Dhaka ০৯:১১ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ২০ অক্টোবর ২০২৬, ৫ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনামঃ
শীলকূপের পূজামণ্ডপ পরিদর্শনে ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান রাশেদ নূরী ও আইনশৃঙ্খলা কমিটি ফরিদগঞ্জে কাছিয়াড়া ফুটসেল ফুটবল টুর্নামেন্ট ফাইনাল ধুনটে বন্ধুর স্ত্রীকে বিয়ে: ক্ষিপ্ত হয়ে বন্ধুকে ছুরিকাঘাত ভৈরবে কিশোরীকে উত্ত্যক্তের অভিযোগে সংবাদ সম্মেলন, হুমকির দাবি পরিবারের প্রসাদপুরের বিভিন্ন পূজামণ্ডপ পরিদর্শন করলেন এমপি সহধর্মিণী লায়লা বারী টিপু সিরাজগঞ্জ জেলার কাজিপুরে কীটনাশক পান করে বাবা-মেয়ের মৃত্যু ফরিদগঞ্জে নকল টাকা সহ ৪ নারী আটক নবাবগঞ্জে অটোভ্যানের ধাক্কায় প্রাণ গেল চার বছরের শিশুর কাউনিয়ায় ফকরুল আলম রতন নামের এক ব্যক্তিকে কুপিয়ে হত্যা সরিষাবাড়ীতে যমুনা শাখা নদীর ওপর ২৭৮ মিটার সেতু নির্মাণকাজের উদ্বোধন

১৮ বছর রাজপথে যুদ্ধ করেছি এখন মূল্যায়ন না হলে কষ্ট লাগে: আফরোজা আব্বাস

নিজস্ব প্রতিবেদকঃ দীর্ঘদিন আন্দোলন-সংগ্রামে রাজপথে থাকার পর নারীদের মূল্যায়ন না হলে কষ্ট থেকে যায় বলে মন্তব্য করেছেন জাতীয়তাবাদী মহিলা দলের সভাপতি আফরোজা আব্বাস। তিনি বলেন, নারীদের যথাযথ মূল্যায়ন করা হলে দেশ দ্রুত এগিয়ে যাবে। এতে দেশের মানুষও শান্তিতে বসবাস করতে পারবে। আজ শনিবার দুপুরে বিএনপির কেন্দ্রীয় কার্যালয়ের সামনে আন্তর্জাতিক নারী দিবস উপলক্ষে জাতীয়তাবাদী মহিলা দল আয়োজিত র‌্যালির আগে অনুষ্ঠিত সমাবেশে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন। আফরোজা আব্বাস বলেন, বিগত ১৮ বছর আমরা নারীরা রাজপথে যুদ্ধ করেছি। রাষ্ট্র ও দেশের প্রয়োজনে ঝুঁকি নিয়ে রাস্তায় নেমেছিলাম। এখন যখন দেখি আমাদের প্রয়োজন ফুরিয়ে গেছে, তখন অনেক কষ্ট হয়।

আরও পড়ুনঃ  প্রশাসনের কড়া নিরাপত্তায় কেরানীগঞ্জে শারদীয় দুর্গোৎসব উদযাপিত: মণ্ডপে মণ্ডপে নিপুন রায় চৌধুরীর কুশল বিনিময়

তিনি বলেন, দেশের একটি গুরুত্বপূর্ণ সময় পার করে নারীরা আজ একটি নতুন পর্যায়ে এসে দাঁড়িয়েছে। এই অবস্থায় যদি তাদের যথাযথ মূল্যায়ন না করা হয়, তবে তা হতাশার জন্ম দেয়। তবে তিনি আশা প্রকাশ করে বলেন, শেষ পর্যন্ত সবাই তাদের প্রাপ্য সম্মান ও মূল্যায়ন পাবে। নারী দিবসের এবারের প্রতিপাদ্য প্রসঙ্গে আফরোজা আব্বাস বলেন, নারীর অধিকার, সমতা, রাজনৈতিক ভারসাম্য এবং উন্নয়নের নিশ্চয়তা—এসব বিষয় আজ আর শুধু স্লোগান নয়, বরং এটি একটি গুরুত্বপূর্ণ বার্তা। ২০২৬ সালে এসে নারীর ক্ষমতায়নকে বাস্তবায়নের মধ্য দিয়েই এই বার্তার প্রতিফলন ঘটাতে হবে। তিনি বলেন, বাংলাদেশের রাষ্ট্রপতি হিসেবে দায়িত্ব পালনকালে জিয়াউর রহমান উপলব্ধি করেছিলেন যে দেশের জনসংখ্যার অর্ধেক নারী। তাদের অবহেলিত রেখে দেশের উন্নয়ন সম্ভব নয়। সেই উপলব্ধি থেকেই তিনি নারীদের মেধা ও যোগ্যতার ভিত্তিতে বিভিন্ন ক্ষেত্রে দায়িত্ব দিয়েছিলেন।

