Dhaka ০৫:৩২ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ০৪ জুন ২০২৬, ২১ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনামঃ
প্রচণ্ড গরমে জনজীবন অতিষ্ঠ নিজেকে সুরক্ষিত রাখতে যা করবেন মাদারগঞ্জের কালিবাড়ী বাজারে, শাহিনের মার্কেটে আগুন….. আধুনিকতার গ্রাসে হারাচ্ছে ঐতিহ্য ঠাকুরগাঁওয়ে বিলুপ্তির পথে দেশীয় মাছ ধরার সরঞ্জাম খাগড়াছড়িতে শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের ৪৫তম শাহাদাৎ বার্ষিকী উপলক্ষ্যে আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত ঈদগাঁও নদীতে ভাসমান কিশোরের মরদেহ উদ্ধার পীরগঞ্জে প্রধানমন্ত্রীর বিশেষ কর্মসূচির আওতায় ৭৩ ক্ষুদ্র নৃ-গোষ্ঠী শিক্ষার্থী পেল শিক্ষাবৃত্তি বিশ্ব পরিবেশ দিবসে কার্যকরী পদক্ষেপ গ্রহণে গাইবান্ধায় মহিলা পরিষদের স্মারকলিপি প্রদান মাদারগঞ্জে গতকালের পর, আবারও আজ হিটস্ট্রোকে কৃষকের মৃত্যু….. নীলফামারীতে গ্রামপুলিশ মিনহাজুলের অনিয়ম ও দুর্নীতির অভিযোগের তদন্তে প্রশাসন পতেঙ্গায় অবৈধ টমটমের দাপট ও লক্ষ টাকার টোকেন বাণিজ্য

ঈদযাত্রার নয়দিনে সড়কে প্রাণ গেছে ২৩০ জন

  • প্রতিবেদকের নাম
  • আপডেটের সময়: ০৮:০৯:৪৫ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ২৭ মার্চ ২০২৬
  • ২২৭ সময় দেখুন

এবারের ঈদযাত্রার নয়দিনে সারাদেশে অন্তত ২৬৯টি সড়ক, রেল ও নৌ দুর্ঘটনায় অন্তত ২৩০ জন মানুষ নিহত হয়েছেন। এর মধ্যে, গত ২৫ মার্চ রাজবাড়ীর দৌলতদিয়ায় ফেরিতে ওঠার সময় যাত্রীবাহী বাস উল্টে নদীতে পড়ে গেলে এখন পর্যন্ত ২৬ জনের লাশ উদ্ধার করা হয়েছে। এর আগে, গত ১৭ মার্চ দুপুর থেকে ২৪ মার্চ দুপুর পর্যন্ত আট দিনে অন্তত ২৬৮ সড়ক দুর্ঘটনায় কমপক্ষে ২০৪ জন নিহত হয়েছেন। রোড সেফটি ফাউন্ডেশনের জরিপের তথ্য বিশ্লেষণ করে এ তথ্য জানা যায়। নির্বাহী পরিচালক সাইদুর রহমান জানান, ঈদযাত্রায় অন্তত দেড় হাজারের বেশি মানুষ আহত হয়েছেন। রোড সেফটি ফাউন্ডেশনের তথ্য মতে, জানুয়ারি মাসে দেশে সড়ক দুর্ঘটনা ঘটেছে ৫৫৯টি। নিহত ৪৮৭ জন এবং আহত ১ হাজার ১৯৪ জন। নিহতের মধ্যে নারী ৬৮ জন এবং শিশু ৫৭।

 

