Dhaka ০৩:২১ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৬ এপ্রিল ২০২৬, ৩ বৈশাখ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনামঃ
সুন্দরবন সংরক্ষণে যুব সমাজকে ভূমিকা পালন করার আহবান  বান্দরবানে প্রতিমন্ত্রীকে উষ্ণ অভ্যর্থনা: বিএনপির নেতৃবৃন্দের বরণ মৌলভীবাজারে আগাম বন্যা ও বৃষ্টির কারণে ধান কাটা নিয়ে কৃষকরা কিছুটা দুশ্চিন্তায় বান্দরবানে উন্নয়ন ও সমন্বয় জোরদারে বিশেষ মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত দ্রুতই প্রাথমিকে ৬০ হাজার শিক্ষক নিয়োগ: শিক্ষামন্ত্রী মার্কিন নৌ-অবরোধ না তুললে লোহিত সাগরের বাণিজ্য পথ বন্ধের হুমকি ইরানের উন্নয়ন অংশীদারদের কাছে ২০০ কোটি ডলার সহায়তা চাইলেন প্রধানমন্ত্রী এসএসসি ও এসএসসি ভোকেশনাল পরীক্ষা নকলমুক্ত পরিবেশে সম্পন্ন করতে হোসেনপুরে মতবিনিময় সভা ডলুপাড়ায় সাংগ্রাইয়ের জলকেলি: মন্ত্রী-এমপির উপস্থিতিতে সম্প্রীতির মহোৎসব লাল মুক্তিবার্তা ও ভারতীয় তালিকা থেকে ৬৪৭৬ ‘ভুয়া’ মুক্তিযোদ্ধা বাদ

বেগম খালেদা জিয়া ছিলেন আপসহীন রাজনীতির এক অনন্য দৃষ্টান্ত – আমীর খসরু মাহমুদ চৌধুরী

  • প্রতিবেদকের নাম
  • আপডেটের সময়: ১০:৩৯:২৫ অপরাহ্ন, শনিবার, ৩১ জানুয়ারী ২০২৬
  • ১৮৩ সময় দেখুন

চট্টগ্রাম জেলা প্রতিনিধি :
বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য ও চট্টগ্রাম ১১ আসনে বিএনপির প্রার্থী আমীর খসরু মাহমুদ চৌধুরী বলেছেন, বেগম খালেদা জিয়া ছিলেন আপসহীন রাজনীতির এক অনন্য দৃষ্টান্ত। একজন সাধারণ গৃহিণী থেকে রাজনীতিতে এসে তিনি তাঁর জীবনের অধিকাংশ সময় ক্ষমতার বাইরে থেকেও আন্দোলনের মধ্য দিয়ে কাটিয়েছেন। মাত্র ১০-১১ বছর ক্ষমতায় থাকলেও প্রায় ৩০ বছর তিনি আপসহীনভাবে গণতন্ত্রের পক্ষে রাজপথে সংগ্রাম চালিয়ে গেছেন। কঠিন রাজনৈতিক বাস্তবতায় যখন অনেকেই আপস করেছেন কিংবা চাপ নিতে না পেরে সরে দাঁড়িয়েছেন, তখন বেগম খালেদা জিয়া শুরু থেকে শেষ পর্যন্ত এক মুহূর্তের জন্যও আপস করেননি। এই জায়গাতেই তিনি অন্যদের থেকে আলাদা।

 

শনিবার (৩১ জানুয়ারী) বিকেলে নগরীর কাজীর দেউরী আলমাস সিনেমা সংলগ্ন ইন্টারন্যাশনাল কনভেনশন হলে সাবেক প্রধানমন্ত্রী দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়ার স্মরণে এক নাগরিক শোকসভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে এসব কথা বলেন।

 

চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশনের মেয়র ডা. শাহাদাত হোসেনের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত সভায় বেগম খালেদা জিয়ার কর্মময় রাজনৈতিক জীবনের স্মৃতি চারণ করে বক্তব্য রাখেন বিএনপি চেয়ারপারসনের উপদেষ্টা গোলাম আকবর খোন্দকার, ড. সুকোমল বড়ুয়া, এস এম ফজলুল হক, একুশে পদকপ্রাপ্ত দৈনিক আজাদী সম্পাদক এম এ মালেক, ইন্ডিয়ান সহকারী হাই কমিশনার ডা. রাজিব রন্জন।

আরও পড়ুনঃ  ডা. কামরুলের হাসপাতালে চাঁদা দাবি: মূলহোতা মঈনসহ গ্রেফতার ৭

 

