Dhaka ০৪:৩০ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ০৪ জুন ২০২৬, ২১ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনামঃ
ঈদগাঁও নদীতে ভাসমান কিশোরের মরদেহ উদ্ধার পীরগঞ্জে প্রধানমন্ত্রীর বিশেষ কর্মসূচির আওতায় ৭৩ ক্ষুদ্র নৃ-গোষ্ঠী শিক্ষার্থী পেল শিক্ষাবৃত্তি বিশ্ব পরিবেশ দিবসে কার্যকরী পদক্ষেপ গ্রহণে গাইবান্ধায় মহিলা পরিষদের স্মারকলিপি প্রদান মাদারগঞ্জে গতকালের পর, আবারও আজ হিটস্ট্রোকে কৃষকের মৃত্যু….. নীলফামারীতে গ্রামপুলিশ মিনহাজুলের অনিয়ম ও দুর্নীতির অভিযোগের তদন্তে প্রশাসন পতেঙ্গায় অবৈধ টমটমের দাপট ও লক্ষ টাকার টোকেন বাণিজ্য ধোপাছড়ি শীলঘাটা উচ্চ বিদ্যালয়ের এডহক কমিটিতে সভাপতি হলেন আব্দুল মান্নান রানা অভাবের দেয়ালে বন্দি রিকশাচালকের ৩ হাজার পাতার স্বপ্ন! ক্যান্সারের সঙ্গে জীবনযুদ্ধ: অসহায় নব মুসলিম জাকারিয়ার পাশে দাঁড়ানোর আহ্বান শনির আখড়া জিয়া সরণি রুটে ময়লার স্তূপ: চরম দুর্ভোগে পথচারী ও এলাকাবাসী

তেল সংকটে এলপিজি কনভারশনে ঝুঁকছেন গাড়ির মালিকরা

  • প্রতিবেদকের নাম
  • আপডেটের সময়: ০৭:১৫:০৬ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২ এপ্রিল ২০২৬
  • ৮৬ সময় দেখুন

নিজস্ব প্রতিবেদকঃ দেশে চলমান জ্বালানি তেল সংকট সামাল দিতে সিএনজি ও এলপিজি কনভারশনের দিকে ঝুঁকছেন ব্যক্তিগত গাড়ির মালিকরা। আমদানিকৃত অকটেন ও ডিজেলের দামের বিপরীতে বিকল্প জ্বালানি ব্যবহারে গাড়ির পরিচালন খরচ প্রায় ৩০ থেকে ৫০ শতাংশ পর্যন্ত কমে আসছে। তবে রক্ষণাবেক্ষণ ও দীর্ঘমেয়াদী স্থায়িত্বের বিচারে বর্তমানে সিএনজির চেয়ে এলপিজিই (লিকুইফাইড পেট্রোলিয়াম গ্যাস) গ্রাহকদের প্রথম পছন্দে পরিণত হয়েছে। সংশ্লিষ্টদের মতে, এক সময় সিএনজি কনভারশন জনপ্রিয় থাকলেও এখন ৭০ শতাংশের বেশি মানুষ এলপিজি বেছে নিচ্ছেন। এর প্রধান কারণ হিসেবে দেখা হচ্ছে ইঞ্জিনের সুরক্ষা। সিএনজির তুলনায় এলপিজিতে ইঞ্জিনের ক্ষতি কম হয়, সিলিন্ডারের ওজন হালকা এবং গাড়ি চালানোর অনুভূতি প্রায় অকটেনের মতোই আরামদায়ক। এছাড়া সিএনজি স্টেশনে দীর্ঘ লাইনের বিড়ম্বনা না থাকা এবং দেশজুড়ে এলপিজি স্টেশনের সহজলভ্যতা এই চাহিদাকে আরও বাড়িয়ে দিয়েছে।

আরও পড়ুনঃ  ধমকিয়ে-পিটিয়ে ক্ষমতায় টিকে থাকা যায় না: মির্জা ফখরুল

 

 