২০৮টি মোটরসাইকেল দুর্ঘটনায় নিহত ১৯৬ জন, যা মোট নিহতের ৪০ দশমিক ২৪ শতাংশ। এর মধ্যে মোটরসাইকেল দুর্ঘটনার হার ৩৭ দশমিক ২০ শতাংশ। দুর্ঘটনায় ১৩২ জন পথচারী নিহত হয়েছেন, যা মোট নিহতের ২৭ দশমিক ১০ শতাংশ। যানবাহনের চালক ও সহকারী নিহত হয়েছেন ৬৭ জন। অর্থাৎ ১৩ দশমিক ৭৫ শতাংশ। এ সময়ে চারটি নৌ-দুর্ঘটনায় ছয়জন নিহত এবং সাত জন আহত হয়েছেন। ৪১টি রেল ট্র্যাক দুর্ঘটনায় ৩২ জন নিহত এবং ১৭ জন আহত হয়েছেন। অন্যদিকে, ফেব্রুয়ারি মাসে দেশে সড়ক দুর্ঘটনা ঘটেছে ৫১৭টি। নিহত ৪৩২ জন এবং আহত ১০৬৮ জন। নিহতের মধ্যে নারী ৫৬, শিশু ৬২। ১৮৭টি মোটরসাইকেল দুর্ঘটনায় নিহত ১৭৪ জন, যা মোট নিহতের ৪০ দশমিক ২৭ শতাংশ। মোটরসাইকেল দুর্ঘটনার হার ৩৬ দশমিক ১৭ শতাংশ। দুর্ঘটনায় ১০২ জন পথচারী নিহত হয়েছেন, যা মোট নিহতের ২৩ দশমিক ৬১ শতাংশ। যানবাহনের চালক ও সহকারী নিহত হয়েছেন ৬৪ জন, অর্থাৎ ১৪ দশমিক ৮১ শতাংশ। এই সময়ে ৮টি নৌ-দুর্ঘটনায় ৩ জন নিহত এবং ৯ জন আহত হয়েছেন। ৪৩টি রেল ট্র্যাক দুর্ঘটনায় ২৮ জন নিহত এবং ১৪ জন আহত হয়েছেন।

আরও পড়ুনঃ  বিদ্যুতের দাম বাড়লো

 

রোড সেফটি ফাউন্ডেশন বলছে, গত জানুয়ারি মাসে সড়ক দুর্ঘটনায় প্রতিদিন গড়ে নিহত হয়েছিল ১৫ দশমিক ৭০ জন। ফেব্রুয়ারি মাসে প্রতিদিন গড়ে নিহত হয়েছেন ১৫ দশমিক ৪২ জন। এই হিসেবে এই দুই মাসে সড়ক দুর্ঘটনায় প্রাণহানি কমেছে ১ দশমিক ৭৮ শতাংশ। দুর্ঘটনায় প্রাণহানি কমার এ হার কোনো টেকসই উন্নতির সূচক নির্দেশ করছে না। কারণ সড়ক পরিবহন ব্যবস্থাপনায় কোনো দৃশ্যমান উন্নতি নেই। ফাউন্ডেশনের নির্বাহী পরিচালক সাইদুর রহমান বলেন, কেবল ঈদযাত্রার এই কয়দিনে এত মানুষের মৃত্যু হয়েছে। এখনও মার্চ মাসের মৃত্যুর পরিসংখ্যান এখনও ফাউন্ডেশন প্রকাশ করেনি। প্রতিবেদন তৈরির কাজ চলছে। এতে এই মাসে মৃতের সংখ্যা জানা যাবে। এ সময় এবারের ঈদযাত্রায় দুর্ঘটনার মূল কারণ হিসেবে যানবাহন ও ট্রাফিক অব্যবস্থাপনার কথা উল্লেখ করেন তিনি। তিনি ট্রাফিক ব্যবস্থাপনার আমূল সংস্কারের সুপারিশও করেন।

আরও পড়ুনঃ  তুরাগ নদীতে ডিজে গানের তালে নৌভ্রমণে দুর্ঘটনা

 

