্গে জড়িত কারও নাম-পরিচয় জানা যায়নি।