মুহাম্মদ নেজাম উদ্দিন বিশেষ প্রতিনিধি:-শাহানশাহ্ হযরত সৈয়দ জিয়াউল হক মাইজভাণ্ডারী (ক.) ট্রাস্ট এর উদ্যোগে বিভিন্ন খাতে সহায়তাপ্রাপ্ত ৬২ ব্যক্তি ও প্রতিষ্ঠানকে চেক প্রদান অনুষ্ঠান ২১ জুন ২০২৬ রবিবার ট্রাস্টের নিজস্ব মিলনায়তনে অনুষ্ঠিত হয়। দরবার-ই-গাউসুল আযম মাইজভাণ্ডারী’র গাউসিয়া হক মন্জিলের সাজ্জাদানশীন ও শাহানশাহ্ হযরত সৈয়দ জিয়াউল হক মাইজভাণ্ডারী (কঃ) ট্রাস্টের ম্যানেজিং ট্রাস্টি সৈয়দ মোহাম্মদ হাসান মাইজভাণ্ডারী (ম. জি. আ.)-এর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত চেক প্রদান অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশন মাননীয় মেয়র ডা. শাহাদাত হোসেন, গেস্ট অব অনার হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ড (বিসিবি)’র পরিচালক ও বিসিবি’র ফাইন্যান্স কমিটির চেয়ারম্যান ইসরাফিল খসরু চৌধুরী। অনুষ্ঠানে স্বাগত বক্তব্য প্রদান করেন এস জেড এইচ এম ট্রাস্টের সচিব অধ্যাপক এ ওয়াই এমডি জাফর। অতিথি হিসেবে আরো উপস্থিত ছিলেন এস জেড এইচ এম ট্রাস্টের উপদেষ্টা প্রফেসর ড. মোহাম্মদ জসীমউদ্দিন ও শিশু-কিশোর সমাবেশের প্রধান সমন্বয়ক রাশেদ খান।
অনুষ্ঠানের প্রধান অতিথি বলেন, আল্লাহ্্র আউলিয়া কেরাম মানব সেবা ও মানবতার কল্যাণের জন্য এই পৃথিবীতে আগমন করেছেন। ট্রাস্টের এই মানবিক কর্মকাণ্ডসমূহ তারই প্রতিফলন। সমাজ সেবায় অবদানের জন্য 'শাহানশাহ হযরত সৈয়দ জিয়াউল হক মাইজভাণ্ডারী (ক.) ট্রাস্ট’ কে একুশে পদক বা স্বাধীনতা পদক দেওয়া উচিত বলে মনে করি। সভাপতির বক্তব্যে সৈয়দ মোহাম্মদ হাসান মাইজভাণ্ডারী (ম. জি. আ.) বলেন, সুফিয়ায়ে কেরাম কারও থেকে প্রতিদান লাভ কিংবা আনুগত্যের আশা ব্যতিরেকে আল্লাহ ও তাঁর রাসুল (দ.)-এর সন্তুষ্টি লাভের আশায় সামাজিক খেদমত করেছেন। সেই ধারাবাহিকতায় ‘শাহানশাহ হযরত সৈয়দ জিয়াউল হক মাইজভাণ্ডারী (ক.) ট্রাস্ট’ও মানবসেবামূলক কাজ করে যাচ্ছে- কারও আনুগত্য কিংবা প্রতিদান লাভের আশায় নয়, বরং আল্লাহ ও তাঁর রাসুল (দ.)-এর সন্তুষ্টি লাভের উদ্দেশ্যে।
অনুষ্ঠানের শুরুতে পবিত্র কোরআন তেলাওয়াত ও মিলাদ মুনাজাত পরিচালনা করেন হাফেজ মোহাম্মদ হারুনুর রশিদ। অনুষ্ঠান সঞ্চালনা করেন ট্রাস্টের প্রশাসনিক ও সমন্বয় কর্মকর্তা তানভীর হোসাইন।
অনুষ্ঠানে ২টি মসজিদ নির্মাণে সহায়তা, ০২টি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানকে সহায়তা ও ০৫ শিক্ষার্থীকে শিক্ষাবৃত্তি প্রদান, ০২জনকে আলেম সহায়তা, ক্যান্সার, জটিল অপারেশন, ডায়ালাইসিস এবং অন্য জটিল ও কঠিন রোগে আক্রান্ত ৩৬ জন ব্যক্তিকে চিকিৎসা সহায়তা, ০৩ জন ব্যক্তিকে আয় বর্ধক খাতে সহায়তা, ০২ জন ব্যক্তিকে বিদেশ যাত্রায় সহায়তা, ১০জন ব্যক্তিকে মেয়ের বিবাহে সহায়তা, ০২ জনকে ঋণ পরিশোধ ও ০২ জনকে গৃহ মেরামতে সহায়তাসহ ৬৬ ব্যক্তি ও প্রতিষ্ঠানকে মোট ৪২ লাখ ৮৯ হাজার টাকা সহায়তা প্রদান করা হয়।