মোঃ সৈয়দ মিয়া চট্টগ্রাম ব্যুরো: চট্টগ্রামের সাতকানিয়ায় ভয়াবহ বন্যায় ৪ মাস অতিবাহিত হলেও সড়ক এবং সেতুর মেরামতের উদ্যোগ নেয়নি এমপি ও উপজেলা প্রশাসন ফলে চরম দুর্ভোগ পোহাচ্ছেন এলাকার স্কুল পড়ুয়া ছাত্রছাত্রী ও বৃদ্ধা অসুস্থ রোগীরা। সাতকানিয়া উপজেলায় ভয়াবহ বন্যার প্রায় ৪ মাস অতিবাহিত হলেও পশ্চিম বাজালিয়া ইউনিয়নের এখনো পর্যন্ত কোন সড়ক ও সেতুর কাজ করেনি চন্দনাইশ, সাতকানিয়া( আংশিক) এমপি আলহাজ্ব জসিম উদ্দিন ও সাতকানিয়া উপজেলা প্রশাসন, প্রবল স্রোতে ভেঙে যাওয়া ১ নং ওয়ার্ডের সড়কের বেহাল অবস্থা বাঁশের সাঁকো দিয়ে শিক্ষার্থী ও রোগীদের চলাচলে ঝুঁকি তৈরি হয়েছে।
বন্যায় সাতকানিয়া উপজেলা র মধ্যে সবচেয়ে ক্ষতি হয় পশ্চিম বাজালিয়া ইউনিয়নে
১ নং ওয়ার্ডের ভোর বাজার হয়ে বড় পুকুরের পাড় পর্যন্ত প্রায় ২ কিলো মিটারের রাস্তা কয়েক একটি স্থানে সড়ক ভেঙ্গে বন্যার পানিতে তলিয়ে যায়। এছাড়া সড়কটির দুইটি ব্রিজ বন্যার পানিতে ভেঙ্গে যায় এতে স্থানীয়রা বাঁশের সাঁকো তৈরি করে দেয়। তা দিয়ে স্কুল পড়ুয়া ছাত্রছাত্রী ও এলাকার চার-পাঁচ হাজার লোক ঝুঁকিতে যাতায়াত করছেন।
এখনো পর্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ সড়কটি মেরামতের উদ্যোগ নেয়নি এমপি ও উপজেলা প্রশাসন।
সড়কের বেহাল অবস্থা বাঁশের সাঁকো দিয়ে শিক্ষার্থী ও রোগীদের চলাচলে ঝুঁকি তৈরি হয়েছে। তাই ক্ষতিগ্রস্ত সড়কগুলো দ্রুত প্রয়োজনীয় সংস্কারের জোর দাবি এলাকাবাসীর।
এলাকাবাসীর জানান ( ৮ নভেম্বর ) উক্ত সড়ক ভেঙে একটি কবর স্থান থেকে বন্যায় পানিতে তিনটি লাশ নিয়ে যায়। অথচ সোশ্যাল মিডিয়ায় ব্যাপক নিউজ হলেও সড়ক ও খবরে স্থান পরিদশনে আসিনি এমপি ও উপজেলা প্রশাসন
প্রতিদিন স্থানীয়দের ভাঙাচোরা ও খানাখন্দে ভরা সড়ক দিয়ে চলাচল করতে হচ্ছে। স্কুল-কলেজের শিক্ষার্থী, রোগী, নারী, শিশু ও বয়স্ক মানুষদের সবচেয়ে বেশি দুর্ভোগ পোহাতে হচ্ছে।
বিদ্যালয় ছুটি শেষে কাঠের সাঁকো পার হয়ে বাড়িতে ফেরার সময় কথা হয়। তারা বলে, আমাদের স্কুলে যেতে প্রতিদিন কাঠের সাঁকো পার হতে হয়। বৃষ্টিপাত হলে সাঁকোটা পিচ্ছিল হয়ে যাওয়ায় পার হওয়ার সময় খুব ভয় লাগে। তাই রাস্তাটি দ্রুত সংস্কার করা প্রয়োজন। আমরা চাই, আমাদের জন্য একটি নিরাপদ রাস্তা তৈরি করা হোক, যাতে প্রতিদিন ভয় ছাড়া স্কুলে যেতে পারি
সরেজমিনে উপজেলার বিভিন্ন এলাকা ঘুরে দেখা পশ্চিম বাজালিয়া ১ নং ওয়ার্ডের বন্যার পানিতে ব্যাপক হয় ক্ষতি হয়েছে যাতায়াতের সড়ক ভেঙ্গে বন্যার পানিতে ভেসে নিয়ে যায়,বন্যা দীর্ঘ চার মাস পার হয়ে গেলেও এখনো পর্যন্ত উপজেলা প্রশাসন কোন কাজ করেনি, আবার অনেকে বিকল্প দীর্ঘপথ ব্যবহার করতে বাধ্য হচ্ছেন।
ক্ষতিগ্রস্ত অবকাঠামো দ্রুত সংস্কারের আশ্বাস দিয়েছেন। কিন্তু পানি নেমে যাওয়ার ৪ মাস পেরিয়ে গেলেও এখনো পর্যন্ত কার্যকর কোনো উদ্যোগ দেখা যাচ্ছে না। প্রতিদিন স্থানীয়দের ভাঙাচোরা ও খানাখন্দে ভরা সড়ক দিয়ে চলাচল করতে হচ্ছে। স্কুল-কলেজের শিক্ষার্থী, রোগী, নারী, শিশু ও বয়স্ক মানুষদের সবচেয়ে বেশি দুর্ভোগ পোহাতে হচ্ছে