Dhaka ০৪:২২ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ১৯ এপ্রিল ২০২৬, ৫ বৈশাখ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনামঃ
দাম বেড়ে অকটেন ১৪০, পেট্রোল ১৩৫, ডিজেল ১১৫ টাকা ২০২৬ সালের এসএসসি ও সমমানের পরীক্ষা চলাকালীন যানচলাচল সম্পর্কিত ডিএমপির নির্দেশনাবলী প্রকাশ চিলমারীতে বাড়ির পাশেই মিলল শিশু আয়শার ক্ষতবিক্ষত নিথর মৃত দেহ যোগ্যদের স্বীকৃতি দিতে পেরে গর্বিত” চসিক মেয়র ডা. শাহাদাত হোসেন লক্ষ্মীপুরে ফোর লেন সড়ক প্রকল্পের কাজ ২০২৯ সালে শেষ হবে: পানিসম্পদ মন্ত্রী আফমি প্লাজা ঈদ বিক্রয় উৎসব, পুরস্কার বিতরণ ও সাংস্কৃতিক সন্ধ্যা সম্পন্ন বায়েজিদে প্রবাসীর বাড়িতে ঢুকে চেক ছিনতাই, উল্টো মামলা ও হয়রানির শিকার রেমিটেন্স যোদ্ধা নাগরপুরে তিন দিনব্যাপী বর্ণিল আয়োজনে বর্ষবরণ উৎসব ৮ দলীয় ক্রিকেট টুর্নামেন্টের ফাইনালে চ্যাম্পিয়ন জয়মনি উইনার্স ক্লাব থানারহাট মডেল মাদরাসার দোয়া ও বিদায় অনুষ্ঠান

১৮ বছর রাজপথে যুদ্ধ করেছি এখন মূল্যায়ন না হলে কষ্ট লাগে: আফরোজা আব্বাস

নিজস্ব প্রতিবেদকঃ দীর্ঘদিন আন্দোলন-সংগ্রামে রাজপথে থাকার পর নারীদের মূল্যায়ন না হলে কষ্ট থেকে যায় বলে মন্তব্য করেছেন জাতীয়তাবাদী মহিলা দলের সভাপতি আফরোজা আব্বাস। তিনি বলেন, নারীদের যথাযথ মূল্যায়ন করা হলে দেশ দ্রুত এগিয়ে যাবে। এতে দেশের মানুষও শান্তিতে বসবাস করতে পারবে। আজ শনিবার দুপুরে বিএনপির কেন্দ্রীয় কার্যালয়ের সামনে আন্তর্জাতিক নারী দিবস উপলক্ষে জাতীয়তাবাদী মহিলা দল আয়োজিত র‌্যালির আগে অনুষ্ঠিত সমাবেশে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন। আফরোজা আব্বাস বলেন, বিগত ১৮ বছর আমরা নারীরা রাজপথে যুদ্ধ করেছি। রাষ্ট্র ও দেশের প্রয়োজনে ঝুঁকি নিয়ে রাস্তায় নেমেছিলাম। এখন যখন দেখি আমাদের প্রয়োজন ফুরিয়ে গেছে, তখন অনেক কষ্ট হয়।

আরও পড়ুনঃ  সংরক্ষিত নারী আসনে বিএনপির মনোনয়নপ্রত্যাশীদের সাক্ষাৎকার

তিনি বলেন, দেশের একটি গুরুত্বপূর্ণ সময় পার করে নারীরা আজ একটি নতুন পর্যায়ে এসে দাঁড়িয়েছে। এই অবস্থায় যদি তাদের যথাযথ মূল্যায়ন না করা হয়, তবে তা হতাশার জন্ম দেয়। তবে তিনি আশা প্রকাশ করে বলেন, শেষ পর্যন্ত সবাই তাদের প্রাপ্য সম্মান ও মূল্যায়ন পাবে। নারী দিবসের এবারের প্রতিপাদ্য প্রসঙ্গে আফরোজা আব্বাস বলেন, নারীর অধিকার, সমতা, রাজনৈতিক ভারসাম্য এবং উন্নয়নের নিশ্চয়তা—এসব বিষয় আজ আর শুধু স্লোগান নয়, বরং এটি একটি গুরুত্বপূর্ণ বার্তা। ২০২৬ সালে এসে নারীর ক্ষমতায়নকে বাস্তবায়নের মধ্য দিয়েই এই বার্তার প্রতিফলন ঘটাতে হবে। তিনি বলেন, বাংলাদেশের রাষ্ট্রপতি হিসেবে দায়িত্ব পালনকালে জিয়াউর রহমান উপলব্ধি করেছিলেন যে দেশের জনসংখ্যার অর্ধেক নারী। তাদের অবহেলিত রেখে দেশের উন্নয়ন সম্ভব নয়। সেই উপলব্ধি থেকেই তিনি নারীদের মেধা ও যোগ্যতার ভিত্তিতে বিভিন্ন ক্ষেত্রে দায়িত্ব দিয়েছিলেন।