বিশ্ব নেতৃত্বের সঙ্গে তুলনা টেনে আমীর খসরু বলেন, মার্টিন লুথার কিং ও নেলসন ম্যান্ডেলার মতো নেতারা যেভাবে জীবনের শেষ পর্যন্ত আপসহীন ছিলেন, বেগম খালেদা জিয়ার ত্যাগও সেই উচ্চতায় পৌঁছেছে। আমরা তাঁর জীবদ্দশায় সেই ত্যাগের গভীরতা পুরোপুরি উপলব্ধি করতে না পারলেও তাঁর মৃত্যুর পর বুঝতে পেরেছি—তিনি কতটা গভীরভাবে বাংলাদেশের মানুষের মনোজগতে জায়গা করে নিয়েছেন।

সভাপতির বক্তব্যে সিটি মেয়র ডা. শাহাদাত হোসেন বলেন, দেশকে এগিয়ে নিতে হলে বেগম খালেদা জিয়ার দেখানো পথেই চলতে হবে। গণতন্ত্র, আইনের শাসন, ন্যায়বিচার ও মানুষের মৌলিক অধিকার প্রতিষ্ঠায় তাঁর অবদান আগামী প্রজন্মকে অনুপ্রাণিত করবে। রাষ্ট্র পরিচালনায় নৈতিকতা ও দায়িত্ববোধ যে অপরিহার্য তিনি তা কর্ম ও উদাহরণ দিয়ে দেখিয়েছেন।
ডা. শাহনাজ মাবুদ শিলভীর পরিচালনায় এতে আরো বক্তব্য রাখেন – তুরুস্কের কনসাল জেনারেল সালাউদ্দীন কাশেম খান, চট্টগ্রাম মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়ের ভিসি অধ্যাপক ডা. ওমর ফারুক ইউসুফ, চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজের অধ্যক্ষ অধ্যাপক ডা. জসিম উদ্দিন, সাবেক অধ্যক্ষ অধ্যাপক ডা. ইমরান বিন ইউনুস, চবি শিক্ষক সমিতির সাবেক সভাপতি অধ্যাপক ড. সিদ্দিক আহমেদ চৌধুরী, প্রিমিয়ার ইউনিভার্সিটির ভিসি অধ্যাপক ড. নসরুল কদির, ইস্ট ডেলটা ইউনিভার্সিটির ভিসি অধ্যাপক ড. নাজিম উদ্দীন, বিএনপি কেন্দ্রীয় কমিটির সহ সাংগঠনিক সম্পাদক ও চট্টগ্রাম ৫ আসনে বিএনপির প্রার্থী ব্যারিস্টার মীর মোহাম্মদ হেলাল উদ্দিন, ফেডারেল সাংবাদিক ইউনিয়নের মহাসচিব কাদের গণি চৌধুরী, চট্টগ্রাম প্রেস ক্লাবের সভাপতি জাহিদুল করিম কচি, চট্টগ্রাম মহানগর বিএনপির আহবায়ক ও চট্টগ্রাম ৮ আসনে বিএনপির প্রার্থী আলহাজ্ব এরশাদ উল্লাহ, মহানগর বিএনপির সাবেক সাধারণ সম্পাদক আবুল হাশেম বক্কর, চট্টগ্রাম ৯ আসনে বিএনপির প্রার্থী আলহাজ্ব আবু সুফিয়ান, মহানগর বিএনপির সদস্য সচিব নাজিমুর রহমান, চট্টগ্রাম ১০ আসনে বিএনপির প্রার্থী সাইদ আল নোমান, চট্টগ্রাম ক্লাবের সাবেক সভাপতি অধ্যাপক এস এম তারেক, মেট্রোপলিটন সাংবাদিক ইউনিয়নের সভাপতি মো. শাহনওয়াজ, চট্টগ্রাম বৌদ্ধ বিহারের অধ্যক্ষ ড. জিন বোদি ভিক্ষু, চট্টগ্রাম নাগরিক ঐক্যের সভাপতি স্বপন মজুমদার, চমেক ড্যাবের সভাপতি অধ্যাপক ডা. জসিম উদ্দিন, জেলা ড্যাবের সভাপতি অধ্যাপক ডা. তমিজ উদ্দিন আহমেদ মানিক, বিএমএ সাবেক সাধারণ সম্পাদক ডা. খুরশিদ জামিল চৌধুরী, মহানগর পিপি এড. মফিজুল হক ভূইয়া, মা ও শিশু হাসপাতালের ভাইস প্রেসিডেন্ট ডা. কামরুন্নাহার দস্তগীর, চেম্বারের সাবেক পরিচালক মাজহারুল হক শাহ, থিয়েটার ইন্সটিটিউটের পরিচালক কবি অভীক ওসমান, সিজেকেএস সাবেক সাধারণ সম্পাদক মো. হাফিজ, জমিয়তে উলামায়ে ইসলামের সহকারী মহাসচিব মাওলানা এম এ কাশেম ইসলামাবাদী, জেলা আইনজীবী সমিতির সাবেক সাধারণ সম্পাদক আশরাফ হোসেন চৌধুরী রাজ্জাক, ডিসি সাউথ কবির আহমেদ প্রমুখ