আরও পড়ুনঃ  চকবাজারের ঐতিহাসিক ‘জাহাজবাড়ি’: সংরক্ষণের অভাবে বিলীন পুরান ঢাকার স্থাপত্য ঐতিহ্য

 

মহিলা দলের সভাপতি বলেন, বর্তমানে বাংলাদেশের অর্থনীতির অন্যতম চালিকাশক্তি গার্মেন্ট শিল্প, যা মূলত নারীদের শ্রম ও অবদানে পরিচালিত হচ্ছে। সাবেক প্রধানমন্ত্রী খালেদা জিয়া নারীর ক্ষমতায়নে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখেছেন। অথচ তিনিই সবচেয়ে বেশি নির্যাতনের শিকার হয়েছেন। বর্তমান প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান নারীদের জন্য ‘ফ্যামিলি কার্ড’ চালু করেছেন বলেও উল্লেখ করে তাকে ধন্যবাদ জানান আফরোজা আব্বাস। মহিলা দলের সাবেক সভাপতি নুরী আরা সাফার সভাপতিত্বে এবং সাধারণ সম্পাদক সুলতানা আহমেদের পরিচালনায় সমাবেশে আরও বক্তব্য দেন সংগঠনের সহসভাপতি নিলুফার চৌধুরী মনি, জাহান পান্না, সিনিয়র যুগ্ম সম্পাদক হেলেন জেরিন খান, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক সাহানা আকতার সানু, দপ্তর সম্পাদক শাহীনুর নার্গিস, আন্তর্জাতিক সম্পাদক মমতাজ আলম, মহানগর উত্তর সভাপতি রুনা লায়লা এবং দক্ষিণের সভাপতি রুমা আক্তার। সমাবেশ শেষে নয়াপল্টন থেকে একটি র‌্যালি বের হয়। র‌্যালিটি নাইটিঙ্গেল মোড় ও কাকরাইল মোড় ঘুরে পুনরায় বিএনপির কেন্দ্রীয় কার্যালয়ের সামনে এসে শেষ হয়।

আরও পড়ুনঃ  নিজেদের দ্বন্দ্ব ঢাকতেই বিরোধীদল রাজপথে নতুন নাটক করছে: রিজভী
Tag :
জনপ্রিয় পোস্ট

শীলকূপের পূজামণ্ডপ পরিদর্শনে ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান রাশেদ নূরী ও আইনশৃঙ্খলা কমিটি

১৮ বছর রাজপথে যুদ্ধ করেছি এখন মূল্যায়ন না হলে কষ্ট লাগে: আফরোজা আব্বাস

আপডেটের সময়: ০৭:৪৮:২৬ অপরাহ্ন, শনিবার, ৭ মার্চ ২০২৬

নিজস্ব প্রতিবেদকঃ দীর্ঘদিন আন্দোলন-সংগ্রামে রাজপথে থাকার পর নারীদের মূল্যায়ন না হলে কষ্ট থেকে যায় বলে মন্তব্য করেছেন জাতীয়তাবাদী মহিলা দলের সভাপতি আফরোজা আব্বাস। তিনি বলেন, নারীদের যথাযথ মূল্যায়ন করা হলে দেশ দ্রুত এগিয়ে যাবে। এতে দেশের মানুষও শান্তিতে বসবাস করতে পারবে। আজ শনিবার দুপুরে বিএনপির কেন্দ্রীয় কার্যালয়ের সামনে আন্তর্জাতিক নারী দিবস উপলক্ষে জাতীয়তাবাদী মহিলা দল আয়োজিত র‌্যালির আগে অনুষ্ঠিত সমাবেশে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন। আফরোজা আব্বাস বলেন, বিগত ১৮ বছর আমরা নারীরা রাজপথে যুদ্ধ করেছি। রাষ্ট্র ও দেশের প্রয়োজনে ঝুঁকি নিয়ে রাস্তায় নেমেছিলাম। এখন যখন দেখি আমাদের প্রয়োজন ফুরিয়ে গেছে, তখন অনেক কষ্ট হয়।