২০২৫ সালে রাজধানীতে সড়ক দুর্ঘটনার চিত্র: ২০২৫ সালে রাজধানীতে ৪০৯টি সড়ক দুর্ঘটনায় ২১৯ জন নিহত এবং ৫১১ জন আহত হয়েছেন। এর মধ্যে পুরুষ ১৭৬ জন। যা মোট মৃত্যুর ৮০ দশমিক ৩৬ শতাংশ। নারী ২৫ জন। অর্থাৎ ১১ দশমিক ৪১ শতাংশ। এছাড়া শিশু মারা গেছে ১৮ জন। যা মোট মৃত্যুর ৮ দশমিক ২১ শতাংশ। নিহতদের মধ্যে পথচারী ৪৭ দশমিক ০৩ শতাংশ, মোটরসাইকেল চালক ও আরোহী ৪৩ দশমিক ৩৭ শতাংশ এবং বাস, রিকশা, সিএনজি ইত্যাদি যানবাহনের চালক ও আরোহী ৯ দশমিক ৫৮ শতাংশ রাজধানীর দুর্ঘটনার সময় পর্যবেক্ষণে দেখা যায়- ভোরে ১১ দশমিক ২৪ শতাংশ, সকালে ১৮ দশমিক ৩৩ শতাংশ, দুপুরে ৯ দশমিক ৫৩ শতাংশ, বিকেলে ১৩ দশমিক ৪৪ শতাংশ, সন্ধ্যায় ৫ দশমিক ৮৬ শতাংশ এবং রাতে ৪১ দশমিক ৫৬ শতাংশ দুর্ঘটনা ঘটেছে।

আরও পড়ুনঃ  নেপালকে হারিয়ে টানা তৃতীয়বার ফাইনালে বাংলাদেশ

রাজধানীতে দুর্ঘটনায় সম্পৃক্ত যানবাহনের মধ্যে বাস ২৪ দশমিক ৮৭ শতাংশ, ট্রাক-কাভার্ডভ্যান-পিকআপ-ট্যাংকার-ময়লাবাহী ট্রাক ৩৫ দশমিক ১৪ শতাংশ, মোটরসাইকেল ২১ দশমিক ৫৩ শতাংশ, মাইক্রোবাস-প্রাইভেটকার-জিপ ৪ দশমিক ১২ শতাংশ, থ্রি-হুইলার (অটোরিকশা-সিএনজি-লেগুনা) ১১ দশমিক ৮২ শতাংশ এবং রিকশা ২ দশমিক ৪৮ শতাংশ।
দুর্ঘটনা রাতে এবং সকালে বেশি ঘটেছে। বাইপাস রোড না থাকার কারণে রাত ১০টা থেকে ভোর ৬টা পর্যন্ত রাজধানীতে মালবাহী ভারী যানবাহন বেপরোয়া গতিতে চলাচল করে। ফলে রাস্তা পারাপারে পথচারীরা বেশি হতাহত হচ্ছেন। এছাড়া যানজটের কারণে যানবাহন চালকদের আচরণে অসহিষ্ণুতা ও ধৈর্যহানি ঘটছে, যা সড়ক দুর্ঘটনার কারণ হিসেবে কাজ করছে। রাজধানীর যাত্রাবাড়ী, ডেমরা, মোহাম্মদপুর, কুড়িল বিশ্বরোড এবং বিমানবন্দর সড়ক দুর্ঘটনার হটস্পট হয়ে উঠেছে।

Tag :
জনপ্রিয় পোস্ট

প্রচণ্ড গরমে জনজীবন অতিষ্ঠ নিজেকে সুরক্ষিত রাখতে যা করবেন

ঈদযাত্রার নয়দিনে সড়কে প্রাণ গেছে ২৩০ জন

আপডেটের সময়: ০৮:০৯:৪৫ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ২৭ মার্চ ২০২৬

এবারের ঈদযাত্রার নয়দিনে সারাদেশে অন্তত ২৬৯টি সড়ক, রেল ও নৌ দুর্ঘটনায় অন্তত ২৩০ জন মানুষ নিহত হয়েছেন। এর মধ্যে, গত ২৫ মার্চ রাজবাড়ীর দৌলতদিয়ায় ফেরিতে ওঠার সময় যাত্রীবাহী বাস উল্টে নদীতে পড়ে গেলে এখন পর্যন্ত ২৬ জনের লাশ উদ্ধার করা হয়েছে। এর আগে, গত ১৭ মার্চ দুপুর থেকে ২৪ মার্চ দুপুর পর্যন্ত আট দিনে অন্তত ২৬৮ সড়ক দুর্ঘটনায় কমপক্ষে ২০৪ জন নিহত হয়েছেন। রোড সেফটি ফাউন্ডেশনের জরিপের তথ্য বিশ্লেষণ করে এ তথ্য জানা যায়। নির্বাহী পরিচালক সাইদুর রহমান জানান, ঈদযাত্রায় অন্তত দেড় হাজারের বেশি মানুষ আহত হয়েছেন। রোড সেফটি ফাউন্ডেশনের তথ্য মতে, জানুয়ারি মাসে দেশে সড়ক দুর্ঘটনা ঘটেছে ৫৫৯টি। নিহত ৪৮৭ জন এবং আহত ১ হাজার ১৯৪ জন। নিহতের মধ্যে নারী ৬৮ জন এবং শিশু ৫৭।