আরও পড়ুনঃ  সরকারকে অচিরেই ওয়াদা ভঙ্গের পরিণতি ভোগ করতে হবে: নাহিদ ইসলাম
Tag :
জনপ্রিয় পোস্ট

সুন্দরবন সংরক্ষণে যুব সমাজকে ভূমিকা পালন করার আহবান 

বেগম খালেদা জিয়া ছিলেন আপসহীন রাজনীতির এক অনন্য দৃষ্টান্ত – আমীর খসরু মাহমুদ চৌধুরী

আপডেটের সময়: ১০:৩৯:২৫ অপরাহ্ন, শনিবার, ৩১ জানুয়ারী ২০২৬

চট্টগ্রাম জেলা প্রতিনিধি :
বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য ও চট্টগ্রাম ১১ আসনে বিএনপির প্রার্থী আমীর খসরু মাহমুদ চৌধুরী বলেছেন, বেগম খালেদা জিয়া ছিলেন আপসহীন রাজনীতির এক অনন্য দৃষ্টান্ত। একজন সাধারণ গৃহিণী থেকে রাজনীতিতে এসে তিনি তাঁর জীবনের অধিকাংশ সময় ক্ষমতার বাইরে থেকেও আন্দোলনের মধ্য দিয়ে কাটিয়েছেন। মাত্র ১০-১১ বছর ক্ষমতায় থাকলেও প্রায় ৩০ বছর তিনি আপসহীনভাবে গণতন্ত্রের পক্ষে রাজপথে সংগ্রাম চালিয়ে গেছেন। কঠিন রাজনৈতিক বাস্তবতায় যখন অনেকেই আপস করেছেন কিংবা চাপ নিতে না পেরে সরে দাঁড়িয়েছেন, তখন বেগম খালেদা জিয়া শুরু থেকে শেষ পর্যন্ত এক মুহূর্তের জন্যও আপস করেননি। এই জায়গাতেই তিনি অন্যদের থেকে আলাদা।

 

শনিবার (৩১ জানুয়ারী) বিকেলে নগরীর কাজীর দেউরী আলমাস সিনেমা সংলগ্ন ইন্টারন্যাশনাল কনভেনশন হলে সাবেক প্রধানমন্ত্রী দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়ার স্মরণে এক নাগরিক শোকসভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে এসব কথা বলেন।

 

চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশনের মেয়র ডা. শাহাদাত হোসেনের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত সভায় বেগম খালেদা জিয়ার কর্মময় রাজনৈতিক জীবনের স্মৃতি চারণ করে বক্তব্য রাখেন বিএনপি চেয়ারপারসনের উপদেষ্টা গোলাম আকবর খোন্দকার, ড. সুকোমল বড়ুয়া, এস এম ফজলুল হক, একুশে পদকপ্রাপ্ত দৈনিক আজাদী সম্পাদক এম এ মালেক, ইন্ডিয়ান সহকারী হাই কমিশনার ডা. রাজিব রন্জন।

আরও পড়ুনঃ  আগামী সপ্তাহ থেকে ভারতীয় ভিসা পাবেন বাংলাদেশিরা

 

বিশ্ব নেতৃত্বের সঙ্গে তুলনা টেনে আমীর খসরু বলেন, মার্টিন লুথার কিং ও নেলসন ম্যান্ডেলার মতো নেতারা যেভাবে জীবনের শেষ পর্যন্ত আপসহীন ছিলেন, বেগম খালেদা জিয়ার ত্যাগও সেই উচ্চতায় পৌঁছেছে। আমরা তাঁর জীবদ্দশায় সেই ত্যাগের গভীরতা পুরোপুরি উপলব্ধি করতে না পারলেও তাঁর মৃত্যুর পর বুঝতে পেরেছি—তিনি কতটা গভীরভাবে বাংলাদেশের মানুষের মনোজগতে জায়গা করে নিয়েছেন।