আরও পড়ুনঃ  রমনা পার্কে নববর্ষের বর্ণিল আয়োজন

 

মহিলা দলের সভাপতি বলেন, বর্তমানে বাংলাদেশের অর্থনীতির অন্যতম চালিকাশক্তি গার্মেন্ট শিল্প, যা মূলত নারীদের শ্রম ও অবদানে পরিচালিত হচ্ছে। সাবেক প্রধানমন্ত্রী খালেদা জিয়া নারীর ক্ষমতায়নে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখেছেন। অথচ তিনিই সবচেয়ে বেশি নির্যাতনের শিকার হয়েছেন। বর্তমান প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান নারীদের জন্য ‘ফ্যামিলি কার্ড’ চালু করেছেন বলেও উল্লেখ করে তাকে ধন্যবাদ জানান আফরোজা আব্বাস। মহিলা দলের সাবেক সভাপতি নুরী আরা সাফার সভাপতিত্বে এবং সাধারণ সম্পাদক সুলতানা আহমেদের পরিচালনায় সমাবেশে আরও বক্তব্য দেন সংগঠনের সহসভাপতি নিলুফার চৌধুরী মনি, জাহান পান্না, সিনিয়র যুগ্ম সম্পাদক হেলেন জেরিন খান, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক সাহানা আকতার সানু, দপ্তর সম্পাদক শাহীনুর নার্গিস, আন্তর্জাতিক সম্পাদক মমতাজ আলম, মহানগর উত্তর সভাপতি রুনা লায়লা এবং দক্ষিণের সভাপতি রুমা আক্তার। সমাবেশ শেষে নয়াপল্টন থেকে একটি র‌্যালি বের হয়। র‌্যালিটি নাইটিঙ্গেল মোড় ও কাকরাইল মোড় ঘুরে পুনরায় বিএনপির কেন্দ্রীয় কার্যালয়ের সামনে এসে শেষ হয়।

আরও পড়ুনঃ  সংরক্ষিত নারী আসনে বিএনপির মনোনয়ন প্রত্যাশী জেলা মহিলা দলের সম্পাদিকা রওশন আরা 
Tag :
জনপ্রিয় পোস্ট

দাম বেড়ে অকটেন ১৪০, পেট্রোল ১৩৫, ডিজেল ১১৫ টাকা

১৮ বছর রাজপথে যুদ্ধ করেছি এখন মূল্যায়ন না হলে কষ্ট লাগে: আফরোজা আব্বাস

আপডেটের সময়: ০৭:৪৮:২৬ অপরাহ্ন, শনিবার, ৭ মার্চ ২০২৬

নিজস্ব প্রতিবেদকঃ দীর্ঘদিন আন্দোলন-সংগ্রামে রাজপথে থাকার পর নারীদের মূল্যায়ন না হলে কষ্ট থেকে যায় বলে মন্তব্য করেছেন জাতীয়তাবাদী মহিলা দলের সভাপতি আফরোজা আব্বাস। তিনি বলেন, নারীদের যথাযথ মূল্যায়ন করা হলে দেশ দ্রুত এগিয়ে যাবে। এতে দেশের মানুষও শান্তিতে বসবাস করতে পারবে। আজ শনিবার দুপুরে বিএনপির কেন্দ্রীয় কার্যালয়ের সামনে আন্তর্জাতিক নারী দিবস উপলক্ষে জাতীয়তাবাদী মহিলা দল আয়োজিত র‌্যালির আগে অনুষ্ঠিত সমাবেশে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন। আফরোজা আব্বাস বলেন, বিগত ১৮ বছর আমরা নারীরা রাজপথে যুদ্ধ করেছি। রাষ্ট্র ও দেশের প্রয়োজনে ঝুঁকি নিয়ে রাস্তায় নেমেছিলাম। এখন যখন দেখি আমাদের প্রয়োজন ফুরিয়ে গেছে, তখন অনেক কষ্ট হয়।

