মোঃ জামাল উদ্দিন, মাধবপুর (হবিগঞ্জ) প্রতিনিধি
ইটাখোলা ফাজিল (ডিগ্রী) মাদরাসার গভর্নিং বডির সম্মানিত সভাপতি এবং সায়হাম নীট কম্পোজিট লিমিটেড-এর ব্যবস্থাপনা পরিচালক, বিশিষ্ট শিল্পপতি এমপি পুত্র আলহাজ্ব সৈয়দ মোঃ শাফকাত আহমেদ তাঁর নিজস্ব অর্থায়নে মাদরাসার পুরো ক্যাম্পাসে ওয়াইফাই জোন স্থাপন, মাল্টিমিডিয়া হলরুম,লাইব্রেরি, আইসিটি ক্লাসরুম স্থাপন করে মাদরাসা শিক্ষাকে আরো উন্নত,আরো গতিশীল এবং আধুনিকায়নে এক যুগান্তকারী যোগপযোগী পদক্ষেপ গ্রহণ করে সোশ্যাল মিডিয়া ফেইসবুকে তিনি নেটিজেনদের ভুয়সী প্রশংসায় ভাসছেন।
গভর্নিং বডির অভিভাবক সদস্য জনাব জামাল উদ্দিন বলেন-- বিগত একমাস আগে সংবর্ধনা অনুষ্ঠানে ওয়াদাকৃত প্রকল্প আজ বাস্তবায়ন করে তিনি ইতিহাস তৈরি করলেন। পাশাপাশি সবার মনের গহিনে এক অফুরন্ত ভালবাসায় ভূষিত হলেন।
এমন একজন হৃদয়বান মানুষকে গভর্নিং বডির সভাপতি পেয়ে আমরা সত্যি ই আনন্দিত, গর্বিত।
ঐতিহ্যবাহী এই মাদরাসার প্রতিষ্ঠাতা সভাপতি ছিলেন ওনার দাদা মরহুম সৈয়দ সঈদ উদ্দিন সাহেব। তারপর ওনার বাবা বর্তমান এমপি মহোদয় এস এম ফয়সাল সাহেবও অত্র মাদরাসার সভাপতি ছিলেন। সরকারি অর্থায়নের পাশাপাশি ওনাদের নিজস্ব অর্থায়নে মাদ্রাসার মসজিদ,একতলা ভবন,টিনসেট ভবন সহ অসংখ্য অনুদানে এই ঐতিহ্যবাহী ইটাখোলা ফাজিল (ডিগ্রি)মাদরাসা আজ ফাজিল (ডিগ্রি)শ্রেণিতে উন্নিত হয়েছে। মাদরাসা ক্যাম্পাস হয়েছে অপরূপ সুন্দর। ওনার আন্তরিক চেষ্টায় আগামীতে মাদরাসাটি কামিল (এমএ)পর্যন্ত উন্নিত হবে আমরা আশাবাদী।
মাদরাসার অধ্যক্ষ জনাব মাওলানা মোঃ আমির হোসেন জাকারিয়া বলেন,,আমরা এমন একজন দানবীর,স্মার্ট, সুশিক্ষিত সভাপতি পেয়েছি যিনি মনে হয় সব সময় দেয়ার জন্যই প্রস্তুত থাকেন।
ওনার আগেও সভাপতি মহোদয়ের বাবা যিনি বর্তমানে হবিগঞ্জ-৪ আসনের এমপি মহোদয় তিনিও সব সময়ই এভাবেই মাদরাসাকে একান্তই নিজের প্রতিষ্ঠান মনে করে সাহায্য সহযোগিতা করে গেছেন। এক কথায় আমি বলবো,, ওনি হলেন যোগ্য বাবার যোগ্য সন্তান।
এমন একজনকে সভাপতি পেয়ে আমরা মাদরাসার পক্ষ থেকে কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করছি। এবং ওনার নেক হায়াৎ কামনা করছি।
এক মাসের মধ্যে ই এমন সুযোগ সুবিধা পেয়ে মাদরাসার শিক্ষকবৃন্দ এবং ছাত্র ছাত্রীরা সবাই যেন ঈদের আনন্দে ভাসছে।