সভাপতির বক্তব্যে সিটি মেয়র ডা. শাহাদাত হোসেন বলেন, দেশকে এগিয়ে নিতে হলে বেগম খালেদা জিয়ার দেখানো পথেই চলতে হবে। গণতন্ত্র, আইনের শাসন, ন্যায়বিচার ও মানুষের মৌলিক অধিকার প্রতিষ্ঠায় তাঁর অবদান আগামী প্রজন্মকে অনুপ্রাণিত করবে। রাষ্ট্র পরিচালনায় নৈতিকতা ও দায়িত্ববোধ যে অপরিহার্য তিনি তা কর্ম ও উদাহরণ দিয়ে দেখিয়েছেন।
ডা. শাহনাজ মাবুদ শিলভীর পরিচালনায় এতে আরো বক্তব্য রাখেন – তুরুস্কের কনসাল জেনারেল সালাউদ্দীন কাশেম খান, চট্টগ্রাম মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়ের ভিসি অধ্যাপক ডা. ওমর ফারুক ইউসুফ, চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজের অধ্যক্ষ অধ্যাপক ডা. জসিম উদ্দিন, সাবেক অধ্যক্ষ অধ্যাপক ডা. ইমরান বিন ইউনুস, চবি শিক্ষক সমিতির সাবেক সভাপতি অধ্যাপক ড. সিদ্দিক আহমেদ চৌধুরী, প্রিমিয়ার ইউনিভার্সিটির ভিসি অধ্যাপক ড. নসরুল কদির, ইস্ট ডেলটা ইউনিভার্সিটির ভিসি অধ্যাপক ড. নাজিম উদ্দীন, বিএনপি কেন্দ্রীয় কমিটির সহ সাংগঠনিক সম্পাদক ও চট্টগ্রাম ৫ আসনে বিএনপির প্রার্থী ব্যারিস্টার মীর মোহাম্মদ হেলাল উদ্দিন, ফেডারেল সাংবাদিক ইউনিয়নের মহাসচিব কাদের গণি চৌধুরী, চট্টগ্রাম প্রেস ক্লাবের সভাপতি জাহিদুল করিম কচি, চট্টগ্রাম মহানগর বিএনপির আহবায়ক ও চট্টগ্রাম ৮ আসনে বিএনপির প্রার্থী আলহাজ্ব এরশাদ উল্লাহ, মহানগর বিএনপির সাবেক সাধারণ সম্পাদক আবুল হাশেম বক্কর, চট্টগ্রাম ৯ আসনে বিএনপির প্রার্থী আলহাজ্ব আবু সুফিয়ান, মহানগর বিএনপির সদস্য সচিব নাজিমুর রহমান, চট্টগ্রাম ১০ আসনে বিএনপির প্রার্থী সাইদ আল নোমান, চট্টগ্রাম ক্লাবের সাবেক সভাপতি অধ্যাপক এস এম তারেক, মেট্রোপলিটন সাংবাদিক ইউনিয়নের সভাপতি মো. শাহনওয়াজ, চট্টগ্রাম বৌদ্ধ বিহারের অধ্যক্ষ ড. জিন বোদি ভিক্ষু, চট্টগ্রাম নাগরিক ঐক্যের সভাপতি স্বপন মজুমদার, চমেক ড্যাবের সভাপতি অধ্যাপক ডা. জসিম উদ্দিন, জেলা ড্যাবের সভাপতি অধ্যাপক ডা. তমিজ উদ্দিন আহমেদ মানিক, বিএমএ সাবেক সাধারণ সম্পাদক ডা. খুরশিদ জামিল চৌধুরী, মহানগর পিপি এড. মফিজুল হক ভূইয়া, মা ও শিশু হাসপাতালের ভাইস প্রেসিডেন্ট ডা. কামরুন্নাহার দস্তগীর, চেম্বারের সাবেক পরিচালক মাজহারুল হক শাহ, থিয়েটার ইন্সটিটিউটের পরিচালক কবি অভীক ওসমান, সিজেকেএস সাবেক সাধারণ সম্পাদক মো. হাফিজ, জমিয়তে উলামায়ে ইসলামের সহকারী মহাসচিব মাওলানা এম এ কাশেম ইসলামাবাদী, জেলা আইনজীবী সমিতির সাবেক সাধারণ সম্পাদক আশরাফ হোসেন চৌধুরী রাজ্জাক, ডিসি সাউথ কবির আহমেদ প্রমুখ

আরও পড়ুনঃ  সরকারকে অচিরেই ওয়াদা ভঙ্গের পরিণতি ভোগ করতে হবে: নাহিদ ইসলাম