আনছারুল হক,স্টাফ রিপোর্টার নীলফামারী
নানা অনিয়মের মধ্যে দিয়ে চলছে কিশোরগঞ্জ উপজেলার সয়ড়াগন্ধা দোলাপাড়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়। সকাল ৯টায় ডিজিটাল উপস্থিতি দেখালেও বাস্তবে বিদ্যালয়ে থাকেন না শিক্ষকরা। শনিবার ২০ জুন ২০২৬ দুপুর ১.৪৫ মিনিটে ওই বিদ্যালয়ে প্রধান শিক্ষকসহ ৫ জন সহকারী শিক্ষক বিদ্যালয়ে উপস্থিত থাকার কথা থাকলেও উপস্থিত পাওয়া গেছে ৪ জন শিক্ষককে।
প্রধান শিক্ষক কোথায় গেছে জানতে চাইলে একজন সহকারি শিক্ষক জানান হেডস্যার অফিশিয়ালী কাজে কিশোরগঞ্জ গেছে তাঁর কথার উপর ভরশা করে প্রধান শিক্ষক আব্দুল মান্নানকে মোবাইল ফোনে যোগাযোগের চেষ্টা করলে অনেকক্ষন পর ফোনটি রিসির্ভ করেন। কোথায় আছেন জানতে চাইলে তিনি জানান আমি বিদ্যালয়ের কেনাকাটার জন্য রংপুরে যাচ্ছি। আপনি রংপুরে যাচ্ছেন আপনার অফিস জানে কি? উত্তরে বলেন এটিও হাবিবুর স্যারকে মোবাইল করেছিলাম তিনি ধরেননি। আর একজন সহকারী শিক্ষক মৌসুমী আক্তার তিনি কোথায় আছেন? প্রধান শিক্ষকের নিকট জানতে চাইলে উত্তরে বলেন ওনি দুপুর ১২টার পর চলে গেছেন।
উল্লেখ্য যে, ওই সহকারী শিক্ষক মৌসুমী আক্তার ইতোপূর্বে ৬ মাসের মাতৃকালীন ছুটি নিয়ে ৯ মাস বিদ্যালয়ে আসেননি একদিনে এসে পুরো মাসের হাজীরা খাতা স্বাক্ষর করেন বলে সেই সময় প্রধান শিক্ষক স্বীকারোক্তি দিয়েছেন। অত্র বিদ্যালয়ের সভাপতি আব্দুল মতিন জানান আমি সভাপতি ছিলাম কিন্তু এক বছর ধরে প্রধান শিক্ষক আমার কাছে আসেনা।
এ বিষয়ে কিশোরগঞ্জ উপজেলা নির্বাহী অফিসার অরিফুর রহমানের সাথে মোবাইল ফোনে কথা হলে তিনি বিষয়টি সংবাদে নিয়ে আসতে বলেন।
উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিসার ড. মোসা: মাহমুদা খাতুন বলেন বিষয়টি তদন্ত সাপেক্ষে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।