আরও পড়ুনঃ  জনগণকে গর্জে উঠতে হবে: ডা. শফিকুর রহমান

তিনি বলেন, দেশের একটি গুরুত্বপূর্ণ সময় পার করে নারীরা আজ একটি নতুন পর্যায়ে এসে দাঁড়িয়েছে। এই অবস্থায় যদি তাদের যথাযথ মূল্যায়ন না করা হয়, তবে তা হতাশার জন্ম দেয়। তবে তিনি আশা প্রকাশ করে বলেন, শেষ পর্যন্ত সবাই তাদের প্রাপ্য সম্মান ও মূল্যায়ন পাবে। নারী দিবসের এবারের প্রতিপাদ্য প্রসঙ্গে আফরোজা আব্বাস বলেন, নারীর অধিকার, সমতা, রাজনৈতিক ভারসাম্য এবং উন্নয়নের নিশ্চয়তা—এসব বিষয় আজ আর শুধু স্লোগান নয়, বরং এটি একটি গুরুত্বপূর্ণ বার্তা। ২০২৬ সালে এসে নারীর ক্ষমতায়নকে বাস্তবায়নের মধ্য দিয়েই এই বার্তার প্রতিফলন ঘটাতে হবে। তিনি বলেন, বাংলাদেশের রাষ্ট্রপতি হিসেবে দায়িত্ব পালনকালে জিয়াউর রহমান উপলব্ধি করেছিলেন যে দেশের জনসংখ্যার অর্ধেক নারী। তাদের অবহেলিত রেখে দেশের উন্নয়ন সম্ভব নয়। সেই উপলব্ধি থেকেই তিনি নারীদের মেধা ও যোগ্যতার ভিত্তিতে বিভিন্ন ক্ষেত্রে দায়িত্ব দিয়েছিলেন।

আরও পড়ুনঃ  সংরক্ষিত নারী আসনে বিএনপির মনোনয়নপ্রত্যাশীদের সাক্ষাৎকার

 

মহিলা দলের সভাপতি বলেন, বর্তমানে বাংলাদেশের অর্থনীতির অন্যতম চালিকাশক্তি গার্মেন্ট শিল্প, যা মূলত নারীদের শ্রম ও অবদানে পরিচালিত হচ্ছে। সাবেক প্রধানমন্ত্রী খালেদা জিয়া নারীর ক্ষমতায়নে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখেছেন। অথচ তিনিই সবচেয়ে বেশি নির্যাতনের শিকার হয়েছেন। বর্তমান প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান নারীদের জন্য ‘ফ্যামিলি কার্ড’ চালু করেছেন বলেও উল্লেখ করে তাকে ধন্যবাদ জানান আফরোজা আব্বাস। মহিলা দলের সাবেক সভাপতি নুরী আরা সাফার সভাপতিত্বে এবং সাধারণ সম্পাদক সুলতানা আহমেদের পরিচালনায় সমাবেশে আরও বক্তব্য দেন সংগঠনের সহসভাপতি নিলুফার চৌধুরী মনি, জাহান পান্না, সিনিয়র যুগ্ম সম্পাদক হেলেন জেরিন খান, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক সাহানা আকতার সানু, দপ্তর সম্পাদক শাহীনুর নার্গিস, আন্তর্জাতিক সম্পাদক মমতাজ আলম, মহানগর উত্তর সভাপতি রুনা লায়লা এবং দক্ষিণের সভাপতি রুমা আক্তার। সমাবেশ শেষে নয়াপল্টন থেকে একটি র‌্যালি বের হয়। র‌্যালিটি নাইটিঙ্গেল মোড় ও কাকরাইল মোড় ঘুরে পুনরায় বিএনপির কেন্দ্রীয় কার্যালয়ের সামনে এসে শেষ হয়।

আরও পড়ুনঃ  গণভোট বাস্তবায়নের দাবিতে ১১ দলের ১৫ দিনের কর্মসূচি