নাগরপুর(টাঙ্গাইল)প্রতিনিধি: গয়েশ্বর চন্দ্র রায় বলেছেন, ধর্মকে ব্যবসার হাতিয়ার হিসেবে ব্যবহারকারীরাই মানুষের মাঝে বিভেদ সৃষ্টি করে এবং নিজেদের স্বার্থ হাসিলের চেষ্টা করে। এ ধরনের প্রবণতা বহুদিন ধরেই সমাজে বিদ্যমান। শনিবার দুপুরে নাগরপুর-এ রবিউল আওয়াল লাভলু'র বাসভবনে হিন্দু সম্প্রদায়ের নেতৃবৃন্দের সঙ্গে এক মতবিনিময় সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন। তিনি বলেন, বাংলাদেশের সংবিধানে এমন কোনো বিষয় নেই যা কোনো ধর্মের সঙ্গে সাংঘর্ষিক। প্রত্যেক নাগরিক স্বাধীনভাবে নিজ নিজ ধর্ম পালন করতে পারেন। সংবিধান কারও ধর্মীয় চর্চায় বাধা সৃষ্টি করে না। গয়েশ্বর চন্দ্র রায় আরও বলেন, বংশ পরিচয় কখনো একজন মানুষের প্রকৃত পরিচয় হতে পারে না। প্রকৃত মানুষ হতে হলে জ্ঞান অর্জন এবং মানবিক মূল্যবোধ ধারণ করতে হয়।
সভায় আরও বক্তব্য দেন রবিউল আওয়াল লাভলু, উপজেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক মোঃ হাবিবুর রহমান হবি, নাগরপুর কেন্দ্রীয় কালিবাড়ি কমিটির সভাপতি রমেন্দ্র নারায়ণ শীল, সাধারণ সম্পাদক রামেন্দ্র সুন্দর বোস এবং উপজেলা বিএনপির প্রশিক্ষণ বিষয়ক সম্পাদক প্রভাস চক্রবর্তী। বক্তব্যের এক পর্যায়ে তিনি বলেন, ভারতে উগ্রবাদী প্রবণতা যেভাবে মাথাচাড়া দিয়ে উঠছে, তার প্রভাব যেন বাংলাদেশে না পড়ে সেজন্য সবাইকে সতর্ক থাকতে হবে। একই সঙ্গে সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি ও পারস্পরিক সহাবস্থান বজায় রাখার আহ্বান জানান তিনি। সভায় বিএনপি ও অঙ্গ-সহযোগী সংগঠনের নেতাকর্মীরাও উপস্থিত ছিলেন।