আরও পড়ুনঃ  বিরোধীদলীয় নেতার সঙ্গে পাক রাষ্ট্রদূতের বৈঠক

তিনি বলেন, দেশের একটি গুরুত্বপূর্ণ সময় পার করে নারীরা আজ একটি নতুন পর্যায়ে এসে দাঁড়িয়েছে। এই অবস্থায় যদি তাদের যথাযথ মূল্যায়ন না করা হয়, তবে তা হতাশার জন্ম দেয়। তবে তিনি আশা প্রকাশ করে বলেন, শেষ পর্যন্ত সবাই তাদের প্রাপ্য সম্মান ও মূল্যায়ন পাবে। নারী দিবসের এবারের প্রতিপাদ্য প্রসঙ্গে আফরোজা আব্বাস বলেন, নারীর অধিকার, সমতা, রাজনৈতিক ভারসাম্য এবং উন্নয়নের নিশ্চয়তা—এসব বিষয় আজ আর শুধু স্লোগান নয়, বরং এটি একটি গুরুত্বপূর্ণ বার্তা। ২০২৬ সালে এসে নারীর ক্ষমতায়নকে বাস্তবায়নের মধ্য দিয়েই এই বার্তার প্রতিফলন ঘটাতে হবে। তিনি বলেন, বাংলাদেশের রাষ্ট্রপতি হিসেবে দায়িত্ব পালনকালে জিয়াউর রহমান উপলব্ধি করেছিলেন যে দেশের জনসংখ্যার অর্ধেক নারী। তাদের অবহেলিত রেখে দেশের উন্নয়ন সম্ভব নয়। সেই উপলব্ধি থেকেই তিনি নারীদের মেধা ও যোগ্যতার ভিত্তিতে বিভিন্ন ক্ষেত্রে দায়িত্ব দিয়েছিলেন।

আরও পড়ুনঃ  ধর্মীয় পরিচয়ের কারণে কেউ সংখ্যালঘু অনুভব করবে না: সমাজকল্যাণ প্রতিমন্ত্রী

 

মহিলা দলের সভাপতি বলেন, বর্তমানে বাংলাদেশের অর্থনীতির অন্যতম চালিকাশক্তি গার্মেন্ট শিল্প, যা মূলত নারীদের শ্রম ও অবদানে পরিচালিত হচ্ছে। সাবেক প্রধানমন্ত্রী খালেদা জিয়া নারীর ক্ষমতায়নে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখেছেন। অথচ তিনিই সবচেয়ে বেশি নির্যাতনের শিকার হয়েছেন। বর্তমান প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান নারীদের জন্য ‘ফ্যামিলি কার্ড’ চালু করেছেন বলেও উল্লেখ করে তাকে ধন্যবাদ জানান আফরোজা আব্বাস। মহিলা দলের সাবেক সভাপতি নুরী আরা সাফার সভাপতিত্বে এবং সাধারণ সম্পাদক সুলতানা আহমেদের পরিচালনায় সমাবেশে আরও বক্তব্য দেন সংগঠনের সহসভাপতি নিলুফার চৌধুরী মনি, জাহান পান্না, সিনিয়র যুগ্ম সম্পাদক হেলেন জেরিন খান, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক সাহানা আকতার সানু, দপ্তর সম্পাদক শাহীনুর নার্গিস, আন্তর্জাতিক সম্পাদক মমতাজ আলম, মহানগর উত্তর সভাপতি রুনা লায়লা এবং দক্ষিণের সভাপতি রুমা আক্তার। সমাবেশ শেষে নয়াপল্টন থেকে একটি র‌্যালি বের হয়। র‌্যালিটি নাইটিঙ্গেল মোড় ও কাকরাইল মোড় ঘুরে পুনরায় বিএনপির কেন্দ্রীয় কার্যালয়ের সামনে এসে শেষ হয়।

আরও পড়ুনঃ  শিক্ষার সঙ্গে নৈতিকতা খুব গুরুত্বপূর্ণ: পানিসম্পদ মন্ত্রী