
নিজস্ব প্রতিবেদকঃ রাজধানীর গুলশান-২ এলাকায় ‘জার্মান ক্লাব’ পরিচয়ের আড়ালে পরিচালিত ‘সেভেনটি এইট রেস্টহাউজ সোসাইটিতে’ অভিযান চালিয়েছে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তর (ডিএনসি)। অভিযানে বিপুল পরিমাণ অবৈধ বিদেশি মদ ও বিয়ার জব্দ করেছে ডিএনসি। এ ঘটনায় প্রতিষ্ঠানের ম্যানেজার আতাউর রহমান শামীমকে গ্রেফতার করা হয়েছে। এছাড়া প্রতিষ্ঠানটির সঙ্গে সংশ্লিষ্ট ওমর জামিল নামে অপর একজনের সম্পৃক্ততার তথ্য পাওয়া গেছে। বৃহস্পতিবার (১৫ অক্টোবর) দিনগত রাত আড়াইটার দিকে ডিএনসির একটি দল রেস্টহাউজটিতে অভিযান চালায়। আজ শুক্রবার (১৬ অক্টোবর) দুপুরে ডিএনসির বিভাগীয় গোয়েন্দা কার্যালয়ের উপপরিচালক মো. মেহেদী হাসান এ তথ্য নিশ্চিত করেন।
তিনি বলেন, গুলশান-২ নম্বরের ১০৪ নম্বর সড়কের ২৪ নম্বর বাসায় অবস্থিত সেভেনটি এইট রেস্টহাউজে কোনো বার লাইসেন্স ছাড়াই দীর্ঘদিন ধরে অবৈধভাবে বিদেশি মদ মজুত ও পাইকারি এবং খুচরা বিক্রি করা হচ্ছিল বলে তথ্য পাওয়া যায়। তথ্যের সত্যতা যাচাইয়ের বৃহস্পতিবার রাত আড়াইটার দিকে ডিএনসির একটি দল সেখানে অভিযান চালায়। মেহেদী হাসান বলেন, ‘জার্মান ক্লাব’-এর ভুয়া নামে পরিচিত প্রতিষ্ঠানটি প্রকৃতপক্ষে সেভেনটি এইট রেস্টহাউজ সোসাইটি। ‘জার্মান ক্লাব’ নামে সেখানে কোনো প্রকৃত বা বৈধ প্রতিষ্ঠানের অস্তিত্বের প্রমাণ পাওয়া যায়নি। অভিযানে রেস্টহাউজ থেকে জব্দ করা বিদেশি মদের পরিমাণ ২২৩ বোতলে মোট ১৭৭ লিটার। এছাড়া ২০৯টি বোতল ও ক্যানসহ মোট ৬৭ লিটার অবৈধ বিয়ার পাওয়া যায়। সব মিলিয়ে জব্দ করা মদ ও বিয়ারের পরিমাণ ২৪৪ লিটার।
ডিএনসি উপপরিচালক বলেন, অভিযানকালে প্রতিষ্ঠানটির ম্যানেজার আতাউর রহমান শামীমকে গ্রেফতার করা হয়। জব্দ করা মদ ও বিয়ারের বৈধতার বিষয়ে জানতে চাওয়া হলে তিনি প্রয়োজনীয় বৈধতার প্রমাণ উপস্থাপন করতে পারেননি। তিনি বলেন, প্রতিষ্ঠানটিতে টিকিট বিক্রির মাধ্যমে ডিজে পার্টির আয়োজন করা হতো। এসব পার্টিতে অবৈধভাবে বিদেশি মদ, বিয়ারসহ বিভিন্ন মাদক সরবরাহ করা হতো। এর সঙ্গে সংশ্লিষ্ট একাধিক ব্যক্তির বিষয়ে অনুসন্ধান চলছে। এ ঘটনায় গ্রেফতার আতাউর রহমান শামীম, পলাতক ওমর জামিল এবং অজ্ঞাতপরিচয় সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে গুলশান থানায় মামলা দায়ের করা হয়েছে।
প্রতিবেদকের নাম 
