 

২০৮টি মোটরসাইকেল দুর্ঘটনায় নিহত ১৯৬ জন, যা মোট নিহতের ৪০ দশমিক ২৪ শতাংশ। এর মধ্যে মোটরসাইকেল দুর্ঘটনার হার ৩৭ দশমিক ২০ শতাংশ। দুর্ঘটনায় ১৩২ জন পথচারী নিহত হয়েছেন, যা মোট নিহতের ২৭ দশমিক ১০ শতাংশ। যানবাহনের চালক ও সহকারী নিহত হয়েছেন ৬৭ জন। অর্থাৎ ১৩ দশমিক ৭৫ শতাংশ। এ সময়ে চারটি নৌ-দুর্ঘটনায় ছয়জন নিহত এবং সাত জন আহত হয়েছেন। ৪১টি রেল ট্র্যাক দুর্ঘটনায় ৩২ জন নিহত এবং ১৭ জন আহত হয়েছেন। অন্যদিকে, ফেব্রুয়ারি মাসে দেশে সড়ক দুর্ঘটনা ঘটেছে ৫১৭টি। নিহত ৪৩২ জন এবং আহত ১০৬৮ জন। নিহতের মধ্যে নারী ৫৬, শিশু ৬২। ১৮৭টি মোটরসাইকেল দুর্ঘটনায় নিহত ১৭৪ জন, যা মোট নিহতের ৪০ দশমিক ২৭ শতাংশ। মোটরসাইকেল দুর্ঘটনার হার ৩৬ দশমিক ১৭ শতাংশ। দুর্ঘটনায় ১০২ জন পথচারী নিহত হয়েছেন, যা মোট নিহতের ২৩ দশমিক ৬১ শতাংশ। যানবাহনের চালক ও সহকারী নিহত হয়েছেন ৬৪ জন, অর্থাৎ ১৪ দশমিক ৮১ শতাংশ। এই সময়ে ৮টি নৌ-দুর্ঘটনায় ৩ জন নিহত এবং ৯ জন আহত হয়েছেন। ৪৩টি রেল ট্র্যাক দুর্ঘটনায় ২৮ জন নিহত এবং ১৪ জন আহত হয়েছেন।

আরও পড়ুনঃ  ঈদ-পরবর্তী সময়েও পর্যটকদের পদচারণায় মুখর বান্দরবান

 

রোড সেফটি ফাউন্ডেশন বলছে, গত জানুয়ারি মাসে সড়ক দুর্ঘটনায় প্রতিদিন গড়ে নিহত হয়েছিল ১৫ দশমিক ৭০ জন। ফেব্রুয়ারি মাসে প্রতিদিন গড়ে নিহত হয়েছেন ১৫ দশমিক ৪২ জন। এই হিসেবে এই দুই মাসে সড়ক দুর্ঘটনায় প্রাণহানি কমেছে ১ দশমিক ৭৮ শতাংশ। দুর্ঘটনায় প্রাণহানি কমার এ হার কোনো টেকসই উন্নতির সূচক নির্দেশ করছে না। কারণ সড়ক পরিবহন ব্যবস্থাপনায় কোনো দৃশ্যমান উন্নতি নেই। ফাউন্ডেশনের নির্বাহী পরিচালক সাইদুর রহমান বলেন, কেবল ঈদযাত্রার এই কয়দিনে এত মানুষের মৃত্যু হয়েছে। এখনও মার্চ মাসের মৃত্যুর পরিসংখ্যান এখনও ফাউন্ডেশন প্রকাশ করেনি। প্রতিবেদন তৈরির কাজ চলছে। এতে এই মাসে মৃতের সংখ্যা জানা যাবে। এ সময় এবারের ঈদযাত্রায় দুর্ঘটনার মূল কারণ হিসেবে যানবাহন ও ট্রাফিক অব্যবস্থাপনার কথা উল্লেখ করেন তিনি। তিনি ট্রাফিক ব্যবস্থাপনার আমূল সংস্কারের সুপারিশও করেন।

