আবু ওবায়দুল হক খাজা , চিলমারী ( কুড়িগ্রাম) প্রতিনিধি : চিলমারী উপজলা সদরের থানাহাট বাজারে ঈদুল আজহা উপলক্ষ্যে কোরবানির পশুর হাট বসানোকে কেন্দ্র করে উস্কানীমূলক ও উদ্দেশ্য প্রনোদিত খবরের প্রতিবাদ জানিয়ে ২৫/০৫/২০২৬ ইং তারিখে সংবাদ সম্মেলন করেছেন সংশ্লিষ্ট ইজারাদার। সংবাদ সম্মেলনে ইজারাদার দাবী করেন, আমি উপজেলা নির্বাহী অফিসার ও কলেজের অধ্যক্ষের নিকট আসন্ন ঈদ উল আজহা উপলক্ষ্যে পশুর হাট বসানোর জন্য আবেদন করি। এর প্রেক্ষিতে জেলা প্রশাসকের ডাকে মিটিং এ উপস্থিত হই এবং সংশ্লিষ্ট ব্যাংকে ২৫ হাজার টাকা স্লিপের মাধ্যমে জমা করি। স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, চিলমারী উপজেলার থানাহাট বাজারের ইজারাদার জিহাদ ফেরদৌস চমক চলতি অর্থবছরে তিনি ১০ লাখ ৭০ হাজার টাকায় থানাহাট বাজার ইজারা নিয়েছেন। উক্ত হাটে জায়গার সংকুলান না হওয়ায় বিগত বছর গুলোর মতোই এ বছরেও চিলমারী ডিগ্রী কলেজ মাঠে পশু হাটির আয়োজন করা হয়। কিন্তু কলেজ কর্তৃপক্ষ স্থানীয় প্রয়োজনকে অবজ্ঞা করে বিভিন্ন ভাবে পশুর হাট বসাতে উদ্দেশ্য প্রনোদিত ভাবে বাধার সৃষ্টি করেন। এরই প্রক্ষিতে কলেজের অধ্যক্ষ প্রশাসনের বিভিন্ন দপ্তরে অভিযোগ করেন।
অথচ থানাহাট বাজারের বৈধ ইজারদারকে ঈদ উল আজহার হাটের জায়গা না দিয়ে প্রশাসন কলেজ মাঠে হাট বসানোতে সহযোগিতার পরিবর্তে হাট বন্ধের পায়তারা করছেন মর্মে স্থানীয়রা অভিযোগ করেছেন। ফলে ইজারাদারের ইজারার টাকা উত্তোলন নিয়ে মারাত্মক ক্ষতির সম্ভাবনা দেখা দিয়েছে। মূলতঃ জেহাদ ফেরদৌস চমকের রাজনৈতিক সূনাম ক্ষূন্ন করার জন্য স্বর্থান্বেষী একটি মহল বিভিন্ন সংবাদ মাধ্যমে উদ্দেশ্যমূলক ও উস্কানিমূলক খবর প্রকাশ করছেন। তিনি এর তিব্র নিন্দাকরে জোরালো প্রতিবাদ জানিয়েছেন। জিহাদ ফেরদৌস চমকের দাবি, জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ে ২৫ হাজার টাকা জমা দিয়ে তিনি কলেজ মাঠে হাট বসানোর অনুমোদন নিয়েছেন। প্রকাশ থাকে যে, থানাহাট বাজারের ধান,পাট ও পশুর হাট পুর্বের সময়ে কলেজের পাশেই বসানো হতো যা বর্তমানে উপজেলা ভূমি অফিসের দখলে রয়েছে। তবে চিলমারী সরকারি ডিগ্রি কলেজের অধ্যক্ষ মজিবল হায়দার চৌধুরীর একরোখা সিদ্ধান্তে কলেজ বন্ধ থাকাকালীন মাঠে খেলা-ধুলা করতেও বিধি নিষেধ আরোপের অভিযোগ রয়েছে। সচেতন মহল দাবী করেন, সামাজিক এ সব অনুষ্ঠানের সহযোগিতা করার জন্য প্রশাসনকে আন্তরিক হওয়া উচিত। কারন, " প্রয়োজন কোন বাধ্যবাধকতা মানেনা।"