
মোঃ মিজানুর রহমান, রাঙ্গুনিয়া (চট্টগ্রাম):চট্টগ্রামের দক্ষিণ রাঙ্গুনিয়া থানাধীন কোদালা ইউনিয়ন এলাকায় সাত বছর বয়সী এক শিশুকে ধর্ষণচেষ্টার অভিযোগে মোঃ আব্দুল হাকিম (৫৩) নামে এক ব্যক্তিকে গ্রেপ্তার করেছে দক্ষিণ রাঙ্গুনিয়া থানা পুলিশ। আজ শনিবার ২৫ জুলাই, ২০২৬ প্রেস বিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে বিষয়টি নিশ্চিত করেছে থানা পুলিশ। ঘটনাটির পর নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইন ২০০০ (সংশোধিত ২০২৫) অধ্যাদেশের ৯(৪)(খ) ধারায় মামলা রুজু করা হয়েছে (মামলা নং-৭, তারিখ: ২৫/০৭/২০২৬)। চট্টগ্রাম জেলার পুলিশ সুপার জনাব মোঃ মাসুদ আলম, বিপিএম-এর দিকনির্দেশনায় এবং রাঙ্গুনিয়া সার্কেলের সহকারী পুলিশ সুপার জনাব মোহাম্মদ বেলায়েত হোসেন, পিপিএম-এর তত্ত্বাবধানে দক্ষিণ রাঙ্গুনিয়া থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) জনাব মোহাম্মদ হিলাল উদ্দীন আহমেদ-এর নেতৃত্বে একটি পুলিশ টিম কোদালা ইউনিয়নে অভিযান পরিচালনা করে অভিযুক্তকে গ্রেপ্তার করে। ধৃত আসামিকে সকল আইনি প্রক্রিয়া মেনে বিজ্ঞ আদালতে সোপর্দ করা হয়েছে। ভিকটিমের নানির দায়ের করা এজাহার সূত্রে জানা যায়, ভিকটিম উম্মে হাফসা (৭) তার নানির সঙ্গে বসবাস করত। শিশুটির বাবা মানসিক রোগী হওয়ায় পাঁচ বছর আগে ঘর ছাড়েন এবং মা জীবিকার তাগিদে চট্টগ্রাম শহরে গৃহপরিচারিকার কাজ করেন। অভিযুক্ত মোঃ আব্দুল হাকিম ভিকটিমের নানির ছোট বোনের স্বামী (সম্পর্কে খালাতো নানা)।
দুই পরিবারের বাড়ির মাঝে একটি ছোট পাহাড় রয়েছে, যার ফলে আসামি প্রায়ই ওই বাড়িতে আসা-যাওয়া করতেন। গত ২০ জুলাই, দুপুর আনুমানিক ২ টার দিকে নানি শিশুটিকে ঘরে রেখে পাশের বাড়িতে যান। এই সুযোগে অভিযুক্ত আব্দুল হাকিম ঘরের ভেতরে প্রবেশ করেন। ওই সময় শিশুটি সুপারি কাটছিল। আসামি তাকে এক গ্লাস পানি আনতে বলেন। পানি নিয়ে এলে আব্দুল হাকিম জোরপূর্বক শিশুটিকে ঘরের মেঝেতে শুইয়ে তার পায়জামা খুলে ধর্ষণের চেষ্টা চালান। ঠিক সেই মুহূর্তে প্রতিবেশী ১৩ বছর বয়সী এক কিশোরী শিশুটিকে দেখতে এসে ঘটনাটি প্রত্যক্ষ করে। সাক্ষীর উপস্থিতি টের পেয়ে অভিযুক্ত দ্রুত তার পরনের বস্ত্র ঠিক করে পালিয়ে যান। পরবর্তীতে স্থানীয়ভাবে বিষয়টি নিয়ে জানাজানি হলে ভিকটিমের নানি থানায় গিয়ে লিখিত এজাহার দায়ের করেন, যার ভিত্তিতে পুলিশ আসামিকে গ্রেপ্তার করতে সক্ষম হয়।
প্রতিবেদকের নাম 


