বর্তমানে ১ লিটার অকটেনের দাম ১২০ টাকা হলেও সমপরিমাণ এলপিজি মিলছে মাত্র ৬২ টাকায়। সাউদার্ন অটোমোবাইলসের তথ্যমতে, অকটেনের তুলনায় সিএনজিতে খরচ ৭০ শতাংশ এবং এলপিজিতে প্রায় ৪০ শতাংশ সাশ্রয় হয়। দীর্ঘ মেয়াদে ইঞ্জিনের যন্ত্রাংশ ক্ষয়ের ঝুঁকি থাকলেও যারা দৈনিক ৫০ থেকে ১০০ কিলোমিটার গাড়ি চালান, তাদের জন্য এই কনভারশন পদ্ধতি অত্যন্ত লাভজনক। রাজধানীর তেজগাঁও ও এর আশপাশের মাল্টিব্র্যান্ড ওয়ার্কশপ, এইচএনএস অটো সলিউশন এবং সাউদার্ন অটোমোবাইলসের মতো প্রতিষ্ঠানগুলো কনভারশন সেবা দিচ্ছে। জানা যায়, এলপিজি কনভারশনে মানভেদে খরচ পড়ছে ৬০ হাজার থেকে ১ লাখ ২০ হাজার টাকা। অপরদিকে সিএনজি কনভারশনে ধরনভেদে ৭০ হাজার থেকে ৯০ হাজার টাকা। তবে সরকারি প্রতিষ্ঠান আরপিজিসিএল-এর মাধ্যমে ২৯ হাজার থেকে ৬৯ হাজার টাকায় এই সেবা পাওয়া সম্ভব। কনভারশন প্রক্রিয়া সম্পন্ন করতে সময় লাগে মাত্র ৬ থেকে ৮ ঘণ্টা।

আরও পড়ুনঃ  বিদ্যুতের দাম বাড়লো

 

 

এইচএনএস অটো সলিউশনের অপারেশন ম্যানেজার দীপক কুমার সরকার বলেন, দেশে চলমান গাড়ির প্রায় ৭০ শতাংশই টয়োটা ব্র্যান্ডের, যা এলপিজি ও সিএনজি উভয় মাধ্যমেই সহজে রূপান্তরযোগ্য। বর্তমানে জ্বালানি সাশ্রয়ের এই প্রবণতা পূর্বের তুলনায় ১০-১৫ শতাংশ বেড়েছে। তিনি আরও বলেন, রাজধানীর বিভিন্ন এলাকায় শত শত ছোট-বড় কনভারশন সেন্টার গড়ে উঠলেও নিরাপত্তার স্বার্থে মানহীন সিলিন্ডার এড়িয়ে ব্র্যান্ডের যন্ত্রাংশ ব্যবহার করাই বুদ্ধিমানের কাজ। দীর্ঘমেয়াদী লাভের আশায় স্বল্পমেয়াদী সাশ্রয় যেন বড় কোনো দুর্ঘটনার কারণ না হয়, সেদিকেও সতর্ক থাকার আহ্বান জানান তিনি।

আরও পড়ুনঃ  ফ্ল্যাটে মায়ের নিঃসঙ্গ মৃত্যু ছেলে সেই যুগ্মসচিবকে প্রত্যাহার
Tag :
জনপ্রিয় পোস্ট

ঈদগাঁও নদীতে ভাসমান কিশোরের মরদেহ উদ্ধার

তেল সংকটে এলপিজি কনভারশনে ঝুঁকছেন গাড়ির মালিকরা

আপডেটের সময়: ০৭:১৫:০৬ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২ এপ্রিল ২০২৬

নিজস্ব প্রতিবেদকঃ দেশে চলমান জ্বালানি তেল সংকট সামাল দিতে সিএনজি ও এলপিজি কনভারশনের দিকে ঝুঁকছেন ব্যক্তিগত গাড়ির মালিকরা। আমদানিকৃত অকটেন ও ডিজেলের দামের বিপরীতে বিকল্প জ্বালানি ব্যবহারে গাড়ির পরিচালন খরচ প্রায় ৩০ থেকে ৫০ শতাংশ পর্যন্ত কমে আসছে। তবে রক্ষণাবেক্ষণ ও দীর্ঘমেয়াদী স্থায়িত্বের বিচারে বর্তমানে সিএনজির চেয়ে এলপিজিই (লিকুইফাইড পেট্রোলিয়াম গ্যাস) গ্রাহকদের প্রথম পছন্দে পরিণত হয়েছে। সংশ্লিষ্টদের মতে, এক সময় সিএনজি কনভারশন জনপ্রিয় থাকলেও এখন ৭০ শতাংশের বেশি মানুষ এলপিজি বেছে নিচ্ছেন। এর প্রধান কারণ হিসেবে দেখা হচ্ছে ইঞ্জিনের সুরক্ষা। সিএনজির তুলনায় এলপিজিতে ইঞ্জিনের ক্ষতি কম হয়, সিলিন্ডারের ওজন হালকা এবং গাড়ি চালানোর অনুভূতি প্রায় অকটেনের মতোই আরামদায়ক। এছাড়া সিএনজি স্টেশনে দীর্ঘ লাইনের বিড়ম্বনা না থাকা এবং দেশজুড়ে এলপিজি স্টেশনের সহজলভ্যতা এই চাহিদাকে আরও বাড়িয়ে দিয়েছে।

