
মীর আমিনুল ইসলাম বুলবুল,স্টাফ রিপোর্টার ময়মনসিংহ: নেত্রকোনার কেন্দুয়া পল্লী বিদ্যুৎ সমিতির বিরুদ্ধে প্রতি মাসের ব্যবহৃত বিদ্যুৎ ইউনিট সমন্বয় না করে অসামঞ্জস্য ও অস্বাভাবিক বিদ্যুৎ বিল লিপিবদ্ধ করার অভিযোগ করেছেন বেশ কিছু ভুক্তভোগী বিদ্যুৎ গ্রাহক। তার মধ্যে একজন লিখিত অভিযোগ করেছেন। মঙ্গলবার (২৮ জুলাই) উপজেলার আশুজিয়া ইউনিয়নের আশুজিয়া গ্রামের মো.রহিছ মিয়ার ছেলে অটোরিকশা চালক মো.আব্দুল কাইয়ুম এই অভিযোগ করেন। তিনি বলেন,গত মে, জুন ও চলতি জুলাই মাসে তার বিদ্যুৎ বিল লিপিবদ্ধ হয়েছে যথাক্রমে ৪৪১ টাকা , ৬০৩ টাকা ও ৫২৫৮ টাকা । এ সময়ের বিলের কাগজে প্রথম মাসে বিদ্যুৎ ইউনিট ৭৫, দ্বিতীয় মাসে ৯০ এবং তৃতীয় মাসে অর্থাৎ চলতি জুলাই মাসে ৫০০ ইউনিট দেখানো হয়েছে । ভুক্তভোগী মো. আব্দুল কাইয়ুম আরও বলেন, মিটারের রিডিং ঠিক আছে । আগে প্রতি মাসে বিল আসতো ১২শ’ টাকার মতো ৷ কিন্তু গত তিন মাসে ববহৃত বিদ্যুৎ ইউনিট ৬৫ ইউনিট,৯০ ইউনিট চলতি মাসে ৫০০ ইউনিট।
এই ভৌতিক বিল কেন? কেন বিলের সমন্বয়হীনতা তা জানতে চাই । তাছাড়া আমাকে জরিমানা করা হয়েছে ৮শত টাকা ।কেন এই জরিমান? আমি এই সংকট থেকে মুক্তি চাই। বিশেষ করে জুলাই মাসের বিদ্যুৎ বিলের কারণে আমি মানসিক চাপে পড়েছি । এক সাথে এত বিল আমি দিতে না পারায় জরিমানাও করা হয়েছে আমাকে । কোথায় পাব এত টাকা! এদিকে অসামঞ্জস্য বিলের অভিযোগ আনিছ ইকবাল খানসহ আরও কয়েক জনের। অনেকেই সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে এমন অসামঞ্জস্য বিলের অভিযোগ তুলেছেন পল্লীবিদ্যুতের বিরুদ্ধে। অনেকেই বলেন, ঠিকমত বিদ্যুৎ পাই না আবার অস্বভাবিক বিদ্যুৎ বিল।এ থেকে আমরা উত্তোরণ চাই। এ বিষয়ে সোমবার কেন্দুয়া পল্লী বিদ্যুৎ জোনাল অফিসের ডেপুটি জেনারেল ম্যানেজার (ডিজিএম) প্রকৌশলী মো. ওমর ফারুক বলেন, বছর শেষে জুন মাসে বিল কিছু বেশী আসে। দয়া করে ভুক্তভোগীকে অফিসে আসতে বলুন,আমি দেখছি কী করা যায় । তিনি আরো বলেন, কেনো এমন হলো,আরও কারও যদি এমন অভিযোগ থাকে তাদের বিষয় গুলো তদন্ত করে এ সম্পর্কে প্রয়োজনীয় যথাযথ ব্যবস্থা নেয়া হবে ।
প্রতিবেদকের নাম 


