আরও পড়ুনঃ  পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক মন্ত্রীর পদত্যাগ, পাহাড়ের রাজনীতিতে নতুন আলোচনা

 

২০২৫ সালে রাজধানীতে সড়ক দুর্ঘটনার চিত্র: ২০২৫ সালে রাজধানীতে ৪০৯টি সড়ক দুর্ঘটনায় ২১৯ জন নিহত এবং ৫১১ জন আহত হয়েছেন। এর মধ্যে পুরুষ ১৭৬ জন। যা মোট মৃত্যুর ৮০ দশমিক ৩৬ শতাংশ। নারী ২৫ জন। অর্থাৎ ১১ দশমিক ৪১ শতাংশ। এছাড়া শিশু মারা গেছে ১৮ জন। যা মোট মৃত্যুর ৮ দশমিক ২১ শতাংশ। নিহতদের মধ্যে পথচারী ৪৭ দশমিক ০৩ শতাংশ, মোটরসাইকেল চালক ও আরোহী ৪৩ দশমিক ৩৭ শতাংশ এবং বাস, রিকশা, সিএনজি ইত্যাদি যানবাহনের চালক ও আরোহী ৯ দশমিক ৫৮ শতাংশ রাজধানীর দুর্ঘটনার সময় পর্যবেক্ষণে দেখা যায়- ভোরে ১১ দশমিক ২৪ শতাংশ, সকালে ১৮ দশমিক ৩৩ শতাংশ, দুপুরে ৯ দশমিক ৫৩ শতাংশ, বিকেলে ১৩ দশমিক ৪৪ শতাংশ, সন্ধ্যায় ৫ দশমিক ৮৬ শতাংশ এবং রাতে ৪১ দশমিক ৫৬ শতাংশ দুর্ঘটনা ঘটেছে।

আরও পড়ুনঃ  পতেঙ্গায় অবৈধ টমটমের দাপট ও লক্ষ টাকার টোকেন বাণিজ্য

রাজধানীতে দুর্ঘটনায় সম্পৃক্ত যানবাহনের মধ্যে বাস ২৪ দশমিক ৮৭ শতাংশ, ট্রাক-কাভার্ডভ্যান-পিকআপ-ট্যাংকার-ময়লাবাহী ট্রাক ৩৫ দশমিক ১৪ শতাংশ, মোটরসাইকেল ২১ দশমিক ৫৩ শতাংশ, মাইক্রোবাস-প্রাইভেটকার-জিপ ৪ দশমিক ১২ শতাংশ, থ্রি-হুইলার (অটোরিকশা-সিএনজি-লেগুনা) ১১ দশমিক ৮২ শতাংশ এবং রিকশা ২ দশমিক ৪৮ শতাংশ।
দুর্ঘটনা রাতে এবং সকালে বেশি ঘটেছে। বাইপাস রোড না থাকার কারণে রাত ১০টা থেকে ভোর ৬টা পর্যন্ত রাজধানীতে মালবাহী ভারী যানবাহন বেপরোয়া গতিতে চলাচল করে। ফলে রাস্তা পারাপারে পথচারীরা বেশি হতাহত হচ্ছেন। এছাড়া যানজটের কারণে যানবাহন চালকদের আচরণে অসহিষ্ণুতা ও ধৈর্যহানি ঘটছে, যা সড়ক দুর্ঘটনার কারণ হিসেবে কাজ করছে। রাজধানীর যাত্রাবাড়ী, ডেমরা, মোহাম্মদপুর, কুড়িল বিশ্বরোড এবং বিমানবন্দর সড়ক দুর্ঘটনার হটস্পট হয়ে উঠেছে।