আরও পড়ুনঃ  ​নয়া পল্টনে শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের ৪৫তম শাহাদাত বার্ষিকী উপলক্ষে দোয়া ও খাদ্য সামগ্রী বিতরণ

 

 

বর্তমানে ১ লিটার অকটেনের দাম ১২০ টাকা হলেও সমপরিমাণ এলপিজি মিলছে মাত্র ৬২ টাকায়। সাউদার্ন অটোমোবাইলসের তথ্যমতে, অকটেনের তুলনায় সিএনজিতে খরচ ৭০ শতাংশ এবং এলপিজিতে প্রায় ৪০ শতাংশ সাশ্রয় হয়। দীর্ঘ মেয়াদে ইঞ্জিনের যন্ত্রাংশ ক্ষয়ের ঝুঁকি থাকলেও যারা দৈনিক ৫০ থেকে ১০০ কিলোমিটার গাড়ি চালান, তাদের জন্য এই কনভারশন পদ্ধতি অত্যন্ত লাভজনক। রাজধানীর তেজগাঁও ও এর আশপাশের মাল্টিব্র্যান্ড ওয়ার্কশপ, এইচএনএস অটো সলিউশন এবং সাউদার্ন অটোমোবাইলসের মতো প্রতিষ্ঠানগুলো কনভারশন সেবা দিচ্ছে। জানা যায়, এলপিজি কনভারশনে মানভেদে খরচ পড়ছে ৬০ হাজার থেকে ১ লাখ ২০ হাজার টাকা। অপরদিকে সিএনজি কনভারশনে ধরনভেদে ৭০ হাজার থেকে ৯০ হাজার টাকা। তবে সরকারি প্রতিষ্ঠান আরপিজিসিএল-এর মাধ্যমে ২৯ হাজার থেকে ৬৯ হাজার টাকায় এই সেবা পাওয়া সম্ভব। কনভারশন প্রক্রিয়া সম্পন্ন করতে সময় লাগে মাত্র ৬ থেকে ৮ ঘণ্টা।

আরও পড়ুনঃ  বিএনপির অশিক্ষিত ব্যক্তিদের প্রশিক্ষণের ব্যবস্থা করা উচিত: আসিফ মাহমুদ

 

 

এইচএনএস অটো সলিউশনের অপারেশন ম্যানেজার দীপক কুমার সরকার বলেন, দেশে চলমান গাড়ির প্রায় ৭০ শতাংশই টয়োটা ব্র্যান্ডের, যা এলপিজি ও সিএনজি উভয় মাধ্যমেই সহজে রূপান্তরযোগ্য। বর্তমানে জ্বালানি সাশ্রয়ের এই প্রবণতা পূর্বের তুলনায় ১০-১৫ শতাংশ বেড়েছে। তিনি আরও বলেন, রাজধানীর বিভিন্ন এলাকায় শত শত ছোট-বড় কনভারশন সেন্টার গড়ে উঠলেও নিরাপত্তার স্বার্থে মানহীন সিলিন্ডার এড়িয়ে ব্র্যান্ডের যন্ত্রাংশ ব্যবহার করাই বুদ্ধিমানের কাজ। দীর্ঘমেয়াদী লাভের আশায় স্বল্পমেয়াদী সাশ্রয় যেন বড় কোনো দুর্ঘটনার কারণ না হয়, সেদিকেও সতর্ক থাকার আহ্বান জানান তিনি।

আরও পড়ুনঃ  নেপালকে হারিয়ে টানা তৃতীয়বার ফাইনালে বাংলাদেশ